Thursday, 17 August 2017

পা পিছলে পড়ে যাওয়া লজ্জার কথা নয়

• পা পিছলে পড়ে যাওয়া লজ্জার কথা নয় । বরং যথা সময়ে উঠে না দাঁড়ানোই লজ্জার ব্যাপার ।
• তর্কে জেতা বুদ্ধিমানের কাজ নয় বরং বুদ্ধিমানের কাজ হল তর্কে না জড়ানো ।
• তুমি যতটা মূল্যবান ততটা সমালোচনার পাত্র !!
• বুদ্ধির সীমা আছে কিন্তু বোকামীর কোন সীমা নেই ।
• জ্ঞানী মূর্খকে চিনতে পারে কেননা সে জ্ঞানী । 
• পক্ষান্তরে মূর্খ জ্ঞানীকে চিনতে পারে না, কেননা সে মূর্খ ।
• ভুল করা দোষের কথা নয় বরং ভুলের উপর প্রতিষ্ঠিত থাকা দোষণীয় ।
• আহমকের সাথে তর্ক কর না । কারণ, মানুষ হয়তো দুজনের মাঝে পার্থক্য করতে ভুল করবে।

Monday, 14 August 2017

আর্থার অ্যাশ নামে একজন লিজেন্ডারি টেনিস প্লেয়ার ছিলেন

আর্থার অ্যাশ নামে একজন লিজেন্ডারি টেনিস প্লেয়ার ছিলেন। এই ছেলেটির রক্তে একদিন এইডস নামক মরনব্যাধীর ভাইরাস এইচআইভি পজিটিভ ধরা পরে। ইনফেক্টেড ব্লাড নেবার কারণে তাঁর শরীরে এই ভাইরাস প্রবেশ করে।
.সারা পৃথিবী জুড়ে টেনিস প্রিয় লোকজন এবং ভক্তরা তাকে সমবেদনা ও ভালোবাসা জানিয়ে চিঠি পাঠায়। তন্মধ্যে একটি প্রশ্ন ছিল, "কেন আল্লাহ তা'আলা তোমাকেই বেছে নিলেন এমন একটি খারাপ রোগের জন্য? হোয়াই?"
.আর্থার অ্যাশ তাঁর সেই প্রিয় ভক্তকে জবাবে লিখেছিলেনঃ
"সারা পৃথিবী থেকে পাঁচ কোটি শিশু টেনিস খেলতে শুরু করে। তার মধ্য থেকে পঞ্চাশ লক্ষ খেলা শিখতে পারে, পাঁচ লক্ষ পারে পেশাদার খেলা শিখতে। ওর মধ্য থেকে পঞ্চাশ হাজার আসে সার্কিটে, পাঁচ হাজার পৌঁছায় গ্র্যান্ড স্লামে, পঞ্চাশ জন আসে উইম্বল্ডনে, চার জন সেমিফাইনালে, দুই জন মাত্র ফাইনালে আসতে পারে শেষ পর্যন্ত।
.যখন আমি তার মধ্য থেকে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলাম, তখন শিরোপা হাতে নিয়ে আল্লাহ'কে জিজ্ঞেস করিনি, 'আমাকে কেন বেছে নিলেন এই চ্যাম্পিয়ন হবার জন্য এত মানুষের মধ্য থেকে? হোয়াই মি আল্লাহ?'
আজ কষ্টের বেলায় কি আমার অধিকার আছে তাঁর কাছে জানতে চাওয়া, 'হোয়াই মি? আমি কেন আল্লাহ? কেন আমাকেই তোমার বেছে নিতে হল এই খারাপ রোগের জন্য?' যখন আমায় কিছু দিয়েছিলেন তিনি তখনতো আমি তাঁকে প্রশ্ন করিনি, 'কেন দিলে আল্লাহ?'
.তিনিই ভালো জানেন কেন আমাদের আনন্দ দেন আর কষ্টে দোলান। তিনি আমাদের বুদ্ধির অগম্য স্তরের বুদ্ধিমত্তা। সুতরাং হতাশা নয়। আর, "Future is very Unpredictable."
Collected

Wednesday, 9 August 2017

সে’ই প্রকৃত জেদী

১. সে’ই প্রকৃত জেদী,
যে কর্মের মাধ্যমে জেদ প্রকাশ করে।
.
২. সে’ই প্রকৃত বুদ্ধিমান,
যে তার দোষ প্রথমে স্বীকার করে।
.
৩. সে’ই প্রকৃত ব্যবসায়ী,
যে কাস্টমারের সাথে সুলভ ব্যবহার করে।
.
৪. সে’ই প্রকৃত শিক্ষক,
যে তার শিক্ষার্থীদেরকে প্রকৃত শিক্ষা দেয়।
.
৫. সে’ই প্রকৃত শিক্ষার্থী,
যে তার শিক্ষককে মা বাবার মতই সম্মান করে।
.
৬. সে’ই প্রকৃত স্বামী,
যে তার স্ত্রীকে অন্য কোন মেয়ে বা মহিলার
সাথে তুলনা করে না।
.
৭. সে’ই প্রকৃত স্ত্রী,
যে তার স্বামীর অল্প উপার্জনেই সন্তুষ্ট থাকে।
.
৮. সে’ই প্রকৃত ছেলে/ মেয়ে,
যে তার মা বাবাকে কষ্ট দেয় না।
.
৯. সে’ই প্রকৃত দেশ প্রেমিক,
যে তার দেশের কল্যানে কাজ করে।
.
১০. সে’ই প্রকৃত বন্ধু,
যে তার বন্ধুর ক্ষতি করে না।
.
১১. সে’ই প্রকৃত শিক্ষিত,
যে সর্বদা বিনয়ের সহিত কথা বলে।
সংগৃহীত

উচ্চ বেতনে চাকুরি করা এক যুবক আরেক গরীব যুবককে প্রশ্ন করলো

১.
উচ্চ বেতনে চাকুরি করা এক যুবক আরেক গরীব যুবককে প্রশ্ন করলো,
- তুমি কোথায় চাকুরি করো?
- একটা ম্যাচ ফ্যাক্টরিতে।
- স্যালারি কতো?
- ৫০০০।
- মোটে পাঁচ হাজার? চলো কিভাবে? তোমার মালিক তোমার প্রতি অবিচার করছে। তোমার যা যোগ্যতা, হেসেখেলেই তুমি অনেক টাকা বেতন পেতে পারো।
.


যুবকের মেজাজ খাট্টা হয়ে গেলো। নিজের কাজের প্রতি, বসের প্রতি বেজায় রুষ্ট হয়ে উঠলো। পরদিন গিয়ে সরাসরি বসকে জুলুমের কথা জানালো। কথা কাটাকাটি হওয়াতে বস তাকে চাকরিচ্যুত করলো।
এখন যুবকটি বেকার।
২.
- তোমার প্রথম সন্তান হলো বুঝি?
- জ্বি।
- তোমার স্বামী এ উপলক্ষ্যে তোমাকে কিছু দেয় নি? উপহার বা এ জাতীয় কিছু?
- না। কেন দিবে? এ তো আমাদেরই সন্তান! টাকা দিতে হবে কেন?
- কেন তোমাকে হাত খরচার জন্যেও তো দু’চার পয়সা দিতে পারে। তার কাছে তোমার কোনও মূল্য নেই? তুমি চাকরানি?
.
স্ত্রীর মনে ধরলো কথাটা। সারাদিন কথাটা ভাবতে ভাবতে মনটা বিষিয়ে উঠলো। সত্যিই তো! আমাকে একটা টাকাও কখনো ছোঁয়ায় না! রাতে কর্মক্লান্ত স্বামী ঘরে ফিরলো। স্ত্রীর মুখ দিয়ে বোমা বিস্ফোরিত হলো। লেগে গেলো দু’জনে। কথা কাটাকাটি। ঝগড়া। হাতাহাতি। শেষ পর্যন্ত তালাকে গিয়ে গড়াল।
৩.
- এই বৃদ্ধ বয়েসে কষ্ট করছেন? ছেলে ঢাকায় থাকে, বড় চাকুরি করে শুনেছি। বউ-বাচ্চা নিয়ে থাকে। আপনাদের দু’জনকে নিয়ে যেতে পারে না? আপনাদের দেখতেও তো আসে না!
- না না, ছেলে আমার খুবই ব্যস্ত। টাকা পাঠায় তো। ফোনে খোঁজ-খবর নেয়। নিয়মিত।
- কী এমন ব্যস্ততা তার শুনি? নিজের জন্মদাতা-দাত্রীকে দেখতে আসার সময় হয় না?
- সারাদিন অফিস-বাসা করতে করতেই সময় চলে যায়!
- আপনি খোঁজ নিয়েছেন? সে ঢাকায় বাড়ি-গাড়ি হাঁকিয়ে বেড়াচ্ছে। আর আর আপনারা অজপাড়াগাঁয়ে ধুঁকছেন?
.
বৃদ্ধ বাবা বাসায় এসে স্ত্রীকে খুলে বললো। স্ত্রীও বাধা দিল,
- আপনি ভুল শুনেছেন। সে আসলেই ব্যস্ত।
- নাহ, খন্দকার সাহেব কি মিথ্যা বলতে পারেন? ...আহা রে! কাকে বুকের রক্ত পানি করে বড় করলাম?
.
.
কিছু "নিরীহ" প্রশ্ন আমাদের সুখী জীবনকে এক লহমায় দুঃখী করে দিতে সক্ষম। ছদ্মবেশী দরদীরা নিস্তরঙ্গ শান্ত জীবনে অশান্তির দাবানল জ্বালিয়ে দেয়...
.
- কেন? সেটা এখনো কিনেন নি?
- আপনাদের এখনো বাচ্চাকাচ্চা হয় নি?
- এই জীবন কিভাবে বহন করে চলেছেন?
- ছেলেকে বিশ্বাস করে বসে আছেন?
- ছেলে তো বউয়ের কেনা গোলামে পরিণত হয়েছে!
.
.
গল্পের নির্যাসঃ
= ফাসাদ সৃস্টিকারী হয়ো না।
= হিংসুকদের ছলনায় পড়ো না।
.
গল্পের হিতোপদেশঃ
= মানুষের ঘরে অন্ধ হয়ে প্রবেশ করো। বোবা হয়ে বের হয়ে আসো...

একবার একটি জাহাজ নষ্ট হয়ে গিয়েছিল

একবার একটি জাহাজ নষ্ট হয়ে গিয়েছিল। মালিক অনেক চেষ্টা করছিলেন রাজ্যে কেউ আছে কি না যে তার জাহাজ ঠিক করে দিতে পারে। অনেকেই আসে যায়। কিন্তু কেউই জাহাজ ঠিক করতে পারে না। অবশেষে একদিন এক লোক এল। তার কাছে ছিল একটি টুলবক্স। সে বেশ কিছুক্ষণ জাহাজের পার্টসগুলো পরীক্ষা করল। ইঞ্জিনের কাছে গিয়ে সে তার বক্স থেকে একটা হ্যামার বের করল ও তিনটি বাড়ি দিল। আশ্চর্যজনকভাবে জাহাজটি ঠিক হয়ে গেল। বিকল ইঞ্জিন সচল হয়ে গেল। মালিক মহাখুশি। মালিক তার ওয়াদা অনুযায়ী এবার লোকটিকে পুরস্কৃত করবে। লোকটিকে বিল পাঠাতে বলা হল। লোকটা বিল পাঠাল এক লাখ টাকা। বিল দেখে জাহাজের মালিকের মাথায় হাত। এত টাকা বিল কেন, তুমি তো কেবল জাহাজে তিনটি বাড়ি মেরেছ, তার জন্য কেন এত টাকা চাইছ। তুমি আমাকে ভেঙে ভেঙে দাম বলত। তখন লোকটি বলল, বাড়ি ৩টা মারার জন্য আমি আসলে ৩০০ টাকা চার্জ করেছি, আর বাড়ি ৩টা কোথায় মারতে হবে সেটা জানার জন্য চার্জ করেছি আর ৯৯,৭০০ টাকা। এ টাকাটা আমার নলেজের দাম।
শিক্ষা: জ্ঞান অর্জন কখনই বৃথা যায় না। জ্ঞানী লোককে সবাই খুঁজে নেয় ও সমাদর করে।

Monday, 7 August 2017

আজ চায়ের কাপ মাথায় ভাঙ্গা হবে - Jokes

স্ত্রী :- হ্যালো!
স্বামী :- হ্যালো!
স্ত্রী :- অফিস ছুটি হইছে না ?
এত দেরি কেন ?
তুমি কই ?
স্বামী :-তোমার কি মনে আছে গত ঈদে তুমি একটা নেকলেস পছন্দ করেছিলে।
স্ত্রী :- (খুশিতে লুতুপুতু হয়ে) হ্যাঁ মনে আছে। কেনো গো ?
স্বামী :তুমি বলেছিলে ওটা কেনার জন্য তোমার অনেক শখ।
স্ত্রী :- হুম !
তোমার মনে আছে তাহলে।
স্বামী :- মনে আছে দোকানদার অনেক দাম চেয়েছিল ?
স্ত্রী :- হুম !
স্বামী :- এত টাকা আমার কাছে
ছিল না।
স্ত্রী :- হুম।
স্বামী :-বলেছিলাম পরে কিনে দিবো।
স্ত্রী :-(খুশি হয়ে) হ্যাঁ হ্যাঁ বলেছিলে।
স্বামী :- আরে ঐ যে নিচ তলার বড়দোকানটা।
স্ত্রী :-আরে বাবা মনে আছে তো!
স্বামী :- আমি ওই দোকানের পাশের ছোট চায়ের দোকানে বসে চা খাচ্ছি।😁 😁

