Friday, 2 June 2017

উপস্থাপক সাইখ সিরাজ কৃষকের ইন্টারভিউ নিচ্ছে

উপস্থাপকঃ আপনি ছাগলরে কি খাওয়ান??
- কৃষকঃ কোনটারে? কালো না সাদা??
উপস্থাপকঃ কালোটারে...
- কৃষকঃ ঘাস...
উপস্থাপকঃ আর সাদা??
- কৃষকঃ ওইটারেও ঘাসই খাওয়াই...
উপস্থাপকঃ ও!!আচ্ছা, এগুলিরে কই বাইন্ধা রাখেন??
- কৃষকঃ কোনটা?? কালোটা না সাদাটা??
উপস্থাপকঃ সাদা...
- কৃষকঃ ওইপাশে বাইরের ঘরে বাইন্ধা রাখি।
উপস্থাপকঃ আর কালোটা?
- কৃষকঃ ওইটারেও বাইরের ঘরেই বান্ধি...
উপস্থাপকঃ আর গোসল করান কিভাবে?
- কৃষকঃ কালো না সাদা??
উপস্থাপকঃ কালো...
- কৃষকঃ পানি দিয়া।
উপস্থাপকঃ আর সাদাটা??
- কৃষকঃ ওইটারেও পানি দিয়াই করাই..
.
উপস্থাপকঃ (চরম ক্ষিপ্ত হয়ে ): আরে বেটা!! ..সব কিছু যখন একই রকম করাস, তাইলে বার বার জিগাস ক্যান - “কালা না সাদা”???
.
- কৃষকঃ কারণ সাদা ছাগলটা আমার...
.
উপস্থাপকঃ ওহ!! তাহলে কালোটা কার ছাগল ??
.
- কৃষকঃ ওইটাও আমারই !!

