আমি প্রায়ই একটি কথা শুনি সেটা হল - ভাই, আমার একটা ল্যাপটপ আছে। আমি কি ফ্রিলান্সিং করতে পারব? ব্যক্তিগতভাবে আমি এই পেশায় খুবই বিরক্ত এবং কেউ এই প্রশ্ন করলে আমার মেজাজটাই খারাপ হয়ে যায়।
প্রশ্ন হল কারণটা কি? উত্তর হল - বাংলাদেশ এই পেশাটাকে এমনভাবে রিপ্রেজেন্ট করছে, ব্যপারটা এমন - ”রহিম মাঠে হাল চাষ করছিল। করিম তাকে ডাক দিয়ে বলল, দোস্ত আয় ফ্রিলান্সিং করি। অতঃপর দুইজন কম্পিউটারের সামনে বসল এবং কয়েক হাজার ডলার কামাই করে ফেলল। অতপর ফেসবুকে স্ট্যাটাস ..... ব্লা .... ব্লা ...... ব্লা....”
একসময় এই পেশাটি ছিল শিক্ষিত মানুষ বা নামি দামি ভার্সিটিতে পড়া ছাত্র-ছাত্রীদের পার্ট-টাইম পেশা। তখন অবশ্য এর আপেক্ষিক গুরুত্ব ছিল নিদারুণ। আয়ের দিক থেকে গড়ে বাংলাদেশ ছিল 2য় অথবা 3য় স্থানে।
বর্তমানে এটা এখন আম-জনতার ডেমো পেশা হিসেবে দাড়িয়েছে। আমি কিন্তু বিরোধী পক্ষ নয়। তবে সফলতার ক্ষেত্রে কিছু ডেডিকেশন আছে। আমি অল্প কিছু তুলে ধরলাম -
1) শেষ কবে যে আমি সারারাত ঘুমায়ছি, আমার নিজেরই মনে নেই।
2) জানতাম মানুষ তিনবেলা ভাত খায়। আমিতো ভুলেই গেছি সকালে কিছু খেতে হয়।
3) আমার কাছে কোনটা দিন আর কোনটা রাত সেটা আবিষ্কার করতে হয় ঘড়ির সময় দেখে।
4) শেষ কবে যে খেলা করেছি সেটার ক্যালেন্ডারও খুজে পাওয়া যাবে না।
5) গার্লফ্রেন্ড মাঝে মাঝে জুটে। সারারাত জেগে থাকি বলে মানষিক রুগী ভেবে অন্য ছেলেদের হাত ধরে।
6) বন্ধুরা সন্ধায় আড্ডা দেয়, আমি বসে বসে মেইল চেক করি।
7) কোথাও গেলে নেট পাওয়া না গেলে টেনশনে মাথা খারাপ হয়ে যায়। এই বুঝি বস মেইল করে কাজ করতে বলল।
8) চোখের তো বারটা আগেই বাজাইছি। আস্তে আস্তে বুকের ও সমস্যা বাধাইছি শুনলাম।
9) সব ক্রিয়েটিভ গুণগুলো হারাইছি। যেমন ছবি আকা, গিটার বাজনো ইটিসি।
10) আমি যে একটা স্বাধীন মানুষ, সেটার ব্যাখ্যাই ভুলে গেছি।
আমি চ্যালেঞ্জ করতে পারি, দুই এ্কটা কম বেশি ছাড়া 80% প্রফেশনাল ফ্রিলান্সারদের অবস্থা সেইম। সেখানে কেউ যদি প্রশ্ন করে - “ভাই, আমার একটা ল্যাপটপ আছে। আমি কি ফ্রিলান্সিং করতে পারব?” আমি তার কি জবাব দেব?
কপি পোস্ট - প্রকৃত লেখকের কোন ইনফরমেশন না জানায় ক্রেডিট দিতে পারলাম না। দুঃখিত :(
প্রশ্ন হল কারণটা কি? উত্তর হল - বাংলাদেশ এই পেশাটাকে এমনভাবে রিপ্রেজেন্ট করছে, ব্যপারটা এমন - ”রহিম মাঠে হাল চাষ করছিল। করিম তাকে ডাক দিয়ে বলল, দোস্ত আয় ফ্রিলান্সিং করি। অতঃপর দুইজন কম্পিউটারের সামনে বসল এবং কয়েক হাজার ডলার কামাই করে ফেলল। অতপর ফেসবুকে স্ট্যাটাস ..... ব্লা .... ব্লা ...... ব্লা....”
একসময় এই পেশাটি ছিল শিক্ষিত মানুষ বা নামি দামি ভার্সিটিতে পড়া ছাত্র-ছাত্রীদের পার্ট-টাইম পেশা। তখন অবশ্য এর আপেক্ষিক গুরুত্ব ছিল নিদারুণ। আয়ের দিক থেকে গড়ে বাংলাদেশ ছিল 2য় অথবা 3য় স্থানে।
বর্তমানে এটা এখন আম-জনতার ডেমো পেশা হিসেবে দাড়িয়েছে। আমি কিন্তু বিরোধী পক্ষ নয়। তবে সফলতার ক্ষেত্রে কিছু ডেডিকেশন আছে। আমি অল্প কিছু তুলে ধরলাম -
1) শেষ কবে যে আমি সারারাত ঘুমায়ছি, আমার নিজেরই মনে নেই।
2) জানতাম মানুষ তিনবেলা ভাত খায়। আমিতো ভুলেই গেছি সকালে কিছু খেতে হয়।
3) আমার কাছে কোনটা দিন আর কোনটা রাত সেটা আবিষ্কার করতে হয় ঘড়ির সময় দেখে।
4) শেষ কবে যে খেলা করেছি সেটার ক্যালেন্ডারও খুজে পাওয়া যাবে না।
5) গার্লফ্রেন্ড মাঝে মাঝে জুটে। সারারাত জেগে থাকি বলে মানষিক রুগী ভেবে অন্য ছেলেদের হাত ধরে।
6) বন্ধুরা সন্ধায় আড্ডা দেয়, আমি বসে বসে মেইল চেক করি।
7) কোথাও গেলে নেট পাওয়া না গেলে টেনশনে মাথা খারাপ হয়ে যায়। এই বুঝি বস মেইল করে কাজ করতে বলল।
8) চোখের তো বারটা আগেই বাজাইছি। আস্তে আস্তে বুকের ও সমস্যা বাধাইছি শুনলাম।
9) সব ক্রিয়েটিভ গুণগুলো হারাইছি। যেমন ছবি আকা, গিটার বাজনো ইটিসি।
10) আমি যে একটা স্বাধীন মানুষ