Tuesday, 17 October 2017

এক ব্যাক্তি সংসদ ভবনের সামনের লোহার গ্রিলে সাইকেল তালা দিয়ে কোথাও যাচ্ছিলো

এক ব্যাক্তি সংসদ ভবনের সামনের লোহার গ্রিলে সাইকেল তালা দিয়ে কোথাও যাচ্ছিলো।
তখন গার্ড এসে বলে,
গার্ডঃ ভাই এখানে সাইকেল রাখা যাবে না। অন্য কোথাও রাখেন।
ব্যাক্তিঃ ভাই আমি একটু পাশেই সুসু দিতে যাচ্ছি। এখনি চলে আসবো।
গার্ডঃ না না এখানে রাখা যাবে না। জানেন না এখান দিয়ে মন্ত্রী মিনিস্টাররা চলাফেরা করে?
ব্যাক্তিঃ সমস্যা নাই ভাই, আমি সাইকেল তালা দিয়ে রেখে যাচ্ছি।

Sunday, 15 October 2017

যে দশটি কাজ করলে দশটি বিপদ অবধারিত !!

কিয়ামত পর্যন্ত তার উম্মতরা যাতে ন্যায়ের পথে থেকে
চলতে পারে সেজন্য মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) দিক
নির্দেশনা দিয়ে গেছেন।এ সম্পর্কিত একটি হাদিস
এখানে উল্লেখ করা হলো। হযরত আলী রাদিয়াল্লাহু
আনহু থেকে বর্ণিতঃ-
রাসূল (সা.) বলেছেন, ‘যখন আমার উম্মত ১০টা কাজ করবে,
তখন তাদের উপর বিপদনেমে আসবে। রাসূল (সা.)-কে
জিজ্ঞাসা করা হলোঃ হে রাসূল, কি সেই দশটি কাজ?
যা করলে বিপদ হবে? তিনি বললেনঃ
১। যখন রাস্ট্রীয় সম্পদকে ব্যক্তিগত সম্পত্তি মনে করা
হবে।
২। যখন আমানত হিসেবে রক্ষিত সম্পদকে লুটের মাল
হিসাবে গ্রহণ করা হবে (অর্থাৎ আত্মসাৎ করা হবে)।
৩। যাকাতকে জরিমানার মত মনে করা হবে।
৪। স্বামী যখন স্ত্রীর আনুগত্য করবে এবং মায়ের অবাধ্য
হবে।
৫। বন্ধুর প্রতি সদাচারী ও পিতার সাথে দুর্ব্যবহারকারী
হবে।
৬। মসজিদে হৈ চৈ হবে।
৭। জনগণের নেতা হবে সেই ব্যক্তি যে তাদের মধ্যেকার
সবচেয়ে নিকৃষ্ট চরিত্রের অধিকারী।
৮। মানুষকে তার ক্ষতির আশংকায় সম্মান করা হবে।
৯। গায়িকা ও বাদ্যযন্ত্রের হিড়িক পড়ে যাবে।
১০। উম্মতের পরবর্তীরা পূর্ববর্তীদেরকে অভিশাপ
দেবে। তখন আগুনের বাতাস আসবে, মাটির ধস ও দেহের
বিকৃতি ঘটবে।” সহীহ তিরমিযী; আততারগীব ওয়াত
তারহীবঃ ৩য় খন্ডঃ ১৫৪১।


