Thursday, 17 August 2017

পা পিছলে পড়ে যাওয়া লজ্জার কথা নয়

• পা পিছলে পড়ে যাওয়া লজ্জার কথা নয় । বরং যথা সময়ে উঠে না দাঁড়ানোই লজ্জার ব্যাপার ।
• তর্কে জেতা বুদ্ধিমানের কাজ নয় বরং বুদ্ধিমানের কাজ হল তর্কে না জড়ানো ।
• তুমি যতটা মূল্যবান ততটা সমালোচনার পাত্র !!
• বুদ্ধির সীমা আছে কিন্তু বোকামীর কোন সীমা নেই ।
• জ্ঞানী মূর্খকে চিনতে পারে কেননা সে জ্ঞানী । 
• পক্ষান্তরে মূর্খ জ্ঞানীকে চিনতে পারে না, কেননা সে মূর্খ ।
• ভুল করা দোষের কথা নয় বরং ভুলের উপর প্রতিষ্ঠিত থাকা দোষণীয় ।
• আহমকের সাথে তর্ক কর না । কারণ, মানুষ হয়তো দুজনের মাঝে পার্থক্য করতে ভুল করবে।

Monday, 14 August 2017

আর্থার অ্যাশ নামে একজন লিজেন্ডারি টেনিস প্লেয়ার ছিলেন

আর্থার অ্যাশ নামে একজন লিজেন্ডারি টেনিস প্লেয়ার ছিলেন। এই ছেলেটির রক্তে একদিন এইডস নামক মরনব্যাধীর ভাইরাস এইচআইভি পজিটিভ ধরা পরে। ইনফেক্টেড ব্লাড নেবার কারণে তাঁর শরীরে এই ভাইরাস প্রবেশ করে।
.সারা পৃথিবী জুড়ে টেনিস প্রিয় লোকজন এবং ভক্তরা তাকে সমবেদনা ও ভালোবাসা জানিয়ে চিঠি পাঠায়। তন্মধ্যে একটি প্রশ্ন ছিল, "কেন আল্লাহ তা'আলা তোমাকেই বেছে নিলেন এমন একটি খারাপ রোগের জন্য? হোয়াই?"
.আর্থার অ্যাশ তাঁর সেই প্রিয় ভক্তকে জবাবে লিখেছিলেনঃ
"সারা পৃথিবী থেকে পাঁচ কোটি শিশু টেনিস খেলতে শুরু করে। তার মধ্য থেকে পঞ্চাশ লক্ষ খেলা শিখতে পারে, পাঁচ লক্ষ পারে পেশাদার খেলা শিখতে। ওর মধ্য থেকে পঞ্চাশ হাজার আসে সার্কিটে, পাঁচ হাজার পৌঁছায় গ্র্যান্ড স্লামে, পঞ্চাশ জন আসে উইম্বল্ডনে, চার জন সেমিফাইনালে, দুই জন মাত্র ফাইনালে আসতে পারে শেষ পর্যন্ত।
.যখন আমি তার মধ্য থেকে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলাম, তখন শিরোপা হাতে নিয়ে আল্লাহ'কে জিজ্ঞেস করিনি, 'আমাকে কেন বেছে নিলেন এই চ্যাম্পিয়ন হবার জন্য এত মানুষের মধ্য থেকে? হোয়াই মি আল্লাহ?'
আজ কষ্টের বেলায় কি আমার অধিকার আছে তাঁর কাছে জানতে চাওয়া, 'হোয়াই মি? আমি কেন আল্লাহ? কেন আমাকেই তোমার বেছে নিতে হল এই খারাপ রোগের জন্য?' যখন আমায় কিছু দিয়েছিলেন তিনি তখনতো আমি তাঁকে প্রশ্ন করিনি, 'কেন দিলে আল্লাহ?'
.তিনিই ভালো জানেন কেন আমাদের আনন্দ দেন আর কষ্টে দোলান। তিনি আমাদের বুদ্ধির অগম্য স্তরের বুদ্ধিমত্তা। সুতরাং হতাশা নয়। আর, "Future is very Unpredictable."
Collected