Sunday, 6 August 2017

এক কৃষক গিয়েছিলেন ব্যাংকে লোন নিতে

এক কৃষক গিয়েছিলেন ব্যাংকে লোন নিতে। ২০ হাজার টাকা। ব্যাংক কর্মচারী বললেন অ্যাপ্লিকেশন ফর্ম ফিল-আপ করতে।
এবার ব্যাংক কর্মচারী জিজ্ঞাসা করলেন আপনি এই টাকা দিয়ে কি করবেন?
-আমি একটি গরু কিনব। গরুর যা দুধ হবে, তা বিক্রী করবো।
আপনার কি কোন সিকিউরিটি আছে?
সিকিউরিটি মানে কি?
সিকিউরিটি হলো একটি মূল্যবান জিনিস যার দাম হলো ২০ হাজার টাকা। যদি আপনি কখনও এই ঋণ পরিশোধ না করতে পারেন আমরা ওটা নিয়ে নেব।
আমার একটি লাঙ্গঁল আছে।
লাঙ্গঁলের দাম তো আর বিশ হাজার হতে পারে না। আর কি আছে?
একটি ঘোড়া আছে।
ঘোড়ার বয়স কত?
দশ বছর I
ও মাই গড্। দেখি কিছু করা যায় কিনা !
ব্যাংকের কর্মচারী গেলেন ম্যানেজারের কাছে। ব্যাংকের ম্যানেজারের দয়া হলো। তিনি ২০ হাজার টাকা দিলেন ঐ কৃষককে।
ছয়মাস পরে ঐ কৃষক ফিরে এলো ব্যাংকে। হাতে বড় একটি পোঁটলা। ভিতরে টাকার বান্ডিল। গুনে গুনে সুদে আসলে শোধ করলো তার ঋণ। ব্যাংক কর্মচারী বললেন:
আপনার কাছে তো এখনও প্রচুর টাকা রয়েছে। বাকী টাকা দিয়ে কি করবেন?
-আমার বালিশের নীচে রেখে দেব।
আপনি তো আমাদের ব্যাংকে টাকা ডিপোজিট রাখতে পারেন।
ডিপোজিট মানে কি?
আপনার টাকা আমাদের এখানে থাকবে। যখন দরকার হবে, টাকা তুলতে পারবেন। এছাড়া সুদও পাবেন।
এবার কৃষক বললো :
-আপনাদের কোন সিকিউরিটি আছে?

Thursday, 3 August 2017

আমেরিকার এক বিখ্যাত ইসলাম বিদ্বেষী লেখকের ব্লগ পড়ছিলাম

আমেরিকার এক বিখ্যাত ইসলাম বিদ্বেষী লেখকের ব্লগ পড়ছিলাম। গৎবাঁধা লেখা, কিন্ত একটা লেখায় চোখ আটকে গেলো। বিষয়টা বেশ ইন্টারেস্টিং। তিনি মুসলিমদের তুলনা করছেন একটা বিশাল আর্মির সাথে, এবং তার বক্তব্যের সপক্ষে খুব সুন্দর সব যুক্তি দিয়েছেন।
তার লেখাটার সারমর্ম হল মুসলিমদের শুধুই একটা আলাদা ধর্মের অনুসারী হিসেবে দেখলে আমেরিকানরা ভুল করবে। মুসলিমদের দেখতে হবে একটা সুসংহত আর্মির মত। আর তা না করলে মুসলিমরা অচিরেই পুরো বিশ্ব দখলে নিয়ে নেবে।
মুসলিমেরা যে একটা মিলিটারি তা প্রমাণ করতে তিনি বলেছেন-
মুসলিমরা রাত শেষ হবার আগেই, বিছানা থেকে উঠে মসজিদের দিকে চলে যায়, এবং তারা মিলিটারির মত রুটিন মাফিক স্ট্রেচিং আর ড্রিল করে। (তিনি ফজরের সালাতের কথা বলছেন)। কোন কিছুই তাদের এ থেকে বিরত রাখতে পারেনা। কঠিন ঠাণ্ডা, অসুখ, বৃষ্টি, ছুটি কোন অজুহাতই নয়। বিশ্বের কোন মিলিটারিতেও বোধহয় এতো কড়াকড়ি নেই। আরো ভয়াবহ ব্যাপার হল তারা এটা প্রতিদিন পাঁচবার করে। মিলিটারিও ফেইল।
আর্মিরা যেমন একত্রে সংঘবদ্ধ হয়ে মার্চ করে, মুসলিমরাও অণুরূপ জামাতে সমন্বিত (synchronized) ভাবে একতাবদ্ধ হয়ে নামাজ পড়ে। তাদের লাইন ঠিক করা, একত্রে সকল স্টেপ ফলো করা আর্মিকেও হার মানায়।
এরপর তিনি আর্মিরা কেন মার্চ করে সে বিষয় একটু আলোকপাত করলেন।
আমরা তো সবাই আর্মির মার্চ দেখেছি। কোন সময় চিন্তা করে দেখেছেন কেন তারা এটা করে? এটা করে কি লাভ হয়?
আধুনিক যুদ্ধখেত্রে একত্রে মার্চ করার কোন ব্যবহার নেই, বরং এটা করা বোকামি। তাহলে কেন?
কারণ একদল মানুষ যদি কোন কাজ একইভাবে বারবার করে তাদের মাঝে একটা মানসিক (emotional) এবং ভৌত (physical) বন্ধন সৃষ্টি হয়। তারা নিজেদের ব্যক্তিসত্ত্বার পরিবর্তে গ্রুপকে বেশি প্রাধান্য দিতে শিখে। শুধু মার্চ অথবা ড্রিল নয়, যেকোন সমন্বিত কর্মকাণ্ড (যেমন একত্রে খেলা, গান গাওয়া, জামাতে সালাত ইত্যাদি) মানুষের মাঝে সংবদ্ধতা (group coherence) তৈরি করে।
তিনি আরও লিখেছেন, নামাজের ওয়াক্ত হবার সাথে সাথেই মুসলিমরা যেখানেই যে অবস্থাই থাকুক না কেন, তারা সবাই একদিকে মুখ ফেরায় আর নামাজ পড়ে। ফলে বিশ্বব্যাপী তাদের মাঝে এক একাত্মতা তৈরি হয়েছে, যা অন্য কোন ধর্ম/জাতি অথবা বিশ্বাসের মানুষের মাঝে দেখা যায়না। আর এই কারণেই মুসলিমরা মাত্র ১৪০০ বছরের মাঝেই বিশ্বের সব অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে, এবং তাদের কখনোই পরাজিত করা যায়না।
একটা লোহার খণ্ড কখন চুম্বকে রূপান্তরিত হয়? যখন তার মাঝে যত ইলেক্ট্রন আছে, সব একদিকে মুখ করে।
আলহামদুলিল্লাহ, এভাবে কোন সময় চিন্তা করিনা আমরা, আল্লাহ সুবহানু ওয়া তায়ালা মুসলিমদের দৈনিক কর্মকাণ্ডে কি এক অনুপম শিক্ষা রেখেছেন। এই মুসলিম উম্মা কে একটি দেহের সাথে তুলনা করা হয়, যার কোন অঙ্গে ব্যাথা পেলে সারা শরীরে সেটা অনুভূত হয়!
জামাতে নামাজ পড়ার গূরুত্ব মনে হয় সবচেয়ে বেশী এখানেই!!

Saturday, 15 July 2017

কেনো ইহুদীরা এত বুদ্ধিমান হয়?