Copied

Saturday, 14 October 2017

একদিন হযরত ফাতেমা(রাঃ) হযরত আলী(রাঃ) কে বললেন

ঘরে কিছু সুতা কেটেছি, এগুলো বাজারে বিক্রি করে আটা নিয়ে আসেন। ইমাম হাসান ও হোসেন দুই দিন ধরে না খেয়ে আছে।
আলী(রাঃ) সুতা নিয়ে বাজারে গেলেন এবং সুতা ৬ দিরহামে বিক্রি করলেন।
এমন সময় এক সাহাবী এসে বললেনঃ আলী কিছু দিরহাম কর্জ দেবেন? ঘরে স্ত্রী সন্তান না খেয়ে আছে।
হযরত আলী ঐ সাহাবীকে ৬ দিরহামই দিয়ে দিলেন। একটু পর এক লোক একটি উট নিয়ে এসে হযরত আলী(রাঃ) কে বললেনঃ উট কিনবেন ?
আলী(রাঃ) বললেন, আমার কাছে কোন দিরহাম নেই। লোকটি বললোঃ এখন নিয়ে যান। উটের দাম ৩০০ দিরহাম পরে দিয়ে দেবেন। এই বলে লোকটি উট রেখে চলে গেলো।
এমন সময় আরেক লোক এসে ৩০০ দিরহাম দিয়ে উটটি আলী(রাঃ) এর কাছ থেকে কিনে নিলেন।
আলী(রাঃ) তন্ন তন্ন করে খুজেও যিনি উট রেখে গিয়েছিলেন, তাকে বাজারে পেলেন না।
বাড়িতে এসে দেখেন, রাসুলুল্লাহ(সাঃ) ফাতেমার সাথে বসে আছেন। আলীকে দেখেই রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বললেন, উটের ঘটনা আমি বলবো, না তুমি বলবে ?
আলী(রাঃ) হতভম্ব হয়ে বললেন, ইয়া রাসুলুল্লাহ, আপনিই বলুন।
রাসুলুল্লাহ(সাঃ) বললেন, তোমার কাছে যিনি বাকীতে উট বিক্রি করেন, তিনি জিব্রাইল। আর যিনি তোমার কাছ থেকে উট কিনেছেন, তিনি ইস্রাফিল ফেরেশতা।
তুমি যে সুতা বিক্রির দিরহাম এক অভাবগ্রস্ত সাহাবীকে দিয়ে দিয়েছো, তার বিনিময়ে আল্লাহ দুনিয়াতেই তোমাকে কিছু পুরস্কার দিলেন। আল্লাহ তোমার কাজটিকে খুব পছন্দ করেছেন। আর তোমার পরকালের পুরস্কারতো জমাই রইলো !!!
----------------- আমিন।

Tuesday, 10 October 2017

এক শিক্ষক তার সাত বছরের ছাত্র কাযিমকে জিজ্ঞেস করল

এক শিক্ষক তার সাত বছরের ছাত্র কাযিমকে জিজ্ঞেস করল, “আমি যদি তোমাকে একটি আপেল, একটি এবং আরও একটি আপেল দিই, তাহলে তোমার কাছে মোট কতটি আপেল থাকবে?”
কয়েক সেকেণ্ডের মধ্যেই কাযিম আত্মবিশ্বাসের সাথে উত্তর দিল, “চারটি!”
বিস্মিত শিক্ষক আশা করেছিলেন সহজ ও সঠিক উত্তরটি (তিনটি), তিনি হতাশ হলেন। “কাযিম বোধয় আমার কথা ঠিকমত বুঝতে পারেনি,” তিনি মনে মনে ভাবলেন। তিনি আবার বললেন, “কাযিম…মনোযোগ দিয়ে শোন। যদি তোমাকে একটি আপেল, একটি আপেল এবং আরও একটি আপেল দিই, তাহলে তোমার কাছে মোট কতটি আপেল থাকবে?”
কাযিম তার শিক্ষকের চোখেমুখে হতাশার ছাপ দেখতে পেল। সে আবার তার আঙ্গুলে গুণে দেখল। কিন্তু এর মাঝে সে সেই উত্তরটি খুঁজছিল, যা তার শিক্ষককে খুশি করবে। কিছুক্ষণ ভেবে দ্বিধান্বিতভাবে সে উত্তর দিল,
“চার…”
শিক্ষকের চোখে মুখে হতাশা রয়েই গেল। তার মানে আসলে কাযিম স্ট্রবেরি পছন্দ করে। তিনি ভাবলেন কাযিম আপেল পছন্দ করে না, আর এটি হয়তো তার মনোযোগ নষ্ট করছে। এবার গুরুত্ব সহকারে ও সামান্য হাসি হাসি মুখে জিজ্ঞেস করলেন, “আমি যদি তোমাকে একটি স্ট্রবেরি, একটি স্ট্রবেরি এবং আরও একটি স্ট্রবেরি দিই, তাহলে তোমার কাছে মোট কতটি স্ট্রবেরি থাকবে?”
শিক্ষকের খুশি খুশি ভাব দেখে কাযিম আবার তার আঙ্গুলে গুণে দেখল। সে কোন চাপ অনুভব করল না এবার, বরং চাপে থাকল তার শিক্ষক। কারণ, তিনি চাইছিলেন তার এবারের প্রচেষ্টাটি সফল হোক।
মুখে সামান্য দ্বিধার হাসি নিয়ে জিজ্ঞাসু দৃষ্টিতে কাযিম উত্তর দিল, “তিনটি?”
এবার শিক্ষকের মুখে জয়ের হাসি দেখা দিল। তার প্রচেষ্টা সফল হয়েছে। কিন্তু একটি কাজ এখনও বাকি। তিনি আবার কাযিমকে জিজ্ঞেস করলেন, “এখন আমি যদি তোমাকে একটি আপেল, একটি আপেল এবং আরও একটি আপেল দিই, তাহলে তোমার কাছে মোট কতটি আপেল থাকবে?”
অনুরোধের সুরে কাযিম উত্তর দিল, “চারটি!”
শিক্ষক আবার বিস্মিত এবং হতাশ হয়ে পড়লেন। সামান্য বিরক্ত কণ্ঠে তিনি জানতে চাইলেন, “কীভাবে কাযিম?”
মৃদু কণ্ঠে কাযিম জবাব দিল, “কারণ আমার
ব্যাগে আগে থেকেই একটি আপেল আছে।”
গল্পের শিক্ষাঃ যখন আপনাকে কেউ কোন ব্যাপারে উত্তর দেয় আর সেটা আপনার আশা করা উত্তরের সাথে না মিলে, তবে ভাববেন না সেটা ভুল। কারণ, তার দৃষ্টিভঙ্গি থেকে আপনি হয়তো ব্যাপারটি
ভেবে দেখেননি। তাই প্রতিটি ব্যাপারে আগে মনোযোগ দিয়ে শুনবেন এবং বোঝার চেষ্টা করবেন, তবে অবশ্যই পূর্বনির্ধারিত ধারণা বা বিশ্বাস নিয়ে নয়।