Wednesday, 9 August 2017

সে’ই প্রকৃত জেদী

১. সে’ই প্রকৃত জেদী,
যে কর্মের মাধ্যমে জেদ প্রকাশ করে।
.
২. সে’ই প্রকৃত বুদ্ধিমান,
যে তার দোষ প্রথমে স্বীকার করে।
.
৩. সে’ই প্রকৃত ব্যবসায়ী,
যে কাস্টমারের সাথে সুলভ ব্যবহার করে।
.
৪. সে’ই প্রকৃত শিক্ষক,
যে তার শিক্ষার্থীদেরকে প্রকৃত শিক্ষা দেয়।
.
৫. সে’ই প্রকৃত শিক্ষার্থী,
যে তার শিক্ষককে মা বাবার মতই সম্মান করে।
.
৬. সে’ই প্রকৃত স্বামী,
যে তার স্ত্রীকে অন্য কোন মেয়ে বা মহিলার
সাথে তুলনা করে না।
.
৭. সে’ই প্রকৃত স্ত্রী,
যে তার স্বামীর অল্প উপার্জনেই সন্তুষ্ট থাকে।
.
৮. সে’ই প্রকৃত ছেলে/ মেয়ে,
যে তার মা বাবাকে কষ্ট দেয় না।
.
৯. সে’ই প্রকৃত দেশ প্রেমিক,
যে তার দেশের কল্যানে কাজ করে।
.
১০. সে’ই প্রকৃত বন্ধু,
যে তার বন্ধুর ক্ষতি করে না।
.
১১. সে’ই প্রকৃত শিক্ষিত,
যে সর্বদা বিনয়ের সহিত কথা বলে।
সংগৃহীত

উচ্চ বেতনে চাকুরি করা এক যুবক আরেক গরীব যুবককে প্রশ্ন করলো

১.
উচ্চ বেতনে চাকুরি করা এক যুবক আরেক গরীব যুবককে প্রশ্ন করলো,
- তুমি কোথায় চাকুরি করো?
- একটা ম্যাচ ফ্যাক্টরিতে।
- স্যালারি কতো?
- ৫০০০।
- মোটে পাঁচ হাজার? চলো কিভাবে? তোমার মালিক তোমার প্রতি অবিচার করছে। তোমার যা যোগ্যতা, হেসেখেলেই তুমি অনেক টাকা বেতন পেতে পারো।
.