ইসরাইলের কয়েকটি হাসপাতালে তিন বছর মধ্যবর্তীকালীন কাজ করার কারনেই বিষয়টি নিয়ে গবেষনা করার চিন্তা আমার মাথায় আসে।
এতে অমত করার কোনই সুযোগ নেই যে, ইহুদীরা ইন্জিনিয়ারিং, সংগীত, জ্ঞ্যান বিজ্ঞান সহ জীবনের প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রেই অন্যদের থেকে অনেক অনেক এগিয়ে এবং বিশেষ করে ব্যবসার ক্ষেত্রে। প্রসাধনী, খাদ্য, অস্ত্র, ফ্যাশন, ফিল্ম ইন্ডাষ্ট্রি ইত্যাদি সহ (হলিউড) পৃথিবীর প্রায় সত্তর ভাগের কাছাকাছি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এদের দখলে।
দ্বিতীয় বছর আমি যখন ক্যালিফোর্নিয়া ফেরত যাচ্ছিলাম তখন এই চিন্তা আমার মাথায় আসে যে, স্রষ্টা কেনো তাদেরকে এই বিশেষ ক্ষমতা(বুদ্ধিমত্তা) দিয়ে দুনিয়াতে পাঠিয়েছেন। এটা কি নিতান্তই কোনো কাকতালীয় ব্যাপার নাকি ব্যাপারটা মনুষ্যসৃষ্ট? ফ্যাক্টরি থেকে যেমন বিভিন্ন জিনিস বানানো যায় তেমন করে কি বুদ্ধিমান ইহুদী বানানো সম্ভব? সকল তথ্য উপাত্ত সঠিক ভাবে সংগ্রহ করে আমার গবেষনা শেষ করতে প্রায় আট বছর সময় লেগে যায়, যেমন তাদের খাদ্যাভাস, সংস্কৃতি, ধর্ম, গর্ভাবস্থার প্রস্তুতি ইত্যাদি এবং পরবর্তীতে এসব আমি অন্যান্য জাতির সাথে তুলনা করব।
প্রথমেই শুরু করা যাক মহিলাদের গর্ভাবস্থার প্রাকপ্রস্তুতি দিয়ে। ইস্রাইলে প্রথমেই যে জিনিসটা আমার নজড়ে আসে সেটা হচ্ছে গর্ভবতী মায়েরা সবসময় গান বাজনা এবং পিয়ানো বাজাবে এবং তাদের স্বামীদেরকে নিয়ে গানিতের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করবে। গর্ভবতী মহিলারা সবসময় তাদের সাথে গনিতের বই সাথে নিয়ে ঘুরে যেটা দেখে আমি সত্যিকার অর্থেই খুব আশ্চার্যিত হয়েছিলাম। এমনকি আমি নিজেও কয়েকবার তাদের গনিতের সমস্যা সমাধান করে দিয়েছিলাম। আমি একবার একজনকে জিজ্ঞেস করেছিলাম যে এটা কি তুমি তোমার গর্ভের সন্তানের জন্য করছো? তখন সে উত্তর দিয়েছিলো হ্যা এটা আমরা করি যাতে শিশু গর্ভে থাকা অবস্থা থেকেই প্রশিক্ষন নিতে পারে এবং পরবর্তীতে জন্মের পর আরো বেশি মেধাবী হয়ে বেড়ে উঠতে পারে। বাচ্চা প্রসবের আগ পর্যন্ত তারা তাদের এই গানিতিক সমস্যার সমাধান চালিয়ে যায়।
এর পরেই যে জিনিসটি আমি পর্যবেক্ষন করি সেটি হচ্ছে তাদের খাদ্যাভাস। গর্ভবতী মায়েরা আলমন্ড খেজুড় আর দুধ খেতে খুব ভালোবাসে। দুপুরের খাবারের তালিকায় থাকে রুটি এবং মাছ(মাথা ছাড়া), আলমন্ড এবং অন্যান্য বাদাম যুক্ত সালাদ। তারা বিশ্বাস করে যে মাছ হচ্ছে মস্তিষ্কে পুষ্টি সরবরাহ করে অপর দিকে মাছের মাথা মস্তিষ্কের জন্য খারাপ। এছাড়াও গর্ভবতী মহিলাদের কড লিভার খাওয়া ইহুদী সংস্কৃতির একটি অংশ।
আমি যখন রাতের খাবারের দাওয়াতে অংশ নিতাম তখন দেখতাম তারা সবসময় মাছ খেতে খুব পছন্দ করত এবং মাংশ পরিত্যাগ করত। তাদের বিশ্বাসমতে মাছ এবং মাংশ দুটি একসাথে খেলে তা শরিরের কোনো কাজে লাগে না। অপর দিকে সালাদ এবং বাদাম তাদের খাদ্য তালিকায় অবশ্যই থাকবে, বিশেষ করে আলমন্ড।
তারা যে কোনো প্রধান আহারের আগে ফল খাবে। তারা বিশ্বাস করে যে যদি প্রধান আহারের পরে ফল খাওয়া হয় তবে তা নিদ্রার উদ্রেগ ঘটাবে যা পাঠ গ্রহনের ক্ষেত্রে বাধার কারন হয়ে দাড়াবে।
ইস্রাইলে ধুমপান করা নিষিদ্ধ। যদি আপনি তাদের বাসার অতিথি হয়ে থাকেন তবে বাসার ভিতরে ধুমপান করা থেকে বিরত থাকবেন নাহলে তারা খুব বিনিতভাবে তাদের বাসার বাইরে গিয়ে ধুমপান করবার অনুরোধ জানাবে। ইসরাইলী বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীদের মতে, ধুমপান মস্তিষ্কের কোষগুলোকে ধীরে ধীরে ধ্বংশ করে দেয় এবং শরীলের জ্বীন এবং ডিএনএ কে ক্ষতিগ্রস্থ করে ফলে বংশপরম্পরায় ত্রুটিযুক্ত মস্তিষ্কের কোষযুক্ত বাচ্চা জন্মগ্রহন করবে।(এখানে একটা জিনিস খেয়াল করবেন যে, পৃথিবীর বড় বড় সব সিগেরেটের কম্পানিগুলো কাদের সেটা আপনারা আশা করি ভালো করেই জানেন.....)
বাচ্চারা কি খাবার খাবে সেটা সবসময় তাদের পিতামাতা ঠিক করে দেয়। প্রথমে ফল খাবে এরপর প্রধান খাবার খাবে যেমন রুটি মাছ এর পর কড লিভারের তেল খাবে। আমার দেখা মতে প্রত্যেকটি ইহুদী বাচ্চারই সাধারনত তিনটি ভাষার উপর দখল থাকে - হিব্রু, আরবী এবং ইংরেজী। শিশুকাল থেকেই প্রত্যেকটি বাচ্চাকে ভায়োলিন এবং পিয়ানো বাজানোর প্রশিক্ষন দেওয়া হয়।
তারা বিশ্বাস করে এতে করে তাদের আইকিউ লেভেল এর বৃদ্ধি ঘটে এবং বাচ্চারা মেধাবী হয়ে বেড়ে উঠে। জিউস বিজ্ঞানীদের মতে, সঙ্গীতের কম্পন মস্তিষ্কের কোষগুলোকে উদ্দীপিত করে। একারনেই ইহুদীদের মাঝে এত মেধাবী মানুষ দেখা যায়।
ক্লাশ এক থেকে ছয় পর্যন্ত তাদেরকে গনিত এবং ব্যাবসাশিক্ষা শিখানো হয়। বিজ্ঞান তাদের এক নম্বর পছন্দের বিষয়। ইহুদি বাচ্চারা কিছু বিশেষ ক্রিয়ায় অংশগ্রহন করে যেমন, দৌড়, ধনুবিদ্যা এবং শুটিং। তারা মনে করে শুটিং এবং ধনুবিদ্যা তাদের মস্তিষ্ক্যকে সঠিক ভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহনের ক্ষেত্রে সাহায্য করে।
উচ্চমাধ্যমিকে বিজ্ঞান শিক্ষার উপর বিশেষ জোড় প্রদান করা হয়। এসময় তারা বিভিন্ন জিনিস বানানোর চেষ্টা করে থাকে এর মধ্যে সবধরনের প্রযেক্ট থাকে। যদিও তাদের বানানো কিছু কিছু জিনিস অনেক হাস্যকর এবং ব্যবহার অযোগ্য লাগতে পারে। কিন্তু সব কিছুতে গুরুত্বের সাথে মনোযোগ দেওয়া হয় বিশেষ করে যদি সেটা হয় যুদ্ধোপকরন, ঔষধ কিংব যন্ত্রবিজ্ঞান। যে সকল প্রকল্প বা ধারনাগুলো সফলতা পায় সেগুলোকে উচ্চবিদ্যাপিঠগুলোতে পাঠিয়ে দেওয়া হয় আরো ভালো ভাবে গবেষনা করবার জন্য।
বিশ্ববিদ্যালয়ের শেষ বছরে ব্যাবসা শিক্ষা অনুষদকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়। ব্যাবসা শিক্ষার সকল ছাত্র ছাত্রীদের একটি করে প্রজেক্ট দেওয়া হয় এবং তারা শুধু মাত্র পাস করতে পারবে যদি তাদের গ্রুপ (প্রতি গ্রুপে আনুমানিক ১০জন) সেই প্রজেক্ট থেকে ইউএসডি এক মিলিয়ন ডলার লাভ করতে পারে। অবাক হওয়ার কিছুই নেই, এটাই বাস্তবতা। এবং এই কারনে পৃথিবীর অর্ধেকেরও বেশি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ইহুদীদের দখলে।
আপনারা কি কখনো ইহুদীদের প্রার্থনা করতে দেখেছেন? তারা প্রার্থনা করবার সময় সবসময় তাদের মাথা ঝাকায়। তারা বিশ্বাস করে তাদের এই কার্যকলাপ তাদের মস্তিষ্কে আরো অধিক পরিমান অক্সিজেন সরবরাহ করে। ( একই জিনিস ইসলাম ধর্মেও দেখা যায়- তারা নামাজের রাকাতের শেষে সালাম ফিরাবার সময় মাথা ডানে এবং বামে ঘুরায়।)
জাপানিজদের দেখলেও দেখতে পাবেন যে তারা তাদের একজন আরেকজনের সাথে দেখা হলে মাথা নামিয়ে সম্মান করে এবং এটা তাদের সংস্কৃতির অংশ। আর জাপানীজদের মাঝেও অনেক মেধাবী দেখা যায়। জাপানিজরা শুশী(তাজা মাছ) খেতে অনেক পছন্দ করে। আপনার কি মনে হয় মাথা নাড়ানো এবং মাছ খাওয়ার ব্যাপারটা কাকতালীয় কোনো ব্যাপার?
আমেরিকায় ইহুদীদের বানিজ্যিক কেন্দ্র নিউইয়র্কে অবস্থিত যেখান থেকে তাদের জন্য খাদ্যসামগ্রী সরবরাহ করা হয়। যদি কোনো ইহুদী ব্যাক্তির লাভজনক কোনো আইডিয়া থাকে তাহলে সেই বানিজ্যিক কেন্দ্র হতে সুদবিহীন মূলধনের ব্যবস্থা করে দেওয়া হয় এবং সেটাকে সফল করতে সব ধরনের সহযোগীতা প্রদান করে থাকে। একই ভাবে জিউস কম্পানিতে যেমন - স্টারবাক্স, লিভাইস,হলিউড, ওরাকল, কোকাকোলা ডানকিন ডোনাট সহ যে সকল প্রতিষ্ঠান রয়েছে তাদের ফ্রী স্পন্সরশীপ দেওয়া হয়।
নিউইয়র্কে ডাক্তারী পাস করে যে সকল ছাত্রছাত্রী বের হয় তাদেরকে এই বানিজ্যিক কেন্দ্রের আওতায় নিবন্ধন করে বেসরকারী ভাবে প্রেকটিস করতে সুদবিহীন লোনের ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়। এখন আমি বুজতে পারছি কেনো নিউইয়র্ক এবং কেলিফোর্নিয়ায় স্প্যাশালিস্ট ডাক্তারের এত অভাব।
আমি আগেও বলেছি ধূমপানের কারনে বংশপরম্পরায় বোকা/গর্ধব এক প্রজন্ম বেড়ে উঠে। ২০০৫ সালে আমি যখন সিন্গাপুর ভ্রমন করেছিলাম সেখানেও আমি অবাক হয়ে দেখেছিলাম ধুমপায়ীরা সমাজ থেকে বিতারিত এবং এক প্যাকেট সিগেরেটের দাম ইউএসডি সাত ডলার। ইসরাইলের মতই ধূমপান সেখানে প্রায় নিষিদ্ধ। সিন্গাপুরের সরকার ব্যবস্থা অনেকটা ইস্রাইলের মতন। আর এ কারনেই সে দেশের বিশ্ববিদ্যালয় গুলো অনেক উচ্চমানের। যদিও দেশটির আয়তন কেবল মাত্র আমেরিকার ম্যানহাটন শহরের সমান।
এবার একটু ইন্দোনেশিয়া দেশটার দিকে তাকান। সেখানে মোটামুটি সবাই ধুমপান করে। এক প্যাকেট সিগেরেটের দাম খুবই সস্তা, মাত্র ইউএসডি ০.৭ সেন্টস। ফলাফল লক্ষাধীক মানুষ কিন্তু জনসংখ্যার খুব কম সংখ্যক মানুষ মেধাবী! দেশটির বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা আপনি হাতে গুনে বলে দিতে পারবেন, এমন কোনো কিছু তারা উৎপন্ন করে না যা নিয়ে তারা গর্ব করতে পারে, নিচু মানের প্রযুক্তি, এমনকি তারা তাদের নিজেদের ভাষা ছাড়া অন্য কোনো ভাষায় কথাও বলতে পারে নাহ। যেমনঃ তাদের দেশের মানুষদের জন্য ইংরেজীতে ভালো দখল নেওয়া অনেক কষ্টসাধ্য ব্যাপার। আর এর কারন হচ্ছে ধূমপান করা, বাজে খাদ্যাভাস এবং তাদের সংস্কৃতি।
আমার এই গবেষনায়, আমি ধর্ম এবং জাতি মূল বিষয় বস্তু ছিলো না। কেনো ইহুদীরা এত অহংকারি আর কেনই বা ফেরাউনের সময় থেকে শুরু করে হিটলারের সময় পর্যন্ত এত নিগ্রহের শিকার হতে হয়েছে। আমার মতে বিষয়টা রাজনৈতিক এবং টিকে থাকার অদম্য বাসনা।
আমার এই গবেষনার মূল বক্তব্য ছিলো - আমরা কি ইহুদীদের মতন এমন একটা বুদ্ধিমান প্রজন্ম তৈরী করতে পারবো?
উত্তর হ্যা হতে পারে। কিন্তু এর জন্য আমাদের প্রতিদিনের খাদ্যাভাস পরিবর্তন করতে হবে, পরিবর্তন করতে হবে আমাদের বাচ্চা লালন পালনের পদ্ধতিকে। তাহলেই হয়ত তিন প্রজন্ম পর এটা আমরা অর্জন করতে সক্ষম হব।
আপনারা সবাই ভালো থাকবেন, শান্তিতে থাকবেন এবং মানবজাতির কল্যানের জন্য একটি বুদ্ধিমান প্রজন্ম গড়ে তুলতে সক্ষম হবেন, সে আপনি যেই হয়ে থাকেন না কেনো।
মূল লেখকঃ ডঃ স্টিফেন কার লিওন।
অনুবাদকঃ আসিফ ইকবাল তারেক (সামু/tareq00325)।

Sunday, 9 July 2017

নাস্তিক প্রফেসর ক্লাসে ঢুকেই তার ছাত্রদের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন ছুড়ে দিলেন

নাস্তিক প্রফেসর ক্লাসে ঢুকেই তার ছাত্রদের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন ছুড়ে দিলেন,
"পৃথিবীতে যা কিছু আছে সব কি সৃষ্টিকর্তা তৈরি করেছেন?"
একজন ছাত্র বেশ আত্নবিশ্বাসের সাথেই উত্তর দিলো, জ্বী স্যার। সবকিছুই সৃষ্টিকর্তা তৈরি করেছেন।
"তাই নাকি! ছাত্র টির উত্তর শুনে মুচকি হাসেন প্রফেসর। সৃষ্টিকর্তা সত্যিই সবকিছু তৈরি করেছেন? তুমি ভেবে বলছো?"
ছাত্র টি আগের মত আত্নবিশ্বাসের সাথে হ্যা বোধক উত্তর দিতেই প্রফেসর আবারও প্রশ্ন করেন, "সৃষ্টিকর্তাই যদি সবকিছু তৈরি করে থাকেন তাহলে উনি তো খারাপ কেও সৃষ্টি করেছেন। তোমার উত্তর অনুযায়ী যেহেতু খারাপের অস্তিত্ব আছে এবং আমরা কি সেটা আমাদের কাজের উপর নির্ভর করেই নির্ধারণ হয়, সেই যুক্তি অনুযায়ী তাহলে সৃষ্টিকর্তা নিজেই খারাপ। কারন আমাদের ভাল-মন্দ সব গুণ উনি তৈরি করেছেন।"
প্রফেসরের এমন কথা শুনে সব ছাত্র চুপ হয়ে গেলো। কেউ কিছু বলছেনা।
ছাত্রদের চুপ হয়ে যাওয়া দেখে প্রফেসর নিজের উপর বেশ সন্তুষ্ট হলেন।
কিছুক্ষণ পর আরেকজন ছাত্র উঠে দাড়ালো। প্রফেসর আমুদে ভঙ্গীতে জিজ্ঞাসা করেন, কিছু বলতে চাও? ছাত্র টি হাসি মুখে প্রফেসরের কাছে জানতে চায়, "আপনাকে একটা প্রশ্ন করতে পারি স্যার?"
অবশ্যই করতে পারো। প্রফেসর অনুমতি দিতেই ছাত্র টি জিজ্ঞাসা করে- "স্যার, ঠান্ডা বলে কোনো কিছুর অস্তিত্ব আছে কি?"???