Thursday, 1 June 2017

৪ জন হাসিখুশি মানুষ দাঁড়িয়ে ক্যারামবোর্ড খেলছে

“কি করেন?”
‘চা খাই’
“কি চা?”
‘লেবু চা’
“লেবু চা খাইলে কি হয়?”
‘কি আবার হইবো?’
অনেকের সাথে কথা আগায় না... বাট তাতেও মজা
কয়েকদিন আগে ময়মনসিংহ গেলাম কাজে... কাজ শেষ করে একা হাঁটতে হাঁটতে হাই-ওয়ের পাশে একটা টং এর দোকানে যেয়ে বসলাম
... পাশে ৪ জন হাসিখুশি মানুষ দাঁড়িয়ে ক্যারামবোর্ড খেলছে
হুট করে খেলা নিয়ে ২ জনে মারামারি লেগে গেলো
আলাপ শুনে যা বুঝলাম তা হলো, তার দলের একজন রেড ফেলার চান্স পেয়েও আলসেমি করে অন্য গুটি কেন মারসে, এটা নিয়ে ঝগড়া
কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে “গুলামের পুতরে অক্ষন কুইট্টাল্বাম” বলতে বলতে পাশ থেকে কোদাল নিয়ে দৌড়ান দিলো
আশেপাশের মানুষ ভাবলেশহীন ভাবে বিস্কুট খাচ্ছে
এমন ভাব যে এরকম প্রায়ই হয়
আমি দোকানদারকে বললাম, “ঐ দুইজন কই?”
‘মুমিন্সিং এর লুক বেকতাই এরুম...শৈইল্লো অনেক রাগ’
... বড়ই ইন্টারেস্টিং বিভাগ ... একটু পরে একজন সাফারি পরা লোক আসলো হাতে ব্রিফকেস নিয়ে
“মামা সিগারেট দেও কুইক”
‘কুন কুম্পানি?’
“পারা মাইরা ফুটকাডা গালায়ালবাম... ড্রেরেস দেইক্ষা বুঝো না কুন কোম্পানি চাই?... হলিউড দেও”
আমি চায়ের দাম দিয়ে চায়ের তাড়াতাড়ি চলে আসলাম
...কয়েকদিন আগে, চিটাগাং হালি শহরের এক গলিতে সন্ধ্যায় হাঁটছি
টাইট জিন্সের প্যান্ট পরা এক লোক এসে বলে, “ব্রাদারকে এক্সকিউজমি জানাই... আপনের কাছে মাচেস আছে?”
আমি খুশিতে অবাক... এই প্রথম কেউ নিজ থেকে এগিয়ে এসে আমার সাথে আলাপ করছে
আমি বললাম ‘আমি তো সিগারেট খাই না’
উনি চোখ চিকন করে বললেন, “পকেটে চেক করে দেখেন থাকতেও তো পারে”
তখন বুঝলাম উনি ছিনতাইকারী
আমি বললাম, ‘হ্যা আছে তবে কোন পকেটে লুকিয়ে রেখেছি এটা বলব না...এটা আপনার পরীক্ষা ... আপনি আসেন হাত্রে খুঁজেন’
উনি চিকন চোখ নর্মাল করে বললেন, “ব্রাদারের পরিচয়? গুয়েন্দা অধিদফতুরের লোক লাগে”
আমি বললাম ‘কেমনে বুঝলেন?’
উনি একটা বুদ্ধিদীপ্ত হাসি দিলেন
শুরু হলো আলাপ... এক পর্যায়ে তার পকেটের চাকু দিয়ে গাছ থেকে আমড়া পেড়ে কেটে খেলাম
বিশাল অমায়িক মানুষ... পেটের দায়ে ছিনতাই করে না... শখের বসে করে
সমাজে ব্যাল্যান্স আনার জন্য করে
পুঁজিবাদ সাম্রাজ্যবাদ এসব নিয়ে অনেক আলাপও হলো