যুবকের মেজাজ খাট্টা হয়ে গেলো। নিজের কাজের প্রতি, বসের প্রতি বেজায় রুষ্ট হয়ে উঠলো। পরদিন গিয়ে সরাসরি বসকে জুলুমের কথা জানালো। কথা কাটাকাটি হওয়াতে বস তাকে চাকরিচ্যুত করলো।
এখন যুবকটি বেকার।
২.
- তোমার প্রথম সন্তান হলো বুঝি?
- জ্বি।
- তোমার স্বামী এ উপলক্ষ্যে তোমাকে কিছু দেয় নি? উপহার বা এ জাতীয় কিছু?
- না। কেন দিবে? এ তো আমাদেরই সন্তান! টাকা দিতে হবে কেন?
- কেন তোমাকে হাত খরচার জন্যেও তো দু’চার পয়সা দিতে পারে। তার কাছে তোমার কোনও মূল্য নেই? তুমি চাকরানি?
.
স্ত্রীর মনে ধরলো কথাটা। সারাদিন কথাটা ভাবতে ভাবতে মনটা বিষিয়ে উঠলো। সত্যিই তো! আমাকে একটা টাকাও কখনো ছোঁয়ায় না! রাতে কর্মক্লান্ত স্বামী ঘরে ফিরলো। স্ত্রীর মুখ দিয়ে বোমা বিস্ফোরিত হলো। লেগে গেলো দু’জনে। কথা কাটাকাটি। ঝগড়া। হাতাহাতি। শেষ পর্যন্ত তালাকে গিয়ে গড়াল।
৩.
- এই বৃদ্ধ বয়েসে কষ্ট করছেন? ছেলে ঢাকায় থাকে, বড় চাকুরি করে শুনেছি। বউ-বাচ্চা নিয়ে থাকে। আপনাদের দু’জনকে নিয়ে যেতে পারে না? আপনাদের দেখতেও তো আসে না!
- না না, ছেলে আমার খুবই ব্যস্ত। টাকা পাঠায় তো। ফোনে খোঁজ-খবর নেয়। নিয়মিত।
- কী এমন ব্যস্ততা তার শুনি? নিজের জন্মদাতা-দাত্রীকে দেখতে আসার সময় হয় না?
- সারাদিন অফিস-বাসা করতে করতেই সময় চলে যায়!
- আপনি খোঁজ নিয়েছেন? সে ঢাকায় বাড়ি-গাড়ি হাঁকিয়ে বেড়াচ্ছে। আর আর আপনারা অজপাড়াগাঁয়ে ধুঁকছেন?
.
বৃদ্ধ বাবা বাসায় এসে স্ত্রীকে খুলে বললো। স্ত্রীও বাধা দিল,
- আপনি ভুল শুনেছেন। সে আসলেই ব্যস্ত।
- নাহ, খন্দকার সাহেব কি মিথ্যা বলতে পারেন? ...আহা রে! কাকে বুকের রক্ত পানি করে বড় করলাম?
.
.
কিছু "নিরীহ" প্রশ্ন আমাদের সুখী জীবনকে এক লহমায় দুঃখী করে দিতে সক্ষম। ছদ্মবেশী দরদীরা নিস্তরঙ্গ শান্ত জীবনে অশান্তির দাবানল জ্বালিয়ে দেয়...
.
- কেন? সেটা এখনো কিনেন নি?
- আপনাদের এখনো বাচ্চাকাচ্চা হয় নি?
- এই জীবন কিভাবে বহন করে চলেছেন?
- ছেলেকে বিশ্বাস করে বসে আছেন?
- ছেলে তো বউয়ের কেনা গোলামে পরিণত হয়েছে!
.
.
গল্পের নির্যাসঃ
= ফাসাদ সৃস্টিকারী হয়ো না।
= হিংসুকদের ছলনায় পড়ো না।
.
গল্পের হিতোপদেশঃ
= মানুষের ঘরে অন্ধ হয়ে প্রবেশ করো। বোবা হয়ে বের হয়ে আসো...

একবার একটি জাহাজ নষ্ট হয়ে গিয়েছিল

একবার একটি জাহাজ নষ্ট হয়ে গিয়েছিল। মালিক অনেক চেষ্টা করছিলেন রাজ্যে কেউ আছে কি না যে তার জাহাজ ঠিক করে দিতে পারে। অনেকেই আসে যায়। কিন্তু কেউই জাহাজ ঠিক করতে পারে না। অবশেষে একদিন এক লোক এল। তার কাছে ছিল একটি টুলবক্স। সে বেশ কিছুক্ষণ জাহাজের পার্টসগুলো পরীক্ষা করল। ইঞ্জিনের কাছে গিয়ে সে তার বক্স থেকে একটা হ্যামার বের করল ও তিনটি বাড়ি দিল। আশ্চর্যজনকভাবে জাহাজটি ঠিক হয়ে গেল। বিকল ইঞ্জিন সচল হয়ে গেল। মালিক মহাখুশি। মালিক তার ওয়াদা অনুযায়ী এবার লোকটিকে পুরস্কৃত করবে। লোকটিকে বিল পাঠাতে বলা হল। লোকটা বিল পাঠাল এক লাখ টাকা। বিল দেখে জাহাজের মালিকের মাথায় হাত। এত টাকা বিল কেন, তুমি তো কেবল জাহাজে তিনটি বাড়ি মেরেছ, তার জন্য কেন এত টাকা চাইছ। তুমি আমাকে ভেঙে ভেঙে দাম বলত। তখন লোকটি বলল, বাড়ি ৩টা মারার জন্য আমি আসলে ৩০০ টাকা চার্জ করেছি, আর বাড়ি ৩টা কোথায় মারতে হবে সেটা জানার জন্য চার্জ করেছি আর ৯৯,৭০০ টাকা। এ টাকাটা আমার নলেজের দাম।
শিক্ষা: জ্ঞান অর্জন কখনই বৃথা যায় না। জ্ঞানী লোককে সবাই খুঁজে নেয় ও সমাদর করে।