প্রশ্ন শুনে প্রফেসরের চেহারায় বিরক্তি ফুটে ওঠে। "কি গাধার মত প্রশ্ন করো! ঠান্ডার অস্তিত্ব থাকবেনা কেন? অবশ্যই ঠান্ডার অস্তিত্ব আছে। তোমার কি কখনো ঠান্ডা লাগেনি?"
এবার ছাত্র টি মুচকি হেসে উত্তর দেয়, সত্যি বলতে কি স্যার, ঠান্ডার কোনো অস্তিত্ব নেই। আমরা যেটাকে ঠান্ডা বলি, পদার্থ বিজ্ঞানের ভাষায় সেটা আসলে তাপের অনুপস্থিতি। আমরা এই "ঠান্ডা' শব্দ টিকে জাস্ট কম তাপ কিংবা তাপের অনুপস্থিতি কে ব্যাখ্যা করার জন্য ব্যবহার করি।
কিছুক্ষণ পর ছাত্র টি আবারো প্রশ্ন করে, "স্যার অন্ধকার বলে কিছু কি পৃথিবীতে আছে?"
প্রফেসর উত্তর দেন, কেন থাকবেনা! অবশ্যই অন্ধকারের অস্তিত্ব আছে।
ছাত্র টি সহাস্যে উত্তর দেয়, আপনার ধারণা ভুল স্যার। অন্ধকার বলে কোনো কিছুর অস্তিত্ব নেই। আমরা আলো কে নিয়ে রিসার্চ করতে পারি, আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ মাপতে পারি, আলোর গতি বের করতে পারি। কিন্তু অন্ধকারের অস্তিত্ব নেই বলেই আমরা অন্ধকার নিয়ে কোনো কিছুই করতে পারিনা। সামান্য একটা আলোক রশ্নি অন্ধকার দূর করতে যথেষ্ঠ, কিন্তু অন্ধকার কখনো আলো কে গ্রাস করতে পারেনা। কারন অন্ধকার বলে কোনো কিছুর অস্তিত্ব নেই, অন্ধকার হচ্ছে আলোর অনুপস্থিতি।
ছাত্র টি আবারও প্রশ্ন করে বসে। "স্যার, এবার বলেন খারাপের কি অস্তিত্ব আছে?"
প্রফেসর বেশ ক্রুদ্ধস্বরে উত্তর দেন, অবশ্যই আছে। প্রতিদিন কত মানুষ খুন হচ্ছে, অন্যায় হচ্ছে, এগুলো খারাপ না?"
ছাত্র টি বেশ জোরের সাথে উত্তর দেয়, "না স্যার। খারাপের কোনো অস্তিত্ব নেই, এটা হচ্ছে ভালোর অনুপস্থিতি। এটা সেই ঠান্ডা এবং অন্ধকারের মতই, মানুষের অন্তরে সৃষ্টিকর্তার প্রতি ভালবাসার অনুপস্থিতিই এই খারাপ বা মন্দের অবস্থা তৈরি করে।

Collected

গফুর মিয়া এই শহরের একজন দুধ বিক্রেতা

গফুর মিয়া এই শহরের একজন দুধ বিক্রেতা। তিনি চিকন বুদ্ধির বাঙালি, তাই ১০ লিটার দুধে ৫ লিটার পানি মিশিয়ে ১৫ লিটার করলেন। সামান্য বুদ্ধিতে পাক্কা পাঁ-চ লিটার লাভ!! খুশিতে চোখ চকচক করে ওঠে তার।
,,
দুধ বিক্রির টাকা পকেটে নিয়ে তিনি চাল কিনতে যান সাবু মুদির দোকানে। সাবু মুদি তাকে 'অতি উত্তম চাউল', 'এরকম চাউল কোথাও পাইবেন না' ইত্যাদি বলে শেষে পাথর মেশানো চাল বিক্রি করে। ওজনেও আধা কেজি কম দেয়।'কত লাভ করে ফেললাম' ভেবে বেজায় খুশি সাবু মুদি লাভের টাকা নিয়ে বাজারে যায় মাছ কিনতে।
,,
মাছ বিক্রেতা সুরুজ মিয়া তাকে ফরমালিন মেশানো পচা মাছ ধরিয়ে দেয় কেনা দামের দ্বিগুন মূল্যে। তার লাভ করতে হবে না?
, , ,
কিছুক্ষণ পরে সুরুজ মিয়ার কাছে খবর আসে, তার ছেলেটা এক্সিডেন্ট করেছে। দ্রুত সে তার ছেলেকে হাসপাতালে নেয়। হাসপাতালের একজন ধান্দাবাজ দালাল 'ভালো চিকিৎসা' র ব্যবস্থা করে দেবার কথা বলে ভংচং বুঝিয়ে সুরুজ মিয়ার কাছ থেকে ভালো পরিমাণ টাকা হাতিয়ে নেয়।
,, ,,
সেই ধান্দাবাজ বাড়ি ফেরার পথে পড়ে ছিনতাইকারীর হাতে। ছিনতাইকারী তার পেটে ছুরি মেরে সব টাকাপয়সা ছিনিয়ে নেয়।পালিয়ে যাবার সময় ছিনতাইকারী ধরা পড়ে পুলিশের হাতে। পেদানি দিয়ে সব টাকা নিয়ে নেয় পুলিশ।
, , ,
রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা বা ভিক্টিমের কাছে ফেরত দেয়া কোনটাই করেন না পুলিশ অফিসার।
, , , ,
সেই পুলিশের ছেলে আবার হয়ে পড়ে ইয়াবা আসক্ত.. মাদকের পেছনে টাকা ঢেলে প্রতিনিয়ত সে খালি করে দেয় বাবার পকেট...
, , , ***
আর মাদক বিক্রেতা সেই টাকায় হয়তো কিনতে থাকে গফুর মিয়ার সেই পানি মেশানো দুধ।
***যারাই অবৈধ পথে উপার্জন করে, তারাই মনে করে যে সে 'বিরাট লাভ' করে ফেলেছে। কিন্তু আসলে তা নয়।
সে একজনকে ঠকাচ্ছে, আবার তাকে ঠকাচ্ছে অন্যকেউ।
,,,যেহেতু সমাজের প্রত্যেকেই একে অন্যের ওপর নির্ভরশীল, আল্টিমেটলি সবাই চক্রাকারে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
বাইরে থেকে হয়তো মনে হয় অসৎ লোকগুলোই সফল, তারাই সুখে আছে। আসলে তা নয়। তারা নিজেরা হয়তো মনে করে এইভাবে তারা খুব ভালো থাকবে, আসলে তাও হয় না। অসৎ পথে উপার্জন করে শেষ পর্যন্ত কেউ পার পায় না। পরকাল তো পরের কথা, দুনিয়াতেই তারা পেয়ে যায় ফিরতি হিসাব।
প্রকৃতির নিয়ম হলো, এখানে কাউকেই ছেড়ে দেয়া হয় না। আজ কিংবা কাল।দেশ টা আমার আমি আমার তবে কেনো এই প্রতারণা করছি নিজের সাথে?

Thursday, 6 July 2017

এইটাকে বলে মাইন্ড চেঞ্জিং কনসেপ্ট

ব্যাংক ডাকাতির সময় এক ডাকাত সবাইকে বলল, 'কেউ নড়াচড়া করবেন না, মাটিতে শুয়ে পড়ুন। ব্যাঙ্কের টাকা আপনার নয়, কিন্তু আপনার জীবন আপনার, যা বলছি তাই চুপচাপ মেনে নিন'। এইটাকে বলে 'মাইন্ড চেঞ্জিং কনসেপ্ট'। সাধারণ চিন্তাকে বিপরীত দিকে ঠেলে দেয়া। হঠাত এক মহিলা টেবিলের উপর শুয়ে পড়ল। ডাকাত সর্দার বলল, 'এই যে মেডাম এখানে শুটিং হচ্ছে না, ডাকাতি হচ্ছে। আমার কথামতো মাটিতে শুয়ে পড়ুন, নইলে গুলি করে দিব'। এটাকে বলে 'প্রফেশনালিজম'। যে জন্য ট্রেইন করা হয়েছে সেটাতে মনোযোগ দেয়া।
ডাকাতির পর বাসায় ফিরে শিক্ষানবিশ ডাকাত বলল, বস চলেন টাকাটা গুনে ফেলি। সর্দার বলল, 'আরে গাধা এখানে অনেক টাকা গুনতে সময় লাগবে। রাতের খবর দেখ তাহলেই বুঝতে পারবি কয় টাকা চুরি হয়েছে'। এইটাকে বলে 'অভিজ্ঞতা'। বর্তমানে তাই শিক্ষাগত যোগ্যতার চেয়ে অভিজ্ঞতার মূল্য অনেক বেশি।
ডাকাতরা চলে যাওয়ার পর ব্যাংক অফিসার ম্যানেজারকে বলল, পুলিশকে খবর দেই। ম্যানেজার বলল, ওকে। যা টাকা আছে সেখান থেকে আমরা আগে পঞ্চাশ লক্ষ টাকা সরিয়ে নেই। তারপর যে টাকা চুরি হয়েছে সেটার সাথে এই টাকা যোগ করে পুলিশ রিপোর্ট করব। তারা দুজনে পঞ্চাশ লক্ষ টাকা সরিয়ে রাখল। একে বলে 'স্রোতের সাথে তাল মেলানো'। প্রতিকূল অবস্থা নিজেদের অনুকূলে আনা। ম্যানেজার আফসোস করলো ইশ প্রতি মাসেই যদি ডাকাতি হত! এই অবস্থাকে বলে 'হতাশাকে আশায় রূপ দেয়া'। বাধ্যগত চাকুরীটাকে ব্যক্তিগত সুবিধাতে পরিণত করা।
রাতে নিউজ হলো ব্যাংক থেকে এক কোটি টাকার ডাকাতি হয়েছে। দুই ডাকাত বারবার গুনেও দেখে মাত্র পঞ্চাশ লক্ষ টাকা তারা আনতে পেরেছে। একজন আরেকজনকে বলল, আমরা নিজেদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পঞ্চাশ লক্ষ টাকা ইনকাম করলাম অথচ ম্যানেজার কোনো কিছু না করেই পঞ্চাশ লক্ষ টাকা রোজগার করে ফেলল। তাইলেতো ডাকাতি করার চেয়ে পড়াশোনা করাই ভালো। এজন্যই বলে 'শিক্ষা/জ্ঞান স্বর্ণের চয়েও দামী'।
ম্যানেজার মুচকি হেসে মাথা নাড়ল। ডাকাতির কারণে তাদের যে লস ছিল সেটা রিকভার হয়ে গেসে। একেই বলে 'ঝোপ বুঝে কোপ মারা'।
এখন প্রশ্ন হইল বড় চোর কে বা কারা? শিক্ষিত লোকেরা নাকি অশিক্ষিত লোকেরা? যারা এক দেড় হাজার টাকা ছিনতাই করে তারা নাকি যারা কলমের খোঁচায় কিংবা আইনের মারপ্যাঁচে এক দেড় হাজার কোটি টাকা মেরে দেয়?
(বিদেশি গল্প অবলম্বনে)

Saturday, 17 June 2017

হারামজাদা >> what is হারামজাদা ??

হারামজাদা >> what is হারামজাদা ??
হারাম আরবি শব্দ বাংলা অর্থঃ অবৈধ
জাদা ফার্সি শব্দ অর্থঃ সন্তান
হারামজাদা = অবৈধ সন্তান। 
মজা করে আনন্দ করে বন্ধুকে হারামজাদা বলেন। মজা করে ডাক দেন। বাহ কি সুন্দর কথা।
আসলে কি বলতেছেন আপনি?? যাকে এতো মধুর শুরে ডাকছেন ব্যাকইন্ডে তার মা কে বেশ্যা অথবা পরকিয়া করা মেয়ে বানাচ্ছেন। আপনার বন্ধুকে বানাচ্ছেন হারাম ভাবে জন্ম নেওয়া একটা ছেলে হিসাবে।
মজা করেন দোষ নাই। এমন কিছু বইলেন না যা বাবা মায়ের সম্পর্কে আঘাত হানে।
আশা করি সবাই সচেতন হবেন।

Collected from Md. Muzahidul Islam

Wednesday, 14 June 2017

হযরত সালমান ফার্সীর মালিক ছিল একজন ইহুদী

হযরত সালমান ফার্সী যখন মুক্তি চাইলেন তখন ইহুদী শর্ত দিল,যদি তিনি কয়েক দিনের মধ্যে নগদ ৬০০ দিনার এবং ৩০০খেজুর গাছ রোপন করে আর খেজুর গাছে খেজুর ধরলে তবেই সে মুক্ত।
আসলে ইহুদির মুক্তি দেবার ইচ্ছা ছিল না। কেননা সালমান ফার্সীর পক্ষে ৬০০ দিনার যোগাড় করা কঠিন ছিল।আর খেজুর গাছ রোপন করে তাতে ফল ধরে ফল পাকানো অনেক সময়ের ব্যাপার।
হযরত সালমান ফার্সী রাসুল (সঃ) এর দরবারে এসে ঘটনা বর্ণনা করলেন।রাসুল (সঃ) ৬০০ দিনারের ব্যবস্থা করলেন।তারপর হযরত আলী (রাঃ) কে সাথে নিয়ে গেলেন ইহুদীর কাছে।
ইহুদী এক কাঁদি খেজুর দিয়ে বলল এই খেজুর থেকে চারা উৎপন্ন করে তবে ফল ফলাতে হবে। রাসুল (সঃ) দেখলেন যে, ইহুদীর দেয়া খেজুরগুলো আগুনে পোড়ানো।
রাসুল (সঃ) খেজুরের কাঁদি হাতে নিয়ে আলী (রাঃ) কে গর্ত করতে বললেন আর সালমান ফার্সীকে বললেন পানি আনতে।আলী (রাঃ) গর্ত করলে রাসুল (সঃ) নিজ হাতে প্রতিটি গর্তে সেই পোড়া খেজুর রোপন করলেন। আল্লাহর অশেষ মহিমায় সেই পোড়া খেজুর থেকে চারা গজালো।
রাসুল (সঃ) সালমান ফার্সীকে এ নির্দেশ দিলেন যে, বাগানের শেষ প্রান্তে না যাওয়া পর্যন্ত পেছন ফিরে তাকাবে না।তিনি পেছনে না তাকিয়ে পানি দিতে লাগলেন।বাগানের শেষ প্রান্তে যাওয়ার পর তাকিয়ে দেখলেন যে প্রতিটি গাছ খেজুরে পরিপূর্ণ।আর খেজুরগুলো পেকে কালো বর্ণ হয়ে গেছে।
এই খেজুর পৃথিবীর সবচেয়ে দামি খেজুর আর সবচেয়ে বেশি সুস্বাদু।আর কেনইবা দামী হবে না?যে খেজুর রাসুলের নিজ হাতে রোপন করা....
আর এ খেজুরের নামই-- “আজওয়া”
Collected from 
Shah Amanullah