শেষে উনি আমাকে হোটেল পর্যন্ত এগিয়ে দিলেন
...আজ সিলেটে একটু আগে এক চতুরের দেখা পেয়েছি
উনি রাস্তায় ৩ টা মিল্ক ভিটার প্যাকেট নিয়ে জোরে জোরে হাঁটছিলেন
কিছু একটা বলে কথা শুরু করতে হয় তাই আমি উনার কাছে যেয়ে বললাম, ‘ভাই আশেপাশে মিল্ক ভিটার দুধ কই পাওয়া যায়?’
“কয় প্যাকেট লাগবো?”
‘দুই’
উনি দাঁত বের করে বললেন “আমার কাছ থেকে নেন ২ টা”
উনি আমার কাছ থেকে প্রতি প্যাকেটে ১০ টাকা বেশী নিলেন
উনার দাঁত আর বন্ধ হয় না খুশিতে
কিউট না? জায়গার উপরে দাঁড়িয়ে বিনা পুঁজিতে বিজনেস
তুই কিউট হইলে আমি কম কিসে?
আমি বললাম, ‘আমার কালকে ৪০ প্যাকেট লাগবে’
“কখন?”
‘এই সময়েই’
এবার তার দাঁতের চেয়ে চোখের ঝিলিক ছিলো দেখার মত...
কাল কি হবে জানি না... কল্পনা করি, দুই হাতে দুই বালতিতে ২০টা ২০টা প্যাকেট নিয়ে আমাকে অলিতে গলিতে খুঁজবে
ব্যবসা করতে নামসস, বিজনেস স্টাডিসের উপর একটু জ্ঞান রাখবি না বেক্কল? এতো বড় অর্ডার পাইলে কিছু এডভান্স নিতে হয় ... শিখে রাখলি
বেক্কল ……

এক তরুণ আইনজীবী ট্রেনে করে ভ্রমন করছিলেন

এক তরুণ আইনজীবী ট্রেনে করে ভ্রমন করছিলেন ৷ ভদ্রলোকের পাশের সিট খালি এবং আশে পাশেও কেউ নেই। ট্রেন মোটামুটি খালিই বলা চলে।
একটু পরে, একজন সুন্দরী মেয়ে ভদ্রলোকের পাশের সিটটাতে বসলেন ৷ Lawyer বেশ খুশি হলেন এই ভেবে যে, যাক জার্নিটা বোধহয় বোরিং হবে না!
ভদ্রমহিলা Lawyer দিকে তাকিয়ে মুচকি মুচকি হাসছিলেন । এতে Lawyer ভদ্রলোকের মনের ভেতর খুশির জোয়ার বইতে শুরু করলো। মেয়েটি Lawyer তরুনের আরও ঘনিষ্ট হয়ে বসলেন । তরুন আনন্দে আত্মহারা হয়ে কি করবেন আর কি না করবেন বুঝে ওঠার আগেই মেয়েটি ওই তরুনের কানের কাছে গিয়ে ফিসফিস করে বললেন 'সঙ্গে যা আছে ঘড়ি, টাকা, পার্স সব বের করুন, নয়তো চিৎকার করে পুলিশ ডেকে বলব যে, আমাকে একলা পেয়ে, আপনি আমার সঙ্গে খারাপ ব্যাবহার করার চেষ্টা করছিলেন।'
lawyer তরুনটি যেন কিছুই হয়নি এইরকম ভাবে তাকালেন মেয়েটির দিকে। তারপর পকেট থেকে একটা কাগজ আর কলম বের করে ওটাতে লিখলেন, 'আমি বোবা এবং বধির। তাই যা বলার দয়া করে এই কাগজে লিখে দিন।
মেয়েটি যা যা বলেছিলেন সেগুলো কাগজে লিখে ভদ্রলোকের হাতে দিলেন ৷
তরুন কাগজটা নিয়ে বেশ যত্ন সহকারে পকেটে রাখলেন। তারপর ইস্পাত কঠিন গলায় বললেন, 'নিন এইবার চিৎকার করে যত ইচ্ছা পুলিশ ডাকুন।'