Monday, 7 August 2017

আজ চায়ের কাপ মাথায় ভাঙ্গা হবে - Jokes

স্ত্রী :- হ্যালো!
স্বামী :- হ্যালো!
স্ত্রী :- অফিস ছুটি হইছে না ?
এত দেরি কেন ?
তুমি কই ?
স্বামী :-তোমার কি মনে আছে গত ঈদে তুমি একটা নেকলেস পছন্দ করেছিলে।
স্ত্রী :- (খুশিতে লুতুপুতু হয়ে) হ্যাঁ মনে আছে। কেনো গো ?
স্বামী :তুমি বলেছিলে ওটা কেনার জন্য তোমার অনেক শখ।
স্ত্রী :- হুম !
তোমার মনে আছে তাহলে।
স্বামী :- মনে আছে দোকানদার অনেক দাম চেয়েছিল ?
স্ত্রী :- হুম !
স্বামী :- এত টাকা আমার কাছে
ছিল না।
স্ত্রী :- হুম।
স্বামী :-বলেছিলাম পরে কিনে দিবো।
স্ত্রী :-(খুশি হয়ে) হ্যাঁ হ্যাঁ বলেছিলে।
স্বামী :- আরে ঐ যে নিচ তলার বড়দোকানটা।
স্ত্রী :-আরে বাবা মনে আছে তো!
স্বামী :- আমি ওই দোকানের পাশের ছোট চায়ের দোকানে বসে চা খাচ্ছি।😁 😁

Sunday, 6 August 2017

এক কৃষক গিয়েছিলেন ব্যাংকে লোন নিতে

এক কৃষক গিয়েছিলেন ব্যাংকে লোন নিতে। ২০ হাজার টাকা। ব্যাংক কর্মচারী বললেন অ্যাপ্লিকেশন ফর্ম ফিল-আপ করতে।
এবার ব্যাংক কর্মচারী জিজ্ঞাসা করলেন আপনি এই টাকা দিয়ে কি করবেন?
-আমি একটি গরু কিনব। গরুর যা দুধ হবে, তা বিক্রী করবো।
আপনার কি কোন সিকিউরিটি আছে?
সিকিউরিটি মানে কি?
সিকিউরিটি হলো একটি মূল্যবান জিনিস যার দাম হলো ২০ হাজার টাকা। যদি আপনি কখনও এই ঋণ পরিশোধ না করতে পারেন আমরা ওটা নিয়ে নেব।
আমার একটি লাঙ্গঁল আছে।
লাঙ্গঁলের দাম তো আর বিশ হাজার হতে পারে না। আর কি আছে?
একটি ঘোড়া আছে।
ঘোড়ার বয়স কত?
দশ বছর I
ও মাই গড্। দেখি কিছু করা যায় কিনা !
ব্যাংকের কর্মচারী গেলেন ম্যানেজারের কাছে। ব্যাংকের ম্যানেজারের দয়া হলো। তিনি ২০ হাজার টাকা দিলেন ঐ কৃষককে।
ছয়মাস পরে ঐ কৃষক ফিরে এলো ব্যাংকে। হাতে বড় একটি পোঁটলা। ভিতরে টাকার বান্ডিল। গুনে গুনে সুদে আসলে শোধ করলো তার ঋণ। ব্যাংক কর্মচারী বললেন:
আপনার কাছে তো এখনও প্রচুর টাকা রয়েছে। বাকী টাকা দিয়ে কি করবেন?
-আমার বালিশের নীচে রেখে দেব।
আপনি তো আমাদের ব্যাংকে টাকা ডিপোজিট রাখতে পারেন।
ডিপোজিট মানে কি?
আপনার টাকা আমাদের এখানে থাকবে। যখন দরকার হবে, টাকা তুলতে পারবেন। এছাড়া সুদও পাবেন।
এবার কৃষক বললো :
-আপনাদের কোন সিকিউরিটি আছে?