Monday, 12 June 2017

এক মার্কিন ধনকুবেরের একমাত্র সুন্দরী কন্যার যখন বিয়ের বয়স হলো


এক মার্কিন ধনকুবেরের একমাত্র সুন্দরী কন্যার যখন বিয়ের বয়স হলো বাবা তাকে বললেন যাকে পছন্দ তার সাথেই বিয়ের ব্যবস্থা করবো। মেয়ে বলল আমি কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারছি না। কারণ সবাই বলে তারা আমাকে ভালবাসে। মেয়ের সাথে আলাপ করে বাবা সিদ্ধান্ত ঘোষণা করলেন- প্রতিযোগিতা হবে। যে প্রথম হবে তাকেই মেয়ে বিয়ে করবে।
প্রতিযোগিতার দিন দেখা গেল শতাধিক যুবক সুন্দর পোশাকে পরিপাটি অবস্থায় ধনকুবেরের বাড়িতে এসে উপস্থিত। ধনকুবের সবাইকে বাড়ির সুইমিং পুলে নিয়ে দাঁড় করিয়ে বললেন, সাঁতার প্রতিযোগিতা হবে। সাঁতারে যে প্রথম হবে তার সাথেই আমার মেয়ের বিয়ে দেব। তবে পানির নিচে বহু কুমির আর এই কুমিরগুলোকে এক মাস ধরে কোনো খাবার দেয়া হয় নি। ধনকুবেরের কথা শেষ হতে না হতেই দেখা গেল যে, এক যুবক পানিতে পড়ে চোখ বন্ধ করে দুই হাত পা নাড়ছে। কুমিররা কিছু বুঝে ওঠার আগেই সেই যুবক ভাগ্যক্রমে কিছুক্ষণের মধ্যেই সুইমিংপুলের ওপারে গিয়ে উঠেছে। বিস্ময়ের ঘোর কাটতেই ধনকুবেরের মেয়ে দৌড়ে গিয়ে জড়িয়ে ধরলো যুবককে। বিস্ময়াবিষ্ট কষ্ঠে বলল, তোমার মত বীরকেই আমি চাচ্ছিলাম। তুমিই আমার স্বামী হওয়ার একমাত্র উপযুক্ত। এদিকে যুবকের রাগ তখনও থামে নি। উত্তেজনায় হাত-পা কাঁপছে। এক ঝটকায় মেয়েটিকে দূরে ঠেলে দিয়ে যুবক চিৎকার করে উঠল, ‘কোন ... হারামজাদা আমাকে ধাক্কা দিয়ে পানিতে ফেলে দিয়েছিলো, তাকে আগে দেখে নেই।
সুন্দরী স্ত্রী ও ধনকুবেরের সম্পদ ঐ যুবকের হাতের মুঠোর চলে এসেছিলো কিন্তু রাগ, ক্ষোভ ও অভিমান তাকে সবকিছু বঞ্চিত করল।

Sunday, 4 June 2017

৫০ জন লোকের একটি গ্রুপ একটি সেমিনারে অংশগ্রহন করল

৫০ জন লোকের একটি গ্রুপ একটি সেমিনারে অংশগ্রহন করল। হঠাৎ স্পীকার বক্তব্য দেয়া বন্ধ করে বললেন, চলুন সবাই একটা গ্রুপ একটিভিটি করি। তিনি সবাইকে একটি করে বেলুন দিলেন। তারপর সবাইকে মার্কার পেন দিয়ে বেলুনের উপর নিজের নাম লিখতে বললেন। সবার লেখা শেষ হয়ে গেলে সব বেলুন সংগ্রহ করে পাশের রুমে রেখে আসলেন। এরপর সবাইকে বললেন ৫ মিনিটের মধ্যে নিজের নাম লেখা বেলুনটি খুজে আনতে। সবাই পাগলের মতো তার নাম খুজতে লাগল এবং সেখানে বিশৃঙ্খলা লেগে গেল। ৫ মিনিট শেষ হবার পর কেউ তার নাম লেখা বেলুন খুজে পেল না। এরপর সবাইকে বললেন আপনাদের যার হাতে যে বেলুনটি আছে তাতে যার নাম লেখা তাকে দিয়ে দিন। মাত্র এক মিনিটের মধ্যে সবাই তার নাম লেখা বেলুনটি হাতে পেয়ে গেল।
তখন স্পীকার বলল আমাদের জীবনে আসলে এটাই ঘটে, আমরা পাগলের মত আনন্দ খুজি কিন্তু সেটা কোথায় আছে তা আমরা কেউ জানিনা।

Collected 
Shah Amanullah

Friday, 2 June 2017

জান্নাত একটি সাম্প্রদায়িক জায়গা

জান্নাত একটি সাম্প্রদায়িক জায়গা, সেখানে কেবল খাঁটি মুসলিমগণ থাকবেন।
জাহান্নাম একটা অসাম্প্রদায়িক বা ধর্মনিরেপেক্ষ জায়গা সেখানে মুনাফিক, সেক্যুলার ও অন্যান্য ধর্মের লোকজন মিলেমিশে থাকবে।
যারা বলে, "ধর্ম যার যার, উৎসব সবার।"
ওদের বলুন, "ধর্ম যার যার, জাহান্নাম তোমাদের সবার।" 😂😂😂
Collected

একলোক খুব দক্ষ ছিলেন

একলোক খুব দক্ষ ছিলেন, তিনি একটি সুচকে তার থেকে ১০০ ফিট দূরে অবস্থিত আরেকটি সুচের ভিতর দিয়ে পার করে দিতে পারতেন।
সারা রাজ্যে তার এই কর্ম নৈপুণ্যের খবর ছড়িয়ে পড়লো। রাজা নিজে এই দক্ষতা দেখতে চাইলেন। রাজার সামনে ছেলেটি সফলভাবে হাতে সুচ নিয়ে ছুড়ে মারলেন ও সেটি ১০০ ফিট দূরে অবস্থিত আরেকটি সুচের মধ্যে দিয়ে ঠিকই পার হয়ে গেল।
রাজা খুব খুশি হয়ে প্রথমে তাকে পুরস্কার দিলেন।
এরপর রাজা তাকে ৫০টি বেতের বাড়ি মারার নির্দেশ দিলেন।
লোকটি রাজার কাছে তার এই শাস্তির কারন জানতে চাইলেন।
রাজা জানালেন, "১০০ ফিট দূরে সুচের ভিতর দিয়ে সুচ নিক্ষেপন কারো কোন কাজে আসেনি, তুমি আমার রাজ্যের একজন নাগরিক হয়ে পুরা জীবন নস্ট করেছ এরকম একটি অপ্রয়োজনীয় কাজে। এজন্যই তোমাকে শাস্তি দেবার হুকুম দিয়েছি।"
মোরালঃ মিনিংলেস কাজে আসুন আমরা সময় না দেই। আপনার কাজটি কি আদৌ অপরের কোন কাজে আসছে? নিজের জীবনকে মিনিংফুল করে গড়ে তুলুন।
Collected

উপস্থাপক সাইখ সিরাজ কৃষকের ইন্টারভিউ নিচ্ছে

উপস্থাপকঃ আপনি ছাগলরে কি খাওয়ান??
- কৃষকঃ কোনটারে? কালো না সাদা??
উপস্থাপকঃ কালোটারে...
- কৃষকঃ ঘাস...
উপস্থাপকঃ আর সাদা??
- কৃষকঃ ওইটারেও ঘাসই খাওয়াই...
উপস্থাপকঃ ও!!আচ্ছা, এগুলিরে কই বাইন্ধা রাখেন??
- কৃষকঃ কোনটা?? কালোটা না সাদাটা??
উপস্থাপকঃ সাদা...
- কৃষকঃ ওইপাশে বাইরের ঘরে বাইন্ধা রাখি।
উপস্থাপকঃ আর কালোটা?
- কৃষকঃ ওইটারেও বাইরের ঘরেই বান্ধি...
উপস্থাপকঃ আর গোসল করান কিভাবে?
- কৃষকঃ কালো না সাদা??
উপস্থাপকঃ কালো...
- কৃষকঃ পানি দিয়া।
উপস্থাপকঃ আর সাদাটা??
- কৃষকঃ ওইটারেও পানি দিয়াই করাই..
.
উপস্থাপকঃ (চরম ক্ষিপ্ত হয়ে ): আরে বেটা!! ..সব কিছু যখন একই রকম করাস, তাইলে বার বার জিগাস ক্যান - “কালা না সাদা”???
.
- কৃষকঃ কারণ সাদা ছাগলটা আমার...
.
উপস্থাপকঃ ওহ!! তাহলে কালোটা কার ছাগল ??
.
- কৃষকঃ ওইটাও আমারই !!

Thursday, 1 June 2017

৪ জন হাসিখুশি মানুষ দাঁড়িয়ে ক্যারামবোর্ড খেলছে

“কি করেন?”
‘চা খাই’
“কি চা?”
‘লেবু চা’
“লেবু চা খাইলে কি হয়?”
‘কি আবার হইবো?’
অনেকের সাথে কথা আগায় না... বাট তাতেও মজা
কয়েকদিন আগে ময়মনসিংহ গেলাম কাজে... কাজ শেষ করে একা হাঁটতে হাঁটতে হাই-ওয়ের পাশে একটা টং এর দোকানে যেয়ে বসলাম
... পাশে ৪ জন হাসিখুশি মানুষ দাঁড়িয়ে ক্যারামবোর্ড খেলছে
হুট করে খেলা নিয়ে ২ জনে মারামারি লেগে গেলো
আলাপ শুনে যা বুঝলাম তা হলো, তার দলের একজন রেড ফেলার চান্স পেয়েও আলসেমি করে অন্য গুটি কেন মারসে, এটা নিয়ে ঝগড়া
কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে “গুলামের পুতরে অক্ষন কুইট্টাল্বাম” বলতে বলতে পাশ থেকে কোদাল নিয়ে দৌড়ান দিলো
আশেপাশের মানুষ ভাবলেশহীন ভাবে বিস্কুট খাচ্ছে
এমন ভাব যে এরকম প্রায়ই হয়
আমি দোকানদারকে বললাম, “ঐ দুইজন কই?”
‘মুমিন্সিং এর লুক বেকতাই এরুম...শৈইল্লো অনেক রাগ’
... বড়ই ইন্টারেস্টিং বিভাগ ... একটু পরে একজন সাফারি পরা লোক আসলো হাতে ব্রিফকেস নিয়ে
“মামা সিগারেট দেও কুইক”
‘কুন কুম্পানি?’
“পারা মাইরা ফুটকাডা গালায়ালবাম... ড্রেরেস দেইক্ষা বুঝো না কুন কোম্পানি চাই?... হলিউড দেও”
আমি চায়ের দাম দিয়ে চায়ের তাড়াতাড়ি চলে আসলাম
...কয়েকদিন আগে, চিটাগাং হালি শহরের এক গলিতে সন্ধ্যায় হাঁটছি
টাইট জিন্সের প্যান্ট পরা এক লোক এসে বলে, “ব্রাদারকে এক্সকিউজমি জানাই... আপনের কাছে মাচেস আছে?”
আমি খুশিতে অবাক... এই প্রথম কেউ নিজ থেকে এগিয়ে এসে আমার সাথে আলাপ করছে
আমি বললাম ‘আমি তো সিগারেট খাই না’
উনি চোখ চিকন করে বললেন, “পকেটে চেক করে দেখেন থাকতেও তো পারে”
তখন বুঝলাম উনি ছিনতাইকারী
আমি বললাম, ‘হ্যা আছে তবে কোন পকেটে লুকিয়ে রেখেছি এটা বলব না...এটা আপনার পরীক্ষা ... আপনি আসেন হাত্রে খুঁজেন’
উনি চিকন চোখ নর্মাল করে বললেন, “ব্রাদারের পরিচয়? গুয়েন্দা অধিদফতুরের লোক লাগে”
আমি বললাম ‘কেমনে বুঝলেন?’
উনি একটা বুদ্ধিদীপ্ত হাসি দিলেন
শুরু হলো আলাপ... এক পর্যায়ে তার পকেটের চাকু দিয়ে গাছ থেকে আমড়া পেড়ে কেটে খেলাম
বিশাল অমায়িক মানুষ... পেটের দায়ে ছিনতাই করে না... শখের বসে করে
সমাজে ব্যাল্যান্স আনার জন্য করে
পুঁজিবাদ সাম্রাজ্যবাদ এসব নিয়ে অনেক আলাপও হলো
শেষে উনি আমাকে হোটেল পর্যন্ত এগিয়ে দিলেন
...আজ সিলেটে একটু আগে এক চতুরের দেখা পেয়েছি
উনি রাস্তায় ৩ টা মিল্ক ভিটার প্যাকেট নিয়ে জোরে জোরে হাঁটছিলেন
কিছু একটা বলে কথা শুরু করতে হয় তাই আমি উনার কাছে যেয়ে বললাম, ‘ভাই আশেপাশে মিল্ক ভিটার দুধ কই পাওয়া যায়?’
“কয় প্যাকেট লাগবো?”
‘দুই’
উনি দাঁত বের করে বললেন “আমার কাছ থেকে নেন ২ টা”
উনি আমার কাছ থেকে প্রতি প্যাকেটে ১০ টাকা বেশী নিলেন
উনার দাঁত আর বন্ধ হয় না খুশিতে
কিউট না? জায়গার উপরে দাঁড়িয়ে বিনা পুঁজিতে বিজনেস
তুই কিউট হইলে আমি কম কিসে?
আমি বললাম, ‘আমার কালকে ৪০ প্যাকেট লাগবে’
“কখন?”
‘এই সময়েই’
এবার তার দাঁতের চেয়ে চোখের ঝিলিক ছিলো দেখার মত...
কাল কি হবে জানি না... কল্পনা করি, দুই হাতে দুই বালতিতে ২০টা ২০টা প্যাকেট নিয়ে আমাকে অলিতে গলিতে খুঁজবে
ব্যবসা করতে নামসস, বিজনেস স্টাডিসের উপর একটু জ্ঞান রাখবি না বেক্কল? এতো বড় অর্ডার পাইলে কিছু এডভান্স নিতে হয় ... শিখে রাখলি
বেক্কল ……