Wednesday, 31 May 2017

যদি অন্য প্রাণীদের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থাকত তাহলে কেমন হত তাদের স্ট্যাটাস আপডেট??

#তেলাপোকা : এইমাত্র বেঁচে ফিরলাম.. একটা মাইয়ার শরিরে ঝাপ 🤔🤔দিছিলাম, 'ও মাগো' কইয়া চিক্কুর মারছে! ওহ্ গড, কান্ডা আমার শেষ। - feeling sad!!
#বিড়াল : আজ সকালে একটা অদ্ভুত ঘটনা ঘটল৷ আমার ৭ নম্বর বাচ্চাটা হঠাৎ গলা জড়িয়ে ধরে জানতে চাইল ওর বাবা কে? আমি এখন কি করে বলি? আমার নিজেরই যে মনে নেই! -feeling confused!!
#মশা : OMG!! লোভে পড়ে এক শালীর রক্ত খেয়েছি। আমি এখন HIV পজিটিভ ! কেন যে টেস্ট না করেই রক্ত খেতে গেলাম !!! - feeling heartbroken!!
#ছাগল : যাক বাবা, কুরবানি শেষ হলো। এবার একটু শান্তিতে বাইরে বেরুতে পারব। - feeling relaxed!!
#মুরগী : কাল যদি আমি কোন স্ট্যাটাস না দিই, তাহলে বুঝে নিও ফ্রান্স আমি আছি কোনো বিয়ে বাড়ির রোস্টের ডিশে। - feeling disappointed!!
#বাঘ : শিকারি বেটা আসছে বন্দুক নিয়ে আমাকে শিকার করতে.. একটা 'হালুম' করছি আর ভয়ে দিছে দৌড় ! - feeling proud!!
#বাদুড় : সারাদিন তো সিধা হয়ে ঝুলে থাকি, মানে পা ওপরের দিকে আর মাথা নিচের দিকে। আজ কিছুক্ষণের জন্য উল্টো হলাম । আর দেখি কি আজব তামাশা ! মানুষগুলো সব উল্টো হয়ে হাঁটছে। কেমনে কি?? মাথায় ধরে না মাম্মা -feeling crazy!!
#ময়ুরী: জন্মদিনটা চমৎকার কাটল.. ও আমাকে আজ পেখম মেলে নাচ দেখালো.. বেঁচে থাকার মাঝে এতো সুখ, কি যে করি ?? - feeling loved!!
#কোকিল: শীত এসে গেল, আর শীত গেলেই তো শুরু হয়ে যাবে আমাদের লাইভ কনসার্ট। গেলাম। আবার রেওয়াজে বসতে হবে.. - feelings excited!!
#উকুন : আজ তো মাম্মা ব্যাপক টেনশনে ছিলাম। আজ মাথায় চিরুনি অভিযান চালাচ্ছিলো। অল্পের জন্যে চিরুনির ফাঁক দিয়ে বেঁচে ফিরেছি। - feeling awesome!!
#টিকটিকি : ইয়েস, আই ডিড ইট ! বেটা সারাদিন কম্পিউটার খুলে ফেসবুকে মুখ গুঁজে বসে থাকে। বাথরুমটা সেরেছি একেবারে মাথার উপরের ছাদে বসে, একেবারে ঠিক টাকের উপর। ওয়াও ! হোয়াট এ টার্গেট ! - feeling satisfied!!
collected