Saturday, 7 October 2017

রাসূল (সাঃ) একদিন মসজিদ-ই-নববী'তে আসরের নামাজ পড়াচ্ছিলেন

দৃশ্যটি দেখে বুকের ভিতর মোচড় দিয়ে উঠল,
আল্লাহ্'র কাছে এমন একটি দৃশ্য খুবই ভাল লেগেছিল;
রাসূল (সাঃ) একদিন মসজিদ-ই-নববী'তে আসরের নামাজ পড়াচ্ছিলেন। তিনি যখন সেজদায় গেলেন, হঠাৎই হযরত ইমাম হোসাইন (রাঃ) নানাজীর পিঠের উপর উঠে বসে পড়লেন।

ইমাম হাসান (রাঃ) ও হোসাইন (রাঃ)-কে নবীজী খুবই মহব্বত করতেন। তাঁদের মনে কেউ কষ্ট দিলে তা রাসূলের অন্তরে বিদ্ধ হত।
তিনি হোসাইন (রাঃ) পিঠ থেকে ফেলতেও পারছেন না; নাতিও পিঠ থেকে নামছেন না। এদিকে সেজদাও প্রলম্বিত হচ্ছে।
শেষে তিনি যখন উঠার মনস্থ করলেন; তখনই জিব্রাইল (আঃ) হাজির হলেন। বললেন, রাসূল (সাঃ) আপনি সেজদা থেকে মাথা উঠাবেন না। দৃশ্যটি আল্লাহর খুব পছন্দ হয়েছে। আল্লাহ্ আরশে আজীমে ফেরস্তারাসহ দৃশ্যটা দেখছেন।
সুবহানআল্লাহ; আল্লাহুয়াকবার;
Collected

Tuesday, 3 October 2017

ছোট্ট এক ছেলে ছিলো প্রচন্ড রাগী

ছোট্ট এক ছেলে ছিলো প্রচন্ড রাগী। তাই দেখে বাবা তাকে একটা পেরেক ভর্তি ব্যাগ দিল এবং বললো যে, যতবার তুমি রেগে যাবে ততবার একটা করে পেরেক আমাদের বাগানের কাঠের বেড়াতে লাগিয়ে আসবে। প্রথমদিনেই ছেলেটিকে বাগানে গিয়ে ৩৭ টি পেরেক মারতে হলো। ....
পরের কয়েক সপ্তাহে ছেলেটি তার রাগকে কিছুটা নিয়ন্ত্রনে আনতে পারে তাই প্রতিদিন কাঠে নতুন পেরেকের সংখ্যাও ধীরে ধীরে কমে এলো। সে বুঝতে পারলো হাতুড়ী দিয়ে কাঠ বেড়ায় পেরেক বসানোর চেয়ে তার রাগকে নিয়ন্ত্রন করা অনেক বেশি সহজ।
শেষ পর্যন্ত সেই দিনটি এলো যেদিন তাকে একটি পেরেকও মারতে হলো না। সে তার বাবাকে এই কথা জানালো। তারা বাবা তাকে বললো এখন তুমি যেসব দিনে তোমার রাগকে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রন করতে পারবে....
সেসব দিনে একটি একটি করে পেরেক খুলে ফেলো। অনেক দিন চলে গেল এবং ছেলেটি একদিন তার বাবাকে জানালো যে সব পেরেকই সে খুলে ফেলতে সক্ষম হয়েছে।তার বাবা এবার তাকে নিয়ে বাগানে গেল এবং কাঠের বেড়াটি দেখিয়ে বললো..
'তুমি খুব ভাল ভাবে তোমার কাজ সম্পন্ন করেছো,এখন তুমি তোমার রাগকে নিয়ন্ত্রন করতে পারো কিন্তু দেখো, প্রতিটা কাঠে পেরেকের গর্ত গুলো এখনো রয়ে গিয়েছে। কাঠের বেড়াটি কখনো আগের অবস্থায় ফিরে যাবে না।...
যখন তুমি কাউকে রেগে গিয়ে কিছু বলো তখন তার মনে ঠিক এমন একটা আচড় পরে যায়। তাই নিজের রাগতে নিয়ন্ত্রন করতে শেখো।মানসিক ক্ষত অনেক সময় শারীরিক ক্ষতের চেয়েও অনেক বেশি ভয়ংকর......
সংগৃহীত