এক তরুণ আইনজীবী ট্রেনে করে ভ্রমন করছিলেন

এক তরুণ আইনজীবী ট্রেনে করে ভ্রমন করছিলেন ৷ ভদ্রলোকের পাশের সিট খালি এবং আশে পাশেও কেউ নেই। ট্রেন মোটামুটি খালিই বলা চলে।
একটু পরে, একজন সুন্দরী মেয়ে ভদ্রলোকের পাশের সিটটাতে বসলেন ৷ Lawyer বেশ খুশি হলেন এই ভেবে যে, যাক জার্নিটা বোধহয় বোরিং হবে না!
ভদ্রমহিলা Lawyer দিকে তাকিয়ে মুচকি মুচকি হাসছিলেন । এতে Lawyer ভদ্রলোকের মনের ভেতর খুশির জোয়ার বইতে শুরু করলো। মেয়েটি Lawyer তরুনের আরও ঘনিষ্ট হয়ে বসলেন । তরুন আনন্দে আত্মহারা হয়ে কি করবেন আর কি না করবেন বুঝে ওঠার আগেই মেয়েটি ওই তরুনের কানের কাছে গিয়ে ফিসফিস করে বললেন 'সঙ্গে যা আছে ঘড়ি, টাকা, পার্স সব বের করুন, নয়তো চিৎকার করে পুলিশ ডেকে বলব যে, আমাকে একলা পেয়ে, আপনি আমার সঙ্গে খারাপ ব্যাবহার করার চেষ্টা করছিলেন।'
lawyer তরুনটি যেন কিছুই হয়নি এইরকম ভাবে তাকালেন মেয়েটির দিকে। তারপর পকেট থেকে একটা কাগজ আর কলম বের করে ওটাতে লিখলেন, 'আমি বোবা এবং বধির। তাই যা বলার দয়া করে এই কাগজে লিখে দিন।
মেয়েটি যা যা বলেছিলেন সেগুলো কাগজে লিখে ভদ্রলোকের হাতে দিলেন ৷
তরুন কাগজটা নিয়ে বেশ যত্ন সহকারে পকেটে রাখলেন। তারপর ইস্পাত কঠিন গলায় বললেন, 'নিন এইবার চিৎকার করে যত ইচ্ছা পুলিশ ডাকুন।'

Wednesday, 31 May 2017

যদি অন্য প্রাণীদের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থাকত তাহলে কেমন হত তাদের স্ট্যাটাস আপডেট??

#তেলাপোকা : এইমাত্র বেঁচে ফিরলাম.. একটা মাইয়ার শরিরে ঝাপ 🤔🤔দিছিলাম, 'ও মাগো' কইয়া চিক্কুর মারছে! ওহ্ গড, কান্ডা আমার শেষ। - feeling sad!!
#বিড়াল : আজ সকালে একটা অদ্ভুত ঘটনা ঘটল৷ আমার ৭ নম্বর বাচ্চাটা হঠাৎ গলা জড়িয়ে ধরে জানতে চাইল ওর বাবা কে? আমি এখন কি করে বলি? আমার নিজেরই যে মনে নেই! -feeling confused!!
#মশা : OMG!! লোভে পড়ে এক শালীর রক্ত খেয়েছি। আমি এখন HIV পজিটিভ ! কেন যে টেস্ট না করেই রক্ত খেতে গেলাম !!! - feeling heartbroken!!
#ছাগল : যাক বাবা, কুরবানি শেষ হলো। এবার একটু শান্তিতে বাইরে বেরুতে পারব। - feeling relaxed!!
#মুরগী : কাল যদি আমি কোন স্ট্যাটাস না দিই, তাহলে বুঝে নিও ফ্রান্স আমি আছি কোনো বিয়ে বাড়ির রোস্টের ডিশে। - feeling disappointed!!
#বাঘ : শিকারি বেটা আসছে বন্দুক নিয়ে আমাকে শিকার করতে.. একটা 'হালুম' করছি আর ভয়ে দিছে দৌড় ! - feeling proud!!
#বাদুড় : সারাদিন তো সিধা হয়ে ঝুলে থাকি, মানে পা ওপরের দিকে আর মাথা নিচের দিকে। আজ কিছুক্ষণের জন্য উল্টো হলাম । আর দেখি কি আজব তামাশা ! মানুষগুলো সব উল্টো হয়ে হাঁটছে। কেমনে কি?? মাথায় ধরে না মাম্মা -feeling crazy!!
#ময়ুরী: জন্মদিনটা চমৎকার কাটল.. ও আমাকে আজ পেখম মেলে নাচ দেখালো.. বেঁচে থাকার মাঝে এতো সুখ, কি যে করি ?? - feeling loved!!
#কোকিল: শীত এসে গেল, আর শীত গেলেই তো শুরু হয়ে যাবে আমাদের লাইভ কনসার্ট। গেলাম। আবার রেওয়াজে বসতে হবে.. - feelings excited!!
#উকুন : আজ তো মাম্মা ব্যাপক টেনশনে ছিলাম। আজ মাথায় চিরুনি অভিযান চালাচ্ছিলো। অল্পের জন্যে চিরুনির ফাঁক দিয়ে বেঁচে ফিরেছি। - feeling awesome!!
#টিকটিকি : ইয়েস, আই ডিড ইট ! বেটা সারাদিন কম্পিউটার খুলে ফেসবুকে মুখ গুঁজে বসে থাকে। বাথরুমটা সেরেছি একেবারে মাথার উপরের ছাদে বসে, একেবারে ঠিক টাকের উপর। ওয়াও ! হোয়াট এ টার্গেট ! - feeling satisfied!!
collected

সুইডেনে একজন দিনমজুরের খুব ইচ্ছা ছিল সে টাইটানিকে চড়বে

১) সুইডেনে একজন দিনমজুরের খুব ইচ্ছা ছিল সে টাইটানিকে চড়বে,।
এই উদ্দেশ্য সে ওভারটাইম করতো।
টাইটানিক যাত্রা শুরু হওয়ার মাত্র এক মাস বাকি,
পরিবারের সকলেই তাদের ভ্রমন নিয়ে খুব উৎসাহিত ছিল।।
হঠাৎ তার ছেলেকে কুকুর কামড় দেওয়ার ফলে জলাতঙ্ক রোগে আক্রান্ত হয়ে গেল।।।
ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ছেলেকে ৬ মাস বাইরে কোথাও নেওয়া যাবে না।।।।
পরিবারের সকলেই খুব কষ্ট
পেল।।। তাদের এতদিনের ইচ্ছার জন্য সে দিনরাত পরিশ্রম করেছিল।
এখন সব পানিতে।।।
১৯১২ সালে টাইটানিক যাত্রা শুরু করে, দিনমজুরটি প্রতিদিন তার সন্তানকে বকা দিত।তার স্বপ্ন ভাঙার জন্য অভিশাপ দিত।।।
১২ দিনের মাথায় টাইটানিক ডুবি হয়,
এরপর দিনমজুরটি তার সন্তানের কাছে ক্ষমা চায়।
২) প্রশান্ত মহাসাগরে একটি জাহাজ ডুবে যায়,জাহাজের সকল যাত্রী মারা যায়,কেবল একজন ছাড়া।
মানুষটা অনেক কষ্টে একটি দ্বীপে আশ্রয় নেয়,এবং সেখানে থাকতে শুরু করে,ঘরবাড়ি বানিয়ে এবং ফল খেয়ে বেচেছিল অনেকদিন।।।
হটাত একদিন তার ঘরে আগুন লেগে যায় এবং সে
কান্নায় ভেঙে পরে,
সৃষ্টিকর্তাকে সে অপবাদ দিতে শুরু করে,
'' আমার সবকিছু কেড়ে নিলে,এখন আমার এইটুকুও কেড়ে নিলে তুমি''
পরের দিন একটি জাহাজ তার হই হুল্লোরের শব্দ এবং আগুন দেখে তাকে উদ্ধার করতে আসে,
সে সৃষ্টিকর্তার নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করে।।
৩) একটি গ্রামে সকল মানুষ মাল্টিন্যাশেনাল কোম্পানিতে চাকরি করতো।
তখনকার রীতি অনুযায়ী, সম্মানী ব্যক্তি মানেই মাল্টিন্যাশানাল কোম্পানিতে চাকরি করতে হবে।।।
লোকটা গ্রাম থেকে শহরে গেল চাকরি পাওয়ার আশায়, এত শিক্ষিত না হওয়ার কারণে সে বেশ সুবিধা করতে পারছিল না,
পরবর্তীতে সে একটি মাল্টিন্যশানাল কোম্পানিতে সুইপারে কাজ পায়,
সব ফর্মালিটি শেষ, এখন কেবল জয়েন করবে,
কোম্পানি তাকে তার ইমেইল এড্রেস দিতে বলে,
তখনকার সময় সকল কর্মকর্তাদের ইমেইল এড্রেস ছিল বাধ্যতামূলক।।
তার কোনো ইমেল ছিল না,ফলে সে চাকরিতে জয়েন দিতে পারেনি।
রাগে দুঃখে সে পণ করে বসে সে আর চাকরিই করবে না।।
গ্রাম থেকে নিয়ে আসে টাকা দিয়ে টমেটো কিনে ব্যবসা শুরু করে,,,
ব্যবসায় প্রচুর পরিশ্রমের ফলে সে ভাল টাকা ইনকাম করছিল।
একদিন একজন শিল্পপতি তার পরিশ্রম দেখে তাকে সাবানের কারখানা দিতে বলে,
সে ঋণ গ্রহন করে এবং তার জমানো টাকা দিয়ে সাবানের কারখানা স্থাপন করে।
কয়েকবছর পর তার সাবানের কারখানা দেশের প্রতিটি রাজ্যে শাখা খুলে ফেলে এবং তাকে বানিয়ে দেয় কোটিপতি।
এলিকো নামের একটি বীমা কোম্পানি তার বীমা করানোর জন্য তার কাছে যায়,
এলিকোর এজেন্ট তাকে ফর্ম পূরণ করতে বললে তিনি বলেন, আমার কোন ইমেইল এড্রেস নেই,,,
 এই কথা শুনে এজেন্ট অবাক হয়ে যায়,
তিনি বলেন,আপনার ইমেইল এড্রেস ছাড়া আপনি কোটি টাকার মালিক,আপনার ইমেইল এড্রেস থাকলে তো আপনি বিশ্বের এক নাম্বার ধনীব্যক্তি হয়ে যেতেন।
তিনি হেসে জবাব দেন''আমার ইমেইল এড্রেস থাকলে আমি হতাম সুইপার,তাই আজ পর্যন্ত ইমেইল খুলিনি''।
ওয়াট গড উইলস ইস ফর গুড।।।
সৃষ্টিকর্তা যা করেন ভালর জন্য করেন,
জলাতঙ্ক রোগাক্রান্ত না হলে দিনমজুরটি হয়তো তার গল্প বলার জন্য বেচে থাকতেন না,
বেড়ার ঘরে আগুন না লাগলে মানুষটি হয়তো কখনও উদ্ধার পেতেন না,
ইমেইল আইডি থাকলে লোকটি হয়তো শিল্পপতি না হয়ে সুইপারের চাকরি করতো।
সৃষ্টিকর্তা আমাদের কখনও নিরাশ করেন না,
আজকে ভাল কিছু পাইনি, ভবিষ্যৎ হয়তো আমাদের অপেক্ষা করছে,
আজকে ভাল জিপিএ না পাওয়া ছাত্রটা হয়তো ভাল ভার্সিটিতে জায়গা করে নেবে,
আজকে মেয়েটা প্রেম করলো না, অপমান করে চলে গেল, হয়তো আরও ভাল কেও সৃষ্টিকর্তা আমার জন্য রেখেছেন।।।।।
চেষ্টা করে যেতে হবে,
ডু ইউর বেস্ট এন্ড লিভ দা রেস্ট।।।
যতক্ষণ ভাল কিছু না হয় অপেক্ষা করে যেতে হবে,
সৃষ্টিকর্তার নিকট বিনয়ী হতে হবে,চেষ্টা করে যেতে হবে।।।
সাফল্য আসবেই।।।।
সাফল্য তোমাকে ঠিকই খুজে নেবে।।।
Collected From - 
Lokman Hakim