সুইডেনে একজন দিনমজুরের খুব ইচ্ছা ছিল সে টাইটানিকে চড়বে

১) সুইডেনে একজন দিনমজুরের খুব ইচ্ছা ছিল সে টাইটানিকে চড়বে,।
এই উদ্দেশ্য সে ওভারটাইম করতো।
টাইটানিক যাত্রা শুরু হওয়ার মাত্র এক মাস বাকি,
পরিবারের সকলেই তাদের ভ্রমন নিয়ে খুব উৎসাহিত ছিল।।
হঠাৎ তার ছেলেকে কুকুর কামড় দেওয়ার ফলে জলাতঙ্ক রোগে আক্রান্ত হয়ে গেল।।।
ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ছেলেকে ৬ মাস বাইরে কোথাও নেওয়া যাবে না।।।।
পরিবারের সকলেই খুব কষ্ট
পেল।।। তাদের এতদিনের ইচ্ছার জন্য সে দিনরাত পরিশ্রম করেছিল।
এখন সব পানিতে।।।
১৯১২ সালে টাইটানিক যাত্রা শুরু করে, দিনমজুরটি প্রতিদিন তার সন্তানকে বকা দিত।তার স্বপ্ন ভাঙার জন্য অভিশাপ দিত।।।
১২ দিনের মাথায় টাইটানিক ডুবি হয়,
এরপর দিনমজুরটি তার সন্তানের কাছে ক্ষমা চায়।
২) প্রশান্ত মহাসাগরে একটি জাহাজ ডুবে যায়,জাহাজের সকল যাত্রী মারা যায়,কেবল একজন ছাড়া।
মানুষটা অনেক কষ্টে একটি দ্বীপে আশ্রয় নেয়,এবং সেখানে থাকতে শুরু করে,ঘরবাড়ি বানিয়ে এবং ফল খেয়ে বেচেছিল অনেকদিন।।।
হটাত একদিন তার ঘরে আগুন লেগে যায় এবং সে
কান্নায় ভেঙে পরে,
সৃষ্টিকর্তাকে সে অপবাদ দিতে শুরু করে,
'' আমার সবকিছু কেড়ে নিলে,এখন আমার এইটুকুও কেড়ে নিলে তুমি''
পরের দিন একটি জাহাজ তার হই হুল্লোরের শব্দ এবং আগুন দেখে তাকে উদ্ধার করতে আসে,
সে সৃষ্টিকর্তার নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করে।।
৩) একটি গ্রামে সকল মানুষ মাল্টিন্যাশেনাল কোম্পানিতে চাকরি করতো।
তখনকার রীতি অনুযায়ী, সম্মানী ব্যক্তি মানেই মাল্টিন্যাশানাল কোম্পানিতে চাকরি করতে হবে।।।
লোকটা গ্রাম থেকে শহরে গেল চাকরি পাওয়ার আশায়, এত শিক্ষিত না হওয়ার কারণে সে বেশ সুবিধা করতে পারছিল না,
পরবর্তীতে সে একটি মাল্টিন্যশানাল কোম্পানিতে সুইপারে কাজ পায়,
সব ফর্মালিটি শেষ, এখন কেবল জয়েন করবে,
কোম্পানি তাকে তার ইমেইল এড্রেস দিতে বলে,
তখনকার সময় সকল কর্মকর্তাদের ইমেইল এড্রেস ছিল বাধ্যতামূলক।।
তার কোনো ইমেল ছিল না,ফলে সে চাকরিতে জয়েন দিতে পারেনি।
রাগে দুঃখে সে পণ করে বসে সে আর চাকরিই করবে না।।
গ্রাম থেকে নিয়ে আসে টাকা দিয়ে টমেটো কিনে ব্যবসা শুরু করে,,,
ব্যবসায় প্রচুর পরিশ্রমের ফলে সে ভাল টাকা ইনকাম করছিল।
একদিন একজন শিল্পপতি তার পরিশ্রম দেখে তাকে সাবানের কারখানা দিতে বলে,
সে ঋণ গ্রহন করে এবং তার জমানো টাকা দিয়ে সাবানের কারখানা স্থাপন করে।
কয়েকবছর পর তার সাবানের কারখানা দেশের প্রতিটি রাজ্যে শাখা খুলে ফেলে এবং তাকে বানিয়ে দেয় কোটিপতি।
এলিকো নামের একটি বীমা কোম্পানি তার বীমা করানোর জন্য তার কাছে যায়,
এলিকোর এজেন্ট তাকে ফর্ম পূরণ করতে বললে তিনি বলেন, আমার কোন ইমেইল এড্রেস নেই,,,
 এই কথা শুনে এজেন্ট অবাক হয়ে যায়,
তিনি বলেন,আপনার ইমেইল এড্রেস ছাড়া আপনি কোটি টাকার মালিক,আপনার ইমেইল এড্রেস থাকলে তো আপনি বিশ্বের এক নাম্বার ধনীব্যক্তি হয়ে যেতেন।
তিনি হেসে জবাব দেন''আমার ইমেইল এড্রেস থাকলে আমি হতাম সুইপার,তাই আজ পর্যন্ত ইমেইল খুলিনি''।
ওয়াট গড উইলস ইস ফর গুড।।।
সৃষ্টিকর্তা যা করেন ভালর জন্য করেন,
জলাতঙ্ক রোগাক্রান্ত না হলে দিনমজুরটি হয়তো তার গল্প বলার জন্য বেচে থাকতেন না,
বেড়ার ঘরে আগুন না লাগলে মানুষটি হয়তো কখনও উদ্ধার পেতেন না,
ইমেইল আইডি থাকলে লোকটি হয়তো শিল্পপতি না হয়ে সুইপারের চাকরি করতো।
সৃষ্টিকর্তা আমাদের কখনও নিরাশ করেন না,
আজকে ভাল কিছু পাইনি, ভবিষ্যৎ হয়তো আমাদের অপেক্ষা করছে,
আজকে ভাল জিপিএ না পাওয়া ছাত্রটা হয়তো ভাল ভার্সিটিতে জায়গা করে নেবে,
আজকে মেয়েটা প্রেম করলো না, অপমান করে চলে গেল, হয়তো আরও ভাল কেও সৃষ্টিকর্তা আমার জন্য রেখেছেন।।।।।
চেষ্টা করে যেতে হবে,
ডু ইউর বেস্ট এন্ড লিভ দা রেস্ট।।।
যতক্ষণ ভাল কিছু না হয় অপেক্ষা করে যেতে হবে,
সৃষ্টিকর্তার নিকট বিনয়ী হতে হবে,চেষ্টা করে যেতে হবে।।।
সাফল্য আসবেই।।।।
সাফল্য তোমাকে ঠিকই খুজে নেবে।।।
Collected From - 
Lokman Hakim