Monday, 2 October 2017

এক স্বর্ণকারের মৃত্যুর পর তার পরিবারটা বেশ সংকটে পড়ে গেল

এক স্বর্ণকারের মৃত্যুর পর তার পরিবারটা বেশ সংকটে পড়ে গেল। খাদ্য-বস্ত্রে দেখা দিল চরম অভাব।
স্বর্ণকারের বিধবা স্ত্রী তার বড় ছেলেকে একটা হীরের হার দিয়ে বললো--এটা তোর কাকুর দোকানে নিয়ে যা, বলবি যে এটা বেচে কিছু টাকা দিতে।
ছেলেটা হারটি নিয়ে কাকুর কাছে গেল।
কাকু হারটা ভালো করে পরীক্ষা করে বললো- বেটা, তোমার মাকে গিয়ে বলবে যে এখন বাজার খুবই মন্দা, কয়েকদিন পর বিক্রি করলে ভাল দাম পাওয়া যাবে। কাকু কিছু টাকা ছেলেটিকে দিয়ে বললেন--আপাতত এটা নিয়ে যাও আর কাল থেকে তুমি প্রতিদিন দোকানে আসবে আমি কোন ১দিন ভাল খদ্দোর পেলেই যেন তুমি দৌড়ে হার নিয়ে আসতে পার তাই সারাদিন থাকবে।
পরের দিন থেকে ছেলেটা রোজ দোকানে যেতে লাগলো।সময়ের সাথে সাথে সেখানে সোনা-রুপা-হীরে কাজ শিখতে আরম্ভ করলো।
ভাল শিক্ষার ফলে অল্প দিনেই খুব নামি জহুরত বনে গেল। দূর দূরান্ত থেকে লোক তার কাছে সোনা দানা বানাতে ও পরীক্ষা করাতে আসত। খুবই প্রসংশীত হচ্ছিল তার কাজ।
একদিন ছেলেটির কাকু বললো-- তোমার মাকে গিয়ে বলবে যে এখন বাজারের অবস্থা বেশ ভালো, তাই সেই হারটা যেন তোমার হাতে দিয়ে দেন। এখন এটা বিক্রি করলে ভালো দাম পাওয়া যাবে।
ছেলেটি ঘরে গিয়ে মায়ের কাছ থেকে হারটি নিয়ে পরীক্ষা করে দেখলো যে এটা একটা নকল হীরের হার। তাই সে হারটা আর কাকুর কাছে নিয়ে যায় নি।
কাকু জিজ্ঞেস করলো-- হারটি আনো নি ?
ছেলেটি বললো-- না কাকু, পরীক্ষা করে দেখলাম এটা একটা নকল হার।
তখন কাকু বললো- তুমি যেদিন আমার কাছে হারটি প্রথম নিয়ে এসেছিলে সেদিন আমি দেখেই বুঝে নিয়েছিলাম যে এটা নকল, কিন্তু তখন যদি আমি তোমাকে এই কথাটা বলে দিতাম, তাহলে তোমরা হয়তো ভাবতে যে আজ আমাদের মন্দ সময় বলেই কাকু আমাদের আসল জিনিষকে নকল বলছে। আজ যখন এ ব্যাপারে তোমার পুরো জ্ঞান হয়ে গেছে, তখন তুমি নিজেই বলছো এটা নকল হার।
এই দুনিয়াতে প্রকৃত জ্ঞান ছাড়া তুমি যা কিছু দেখছো...যা কিছু ভাবছো সবটাই এই হারের মতই নকল, মিথ্যে। জ্ঞান ছাড়া কোন জিনিসের বিচার সম্ভব নয়। আর এই ভ্রমের শিকার হয়েই অনেক সম্পর্ক শেষ হয়ে যায়। আমি সেই সম্পর্কটা নষ্ট হোক তা চাইনা
Collected.............