Sunday, 28 May 2017

বেচারা স্বামীকে বাঁচাতে মেশিনও চেষ্টা করে - কৌতুক

এক ভদ্র মহিলা কেনাকাটা ‌শেষ করে ক্যাশ কাউন্টারের সামনে ‌পে‌মেন্ট দেয়ার জন্য ব্যাগ খুলতেই ক্যাশিয়ারের নজরে এলো তার ব্যা‌গে এক‌টি টিভি রিমোট।
ক্যা‌শিয়ার: (কৌতুহলবশত, জানতে চাইলেন) ম্যাডাম ব্যাগে টি‌ভি রিমোট কি সব সময় থাকে?
মহিলা: না, মাঝে সাজে। আজ আমার হাজব্যান্ড আইপিএল ফাইনাল দেখবে বলে আমার সা‌থে শপিংয়ে এলোনা। তাই জব্দ করতে টি‌ভি রিমোটটা ব্যাগে ক‌রে নি‌য়ে এ‌সে‌ছি।
শিক্ষা:
(১) বউ এর তুচ্ছ ‌বিষ‌য়েও তাচ্ছিল্য কর‌লে বিপদ।
ক্যাশিয়ার: (হাসতে হাসতে) ভদ্র ম‌হিলার এ‌টিএম কার্ডটি ফেরত দিতেই-
মহিলা: এটা কি হলো?
ক্যাশিয়ার: আপনার স্বামী ওনার সাপ্লি‌মেন্টা‌রি কার্ডটি সম্ভবত ব্লক করে দিয়েছেন।
শিক্ষা:
(২) স্বামীর শখও স্ত্রীর নিকট সম্মান‌যোগ্য।
মহিলা: ব্যাগ থেকে এবার স্বামীর এ‌টিএম কার্ডটি বের করে সোয়াইপ করলেন।
শিক্ষা:
(৩) বৌ-এর লম্বা হাতের সঠিক ধারণা থাকা দরকার।
ক্যা‌শিয়ার: ভদ্র ম‌হিলা‌কে বল‌লেন, সোয়াইপ মে‌শিন থে‌কে আপনার মোবাই‌লে একটা পিন নম্বর পাঠা‌নো হ‌য়ে‌ছে। সে‌টি বলুন?
শিক্ষা:
(৪) বেচারা স্বামীকে বাঁচাতে মেশিনও চেষ্টা করে।
মহিলা: (মুচকি হেসে) ব্যাগ থেকে স্বামীর ‌মোবাইল ফোনটা বের করলেন এবং পিন নম্বরটা ক্যা‌শিয়ার‌কে জানা‌লেন। (বি: দ্র: স্বামীর মোবাইল ফোন‌টি তি‌নি স‌ঙ্গে এনেছিল যাতে শপিংয়ের সময় স্বামী ফোনে বিরক্ত কর‌তে না পা‌রে।)
শিক্ষা:
(৫) স্মার্ট ও ভদ্র মহিলাদের সাথে টক্কর নিও না।
অবশেষে, সব কেনাকাটা সেরে তৃপ্ত ম‌নে ভদ্র‌মহিলা ঘরে ফিরলেন।
বাড়ি ফি‌রে মহিলা দেখলেন, গ্যারেজে স্বামীর গাড়ি নেই।
ঘ‌রের দরজায় স্টিকারে লেখা-
"বন্ধুর বাড়ি আই‌পিএল ফাইনাল খেলা দেখতে গেলাম। ফিরতে অনেক রাত হ‌তে পা‌রে। আর হ্যাঁ, কোন দরকার থাকলে মোবাই‌লে ফোন করো।"
স্টিকা‌রে লেখা প‌ড়ে-
হতাশ হ‌য়ে ভদ্রমহিলা ঘ‌রের দরজার সাম‌নে বসে পড়লেন। কারণ-
বাড়ির চাবিটা স্বামীর কাছে! আর-
স্বামীর মোবা‌ইল ফোনটা ভদ্র ম‌হিলার কা‌ছে!
শেষ শিক্ষা:
স্বামীর ওপর বেশি প্যাঁচ কষলে ‌শেষ পর্যন্ত স্ত্রী‌কেও এর ফল ভোগ কর‌তে হয়।

Wednesday, 24 May 2017

অতি চালাক নাকি অতি নির্বোধ?

১. মিষ্টি বিক্রেতা মনে করে, আমি তো মিষ্টি খাই না। তাই এতে ভেজাল করলে আমার কোন সমস্যা নাই।
২. বেকারির মালিক মনে করে, আমিতো বিস্কুট খাই না। তাই পঁচা ডিম-ময়দা দিয়ে বানালে আমার কোন সমস্যা নাই।
৩. ফল বিক্রেতা মনে করে, আমিতো ফল খাই না। তাই কেমিকেল মিশালে আমার কোন সমস্যা নাই।
৪.মাছ বিক্রেতা মনে করে, আমিতো ফরমালিনযুক্ত মাছ খাই না। তাই ফরমালিন মিশালে আমার কোন সমস্যা নাই।
দিনের শেষে.......
১. মিষ্টি বিক্রেতা মিষ্টি বিক্রি করে বিস্কুট, ফল, মাছ কিনে নিয়ে বাসায় যায়।
২. বেকারির মালিক বিস্কুট বিক্রি করে মিষ্টি, ফল, মাছ কিনে নিয়ে বাসায় যায়।
৩. ফল বিক্রেতা ফল বিক্রি করে মিষ্টি, বিস্কুট, মাছ কিনে নিয়ে বাসায় যায়।
৪. মাছ বিক্রেতা মাছ বিক্রি করে ফল, বিস্কুট, মিষ্টি কিনে নিয়ে বাসায় যায়।
সবাই মনে মনে নিজেকে অনেক চালাক ভাবে; অনেক লাভ করেছে ভেবে আত্মতৃপ্তির ঢেকুর তোলে। আসলে তারা যে নিজেরাই নিজেদের ঠকাচ্ছে, ক্ষতি করছে তা ভাবতেও পারেনা
collected

Saturday, 29 April 2017

বর্তমান সমাজের কিছু অদ্ভুত কাজ!!!

★৬৫ বছর বয়সী দাদী নেকাবসহ বোরকা পরে আর তার সাথে ১৯ বছরের নাতনী টাইট জামা পরে রাস্তা দিয়ে একসাথে যায়!!
★★ বোরকা আসলে কার আগে পড়া দরকার??
★সারারাত ওয়াজ শুনে আবেগে কাইন্দ্যা চোখ বড় বড় করে ফযরের নামায কাযা করে অনেকেই!!
★★ এই ওয়াজের কি কোন ফায়দা আছে??
★সাপ্তাহ জুড়ে নামায না পড়ে শুক্রবার গিয়ে জুমার নামাযে হাজিরা দিয়ে সে!!
★★ এদের জন্য কি শুধু জুম্মার নামাজ ফরজ??
★পুরো রমজানে রোজা না রাখলেও ঈদ নিয়ে বাড়াবাড়ি শুরু করে দেয়!!
★★ ঈদ কি বে-রোজদারের জন্য??
★ঘরে বৃদ্ধ বাবা-মা থাকলেও তাদের খোজ-খবর না নিয়ে পীরের দরবারে গিয়ে নিজেকে পীর বাবার পায়ে সপে দেয়!!
★★ পীর কি বাবা-মার চেয়েও বেশী মূল্যবান??
★ফরয নামায চোখের সামনে হচ্ছে, আর কিছু মুসলিম ভাই জানাযার নামায পড়ার জন্য বাহিরে অপেক্ষা করছে!! ফরয শেষ হলে ইমাম জানাযা পড়াবেন।
★★ কোনটা জরুরী, জানাযার নামায না ফরয নামায??
(আল্লাহ আমাদের যাবতীয় আমল সমূহ যথাযথ পালন করার তাওফিক দান
করুন, আমিন)
কপি পোষ্ট

Wednesday, 26 April 2017

একটি চাইনিজ প্রেমের গল্প, পড়ে চোখে পানি চলে আসলো

একটি চাইনিজ প্রেমের গল্প, পড়ে চোখে পানি চলে আসলো . . 摮椭慭敧 敷止瑩札 慲楤湥 楬敮牡氬晥⁴潴 敬瑦戠瑯 潴牦浯㡦 㡦㡦潴 捥捥捥戻捡杫潲湵浩条 眭扥楫 楬 敮牡札慲楤湥潴昣 昸 昸攣散散戻捡杫 潲 湵 浩条 㩥洭 穯氭湩慥牧摡敩瑮琨灯㡦 㡦㡦捥捥捥㬩 慢 正 牧摮椭慭敧 敷止瑩札慲楤湥 楬敮牡氬晥⁴ 潴 敬瑦戠 瑯 潴牦浯 㡦㡦㡦潴 捥捥捥戻捡杫潲湵浩条 㩥 眭扥 楫楬 敮牡札慲楤湥潴昣昸 昸攣散散戻捡杫 潲 湵 浩 摮椭慭敧 敷止瑩札 慲楤湥 楬敮牡氬晥⁴潴 敬瑦戠瑯 潴牦浯㡦 㡦㡦潴 捥捥捥戻捡杫潲湵浩条 㩥 眭扥楫 楬 敮牡札慲楤湥潴昣 昸 昸攣散散戻捡杫 潲 湵 浩条 㩥洭 穯氭湩慥牧摡敩瑮琨灯㡦 㡦㡦捥捥捥㬩 慢 正 牧摮椭慭敧 敷止瑩札慲楤湥 楬敮牡氬晥⁴ 潴 敬瑦戠 瑯 潴牦浯㡦㡦㡦潴 捥捥捥戻捡杫潲湵浩条 㩥 眭扥 楫楬 敮牡札慲楤湥潴昣昸 昸攣散散戻捡杫 潲 湵 浩 条㩥洭 穯 氭湩慥牧摡敩瑮琨灯㡦 㡦㡦捥捥 捥㬩 慢 条㩥洭 穯 氭湩慥牧摡敩瑮琨灯㡦 㡦㡦捥捥 捥㬩 慢 . # সবচেয়ে বেশি খারাপ লাগে ওইখানে যখন মেয়েটি ছেলেটিকে # বললো , 晲潬摮 楬敮戭潬正漻敶晲潬.....

ইউনাইটেড স্টেটস অব নোয়াখালী

দেশ:- ইউনাইটেড স্টেটস অব নোয়াখালী :D
রাজধানী:- ফেনী
মুদ্রা:- টেঁয়া :P
রাষ্ট্রভাষা:- নোয়াখাইল্ল্যা 
আয়তন:- ৬৫৭১.৪৩ বর্গ কিঃমিঃ
জনসংখ্যা:- ৬৫৯৫৫৭৭ প্রায় (২০১১ আদমশুমারি অনুযায়ী)
জনসংখ্যা ঘনত্ব:- ১০০০/বর্গ কিঃ মিঃ
অর্থনীতি:- কৃষি, পরিবহণ,
বৈদেশিক রেমিটেন্স সমুদ্র বন্দর:- হাতিয়া কলিং কোড:- +৮০৮ ইন্টারনেট টিএলডি:- .nk সময় অঞ্চল:- এনএসটি (ইউটিসি +৬)
সরকার:- সংসদীয় গণতন্ত্র
রাষ্ট্রপতি:- ওবায়দুল কাদের
প্রধানমন্ত্রী:- খালেদা জিয়া
স্পিকার:- শিরিন শারমিন চৌধুরী
স্বাধীনতা:- বাংলাদেশ থেকে
বাণিজ্যিক রাজধানী:- চৌমুহনী
জাতীয় সংগীত:- আঙ্গো বাড়ি নোয়াখালী রয়্যাল ডিস্ট্রিক ভাই, হেনী মাইজদী চৌমুহনীর নাম কে হুনে নাই ? :P
.
বিখ্যাত ব্যক্তিবর্গ:- বেগম খালেদা জিয়া, শহীদ সালাম, জহির রায়হান, শহীদুল্লাহ কায়সার, সেলিম আল দীন, ওয়াসফিয়া নাজরীন, স্যার এ এফ রাহমান, গাজীউল হক, এবিএম মূসা, বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন, আবদুল মালেক উকিল, মুনীর চৌধুরী, এটিএম শামসুজ্জামান, নিশাত মজুমদার, রামেন্দু মজুমদার

Tuesday, 18 April 2017

ছোটবেলার সেরা ১১ টি ধারনা

১) পৃথিবীতে দুইটা দেশ আছে
বাংলাদেশ আর বিদেশ।

২) বিয়ে করলে বাচ্চা হয় নাইলে হয় না।

৩) "আই লাভ ইউ" খুবখারাপ একটাশব্দ,
একেবারে অশ্লীল।

৪) কারো মাথার সাথে যদি নিজের মাথা একটা গুঁতা খায় তাইলে শিং
ওঠে,
দুইটা খাইলে আর ওঠে না।

৫) কোন ফলের বিচি খাইয়া ফেললে
পেটের মধ্যে সেই ফলের গাছ হয়। ↓
৬) সিনেমার মধ্যে নায়ক নায়িকারা
নিজের গলায় গান গায়।

৭) সাড়ে বারোটার পর বাজে সাড়ে
একটা, সাড়ে একটার পর সাড়ে দুইটা। ↓
৮) টিভির পেছনে উকি দিলে ভেতরে
মানুষ দেখা যাবে ।

৯) যে যত ভালো ছাত্র তার রোল তত কম
আর যত খারাপ তত বেশি.... এইটা কেমন সিস্টেম?

১০) সিনেমার গানের মধ্যে নায়ক
নায়িকা এততাড়াতাড়ি ড্রেস চেঞ্জ
করে কেমনে? নিশ্চয়ই একটার উপর
আরেকটা পরে থাকে, হুট করে উপরেরটা খুলে ফেলে দেয় কোনো
সময়...

১১) এক গালে থাপ্পর দিলে অন্য
গালেও দিতে হবে নাইলে বিয়ে হবেনা

Sunday, 16 April 2017

এক কৃষকের একটি ঘোড়া ও একটি ছাগল ছিলো

এক কৃষকের একটি ঘোড়া ও একটি ছাগল ছিলো.... একদিন ঘোড়াটি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তিনি একজন পশুচিকিৎসককে ডেকে আনলেন। পরীক্ষা করে চিকিৎসক বললেন "ঘোড়াটি ভাইরাস আক্রান্ত, আমি তিনদিনের ঔষধ দিচ্ছি। তিনদিন পর যদি দেখি অবস্থার উন্নতি হচ্ছে না তবে ঘোড়াটিকে তখন মেরে ফেলতে হবে। আর তা না হলে চারদিক ভাইরাস ছড়িয়ে পড়বে !"
কাছে থাকা ছাগলটি তাদের এই কথাবার্তা সব শুনলো। পরদিন ঘোড়াটিকে ঔষধ দেয়ার পর ছাগলটি তার কাছে এসে বললো "শক্তি অর্জন করো বন্ধু, উঠে দাঁড়াও.. তা না হলে কিন্তু ওরা তোমাকে মেরে ফেলবে!"
দ্বিতীয় দিনেও যখন ওরা ঔষধ দিয়ে চলে গেল তখন ছাগলটি ঘোড়ার কাছে এসে বললো "আরে দোস্ত উঠে দাঁড়াও, তা না হলে তো তুমি মারা পড়বে! দেখি, আমি তোমাকে সাহায্য করছি। ওঠো ওঠো... এক, দুই, তিন...."
তৃতীয় দিনে ঘোড়াটিকে ঔষধ দেয়ার পর ডাক্তার কৃষককে বললেন "ভাগ্য খারাপই মনে হচ্ছে। কালকে বোধ হয় এটাকে মেরেই ফেলতে হবে। তা না হলে ভাইরাস চারদিকে ছড়িয়ে পড়বে, অন্য ঘোড়াগুলোও তাতে আক্রান্ত হবে।" এ কথা বলে তারা চলে যাবার পর ছাগলটি ঘোড়ার কাছে এসে বললো "শোনো দোস্ত, এখনই শেষ সময়, আর সুযোগ পাবে না। উঠে দাঁড়াও, সাহস অর্জন করো, মনে শক্তি আনো, ওঠো, উঠে দাঁড়াও! এই তো..গুড... ধীরে ধীরে...দারুন... এবার হাঁটো দেখি... ওয়ান, টু, থ্রি... ওয়াও! বেশ পারছো, এবার দৌড়াও, হ্যাঁ জোরে, আরো জোরে! ইয়েস, তুমি পেরেছো, তুমিই চ্যাম্পিয়ন!!!"
হঠাৎ কৃষকটি ঘোড়ার কাছে এলো আর দেখলো ঘোড়াটি দৌড়ে মাঠের দিকে চলে যাচ্ছে। তিনি আনন্দে চিৎকার করে উঠলেন "আরে, এটা একটা অলৌকিক ব্যাপার! আমার ঘোড়াটি শুস্থ হয়ে গেছে। আমি একটা বিরাট পার্টি দেবো। কাল আমরা এই ছাগলটিকে জবাই করবো, এটা দিয়ে মজা করে ভুরিভোজ করবো।"
শিক্ষা : এ ধরণের ঘটনা আমাদের জীবনে ও কর্মক্ষেত্রে প্রায়শই ঘটে থাকে। সত্যিকার অর্থে অনেক সময় কেউই জানতে পারে না আসলে কোন্ কর্মচারী বা ব্যক্তি সাফল্যের মুল নায়ক, কে পুরষ্কার পাওয়ার যোগ্য অথবা এই সফলতার পেছনে কে অবদান রেখেছে বা দরকারী সাপোর্ট দিয়েছে। যদি কেউ কখনও আপনাকে বলে আপনার কাজটি খুব একটা প্রফেশনাল নয়, মনে রাখুন : অপেশাদাররাই কিন্তু নূহ নবীর নৌকা তৈরী করেছিল (যেটা সকল প্রজাতীর জীবন রক্ষা করেছিল) এবং দক্ষ পেশাদাররাই নির্মাণ করেছিল টাইটানিক (যেখানে সবার করুণ মৃত্যু হয়েছিল)।
(সংগৃহীত)

রিয়েল ফ্রিল্যান্সিং লাইফ কি?

> সপ্তাহে ৫ দিন কাজ করার ভয়ে সপ্তাহে ৭ দিন কাজ করার নামই ফ্রিল্যান্সিং।
> সরকারি ছুটি ছাড়াও অতিরিক্ত ছুটি কাটানোর আশায় সকল ছুটিতে কাজ করার নামই ফ্রিল্যান্সিং।
> বড় বড় ভ্যাকেশন পাওয়ার আশায় সকল অকেশনে কাজ করার নামই ফ্রিল্যান্সিং।
> এক বসের প্যারা সহ্য করার ভয়ে একাধিক বসের প্যারা সহ্য করার নামই ফ্রিল্যাান্সিং।
> প্রতিদিন ৮ ঘন্টার ডিউটি করার ভয়ে প্রতিদিন আনলিমিটেড কাজ করার নামই ফ্রিল্যান্সিং।
> অতিরি্ক্ত বিশ্রামের আশায় এক চেয়ারে ঘন্টার পর ঘন্টা বসে বিশ্রামের (কাজ) নামই ফ্রিল্যান্সিং।
> ফ্যামিলি অথবা বন্ধুবান্ধবদের অনেক টাইম দেয়ার আশায় একটু সামান্য টাইম দিতে না পারার নামই ফ্রিল্যান্সিং।
> দাওয়াত গ্রহণ করে সেই দাওয়াতে উপস্থিত হতে না পারার নামই ফ্রিল্যান্সিং।
**ইহাই ফ্রিল্যান্সিং লাইফ। 
Collected

Tuesday, 11 April 2017

Monetization ON থাকা সত্ত্বেও ভিডিওতে এড শো করছে না?

Monetization ON থাকা সত্ত্বেও ভিডিওতে যদি এড শো না করে, তাহলে নিচের স্ক্রিনশট অনুযায়ী কাজ করে দেখতে পারেন। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এড প্রদর্শিত হয়।

১। 

২। 
৩। 

Monday, 10 April 2017

স্লাইড ভিডিও কি চ্যানেল ব্যান হবার অন্যতম কারন?

অনেকের মতে ইউটিউব চ্যানেল ব্যান হবার অন্যতম কারন স্লাইড ভিডিও । আসলেই কি তাই? বিভিন্ন গ্রুপ বা কমিউনিটিতে প্রায়ই বলতে শোনা যায়, স্লাইড ভিডিও দেয়ার কারনে আমার চ্যানেল ব্যান হয়ে গিয়েছে। আসলে বাস্তবিকভাবে চ্যানেল ব্যান হওয়ার অন্যতম কারন লো-কোয়ালিটি ভিডিও এবং ইউটিউবের নিয়ম-নীতি না মানা।

এখন Exactly কি কারনে আপনারচ্যানেল ব্যান হয়ে গিয়েছে, সেটা বলা মুশকিল। তবে, Rules and Regulation মেনে স্লাইড ভিডিও বানালে চ্যানেল ব্যান কখনোই হবে না। আমি হাজার হাজার চ্যানেল দেখাতে পারি যেগুলি স্লাইড ভিডিও বানিয়ে লাখ লাখ সাবস্ক্রাইবার পাচ্ছে এবং বেশ ভাল ডলার কামাচ্ছে।

এখন মূল কথাতে যাওয়া যাক।স্লাইড ভিডিও বানানো যদি YouTube এর Terms and Conditions এর পরিপন্থী হত, তাহলে YouTube তার Editor Option এ স্লাইড ভিডিও বানাবার অপশন টা রাখতো না। 



তাহলে, বেশির ভাগ স্লাইড ভিডিও দিয়ে বানানো চ্যানেল ব্যান হয় কি কারনে? এর প্রধান কারন হচ্ছে, Video Quality. বেশির ভাগ মানুষই স্লাইড ভিডিও বলতে ইমেজ লেফট থেকে রাইট, রাইট থেকে লেফট অথবা উপরে নীচে স্লাইড এবং ন্যূনতম কিছু Text Animation যোগ করাকেই  বুঝেন। 

বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ভিডিওগুলি সব সময় Low-Quality হয় এবং অনেকেএমন সব টপিক নিয়ে কাজ করে, যেই টপিকগুলি YouTube এ লাখের উপরে বিদ্যমান। যেমন: Top 10 Richest People In The World. এটি কোন নতুন টপিক  নয়। এই টপিক নিয়ে আপনি অলরেডি হাজার হাজার ভিডিও পাবেন, যাদের কোয়ালিটি খুবই ভাল। 

এমনকি Adobe After Effect Software ব্যবহার  করে, Original Voice ব্যবহার করে করা হয়েছে। সুতরাং, আপনার বানানো খুবই নিম্নমানের Low Quality ভিডিও YouTube খুব সহজেই সনাক্ত করে চ্যানেল ব্যান করে দেয়।

তাহলে কি স্লাইড দিয়ে বানানো YouTube ভিডিও বানাব না? এর একটাই উত্তর: Video Quality.

আপনি যদি ভিডিও কনটেন্ট কোয়ালিটি নিশ্চিত করতে পারেন, তাহলে slide video নিয়ে অবশ্যই কাজ করা উচিৎ
কারণ ক্যামেরা ব্যবহার করে ভিডিও বানানো অনেকর জন্যই কষ্টসাধ্য।এখন কথা হচ্ছে, কোয়ালিটি কনটেন্ট কি? একটা ভিডিও হচ্ছে টেক্সট, অডিও, ইমেজ এর মিশ্রণ। কোয়ালিটি নিশ্চিত করার জন্য আপনাকে এই জিনিসগুলির উত্তম ব্যাবহার নিশ্চিত করতে হবে।

ভিডিও বানানোর আগে আপনাকে অবশ্যই কপিরাইট ইস্যু সম্পর্কে মাস্ট জেনে নিতে হবে। অনেকে প্রায় সময়ই বলে থাকেন, Google থেকে Image নিয়ে ভিডিও বানালে চ্যানেল ব্যান হয়ে যায়। কিন্তু Google Image Search Option  এ গেলে আপনি একটি অপশন পাবেন। সেটা হল, Re-Usable Image অপশন। যদি Google এর ইমেজ গুলি ইউজ করা নিষেধ হত, তাহলে এই অপশন টি রাখত না।

এখন আপনাকে জানতে হবে, Google থেকে কপিরাইট-ফ্রি ইমেজ আপনি কিভাবে সংগ্রহ করতে পারবেন কিভাবে সেটা আপনার স্লাইড ভিডিও তে ইউজ করবেন এবং CC Music এর ব্যবহার সম্পর্কেও জানতে হবে।

কোয়ালিটি ভিডিও কিভাবে নিশ্চিত করবেন??

ভিডিও কোয়ালিটি ২ ভাবে আপনি নিশ্চিত করতে পারবেন। প্রথমটি হল, Visual Quality. আর দ্বিতীয়টি হল Content Strength।

Visual Quality মানে বাহ্যিক সৌন্দর্য।আমরা প্রায়ই কিছু Animated Video পাই, যেগুলি বার বার দেখতে ইচ্ছে করে। , আপনি যদি Left-Right, Slide Effect না দিয়ে PowerPoint Presentation কিংবা Adobe After Effect অথবা Camtasia  দিয়ে দৃষ্টিনন্দন Animated Video বানাতে পারেন, যেটা মানুষকে বিনোদন দেয় অথবা উপকারি কোন তথ্য দিয়ে সাহায্য করে, তাহলে খুব সাধারন Topic  নিয়ে ভিডিও করলেও আপনার চ্যানেল ব্যান হবে না।
video

এই ভিডিওটি কেমটাশিয়া দিয়ে করা একটি ভিডিও। যে কোন প্রডাক্ট নিয়ে রিভিও ভিডিও বানিয়ে এফিলিয়েট ইনকাম করাও সম্ভব। 

অন্যদিকে Content Strength খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। খুবই কঠিন একটি বিষয় আপনি সহজে step by step Image এর মাধ্যমে বুঝিয়ে দিতে পারলে ভিউয়াররা আপনার ভিডিওটি খুব সহজেই পছন্দ করবে। Content Quality নিশ্চিত করার জন্য আপনাকে  একটা বিষয়ে ঘণ্টার পরে ঘণ্টা সময় দিতে হবে শুধুমাত্র জিনিসটি জানা এবং বুঝার জন্য যাতে করে আপনি ব্যাপারটি খুব সহজভাবে আপনার Video তে সহজভাবে ফুটিয়ে তুলতে পারেন। এতে করে আপনার Viewer রা উপকৃত হবে।

কিভাবে আইডিয়া জেনারেট করবেন???

অনেকেই ভেবে পান না যে, কোন বিষয় নিয়ে ভিডিও বানাবেন। Internet এ প্রতিটা টপিক এর উপর কিছু জায়ান্ট  বা অথোরিটি ওয়েবসাইট পাবেন, যাদের সাইটে হাজারো কনটেন্ট আছে। যে কোন একটি ওয়েবসাইট ফলো করে এর উপর প্রচুর পড়তে থাকুন। এতে করে বিষয়টির উপর আপনার অনেক বেশি দক্ষতা চলে আসবে। আপনি যদি Body Fitness নিয়ে কাজ করতে চান, তাহলে WikiHow এর মতো কোন একটি অথোরিটি সাইট বেছে নিন এবং Body Fitness Section এ প্রতিদিন ৫ থেকে ১০ ঘণ্টা সময় দিন পড়বার জন্য। সময়ের সাথে সাথে আপনার দক্ষতা বাড়বে এবং কিছু সহজ বিষয় পেয়ে যাবেন, যেগুলি নিয়ে অনায়াসেই ভিডিও বানানো যায়।

সবশেষে, Video Quality নিশ্চিত করতে পারলে, স্লাইড ভিডিও ব্যান হবার কোন কারন নেই। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই চ্যানেল ব্যান হবার অন্যতম কারন হচ্ছে নিম্নমানের ভিডিও। আপনার হাই কোয়ালিটি ভিডিও চ্যানেল ব্যান হলেও Appeal এর মাধ্যমে ফেরত পাবার সম্ভাবনা শতকরা ৯০ ভাগ। এমন কোন টপিকে কাজ করার চেষ্টা করুন, যে টপিকে ভিডিও সংখ্যা কম বা ভাল ভিডিও নেই।