Sunday, 28 May 2017

বেচারা স্বামীকে বাঁচাতে মেশিনও চেষ্টা করে - কৌতুক

এক ভদ্র মহিলা কেনাকাটা ‌শেষ করে ক্যাশ কাউন্টারের সামনে ‌পে‌মেন্ট দেয়ার জন্য ব্যাগ খুলতেই ক্যাশিয়ারের নজরে এলো তার ব্যা‌গে এক‌টি টিভি রিমোট।
ক্যা‌শিয়ার: (কৌতুহলবশত, জানতে চাইলেন) ম্যাডাম ব্যাগে টি‌ভি রিমোট কি সব সময় থাকে?
মহিলা: না, মাঝে সাজে। আজ আমার হাজব্যান্ড আইপিএল ফাইনাল দেখবে বলে আমার সা‌থে শপিংয়ে এলোনা। তাই জব্দ করতে টি‌ভি রিমোটটা ব্যাগে ক‌রে নি‌য়ে এ‌সে‌ছি।
শিক্ষা:
(১) বউ এর তুচ্ছ ‌বিষ‌য়েও তাচ্ছিল্য কর‌লে বিপদ।
ক্যাশিয়ার: (হাসতে হাসতে) ভদ্র ম‌হিলার এ‌টিএম কার্ডটি ফেরত দিতেই-
মহিলা: এটা কি হলো?
ক্যাশিয়ার: আপনার স্বামী ওনার সাপ্লি‌মেন্টা‌রি কার্ডটি সম্ভবত ব্লক করে দিয়েছেন।
শিক্ষা:
(২) স্বামীর শখও স্ত্রীর নিকট সম্মান‌যোগ্য।
মহিলা: ব্যাগ থেকে এবার স্বামীর এ‌টিএম কার্ডটি বের করে সোয়াইপ করলেন।
শিক্ষা:
(৩) বৌ-এর লম্বা হাতের সঠিক ধারণা থাকা দরকার।
ক্যা‌শিয়ার: ভদ্র ম‌হিলা‌কে বল‌লেন, সোয়াইপ মে‌শিন থে‌কে আপনার মোবাই‌লে একটা পিন নম্বর পাঠা‌নো হ‌য়ে‌ছে। সে‌টি বলুন?
শিক্ষা:
(৪) বেচারা স্বামীকে বাঁচাতে মেশিনও চেষ্টা করে।
মহিলা: (মুচকি হেসে) ব্যাগ থেকে স্বামীর ‌মোবাইল ফোনটা বের করলেন এবং পিন নম্বরটা ক্যা‌শিয়ার‌কে জানা‌লেন। (বি: দ্র: স্বামীর মোবাইল ফোন‌টি তি‌নি স‌ঙ্গে এনেছিল যাতে শপিংয়ের সময় স্বামী ফোনে বিরক্ত কর‌তে না পা‌রে।)
শিক্ষা:
(৫) স্মার্ট ও ভদ্র মহিলাদের সাথে টক্কর নিও না।
অবশেষে, সব কেনাকাটা সেরে তৃপ্ত ম‌নে ভদ্র‌মহিলা ঘরে ফিরলেন।
বাড়ি ফি‌রে মহিলা দেখলেন, গ্যারেজে স্বামীর গাড়ি নেই।
ঘ‌রের দরজায় স্টিকারে লেখা-
"বন্ধুর বাড়ি আই‌পিএল ফাইনাল খেলা দেখতে গেলাম। ফিরতে অনেক রাত হ‌তে পা‌রে। আর হ্যাঁ, কোন দরকার থাকলে মোবাই‌লে ফোন করো।"
স্টিকা‌রে লেখা প‌ড়ে-
হতাশ হ‌য়ে ভদ্রমহিলা ঘ‌রের দরজার সাম‌নে বসে পড়লেন। কারণ-
বাড়ির চাবিটা স্বামীর কাছে! আর-
স্বামীর মোবা‌ইল ফোনটা ভদ্র ম‌হিলার কা‌ছে!
শেষ শিক্ষা:
স্বামীর ওপর বেশি প্যাঁচ কষলে ‌শেষ পর্যন্ত স্ত্রী‌কেও এর ফল ভোগ কর‌তে হয়।

Wednesday, 24 May 2017

অতি চালাক নাকি অতি নির্বোধ?

১. মিষ্টি বিক্রেতা মনে করে, আমি তো মিষ্টি খাই না। তাই এতে ভেজাল করলে আমার কোন সমস্যা নাই।
২. বেকারির মালিক মনে করে, আমিতো বিস্কুট খাই না। তাই পঁচা ডিম-ময়দা দিয়ে বানালে আমার কোন সমস্যা নাই।
৩. ফল বিক্রেতা মনে করে, আমিতো ফল খাই না। তাই কেমিকেল মিশালে আমার কোন সমস্যা নাই।
৪.মাছ বিক্রেতা মনে করে, আমিতো ফরমালিনযুক্ত মাছ খাই না। তাই ফরমালিন মিশালে আমার কোন সমস্যা নাই।
দিনের শেষে.......
১. মিষ্টি বিক্রেতা মিষ্টি বিক্রি করে বিস্কুট, ফল, মাছ কিনে নিয়ে বাসায় যায়।
২. বেকারির মালিক বিস্কুট বিক্রি করে মিষ্টি, ফল, মাছ কিনে নিয়ে বাসায় যায়।
৩. ফল বিক্রেতা ফল বিক্রি করে মিষ্টি, বিস্কুট, মাছ কিনে নিয়ে বাসায় যায়।
৪. মাছ বিক্রেতা মাছ বিক্রি করে ফল, বিস্কুট, মিষ্টি কিনে নিয়ে বাসায় যায়।
সবাই মনে মনে নিজেকে অনেক চালাক ভাবে; অনেক লাভ করেছে ভেবে আত্মতৃপ্তির ঢেকুর তোলে। আসলে তারা যে নিজেরাই নিজেদের ঠকাচ্ছে, ক্ষতি করছে তা ভাবতেও পারেনা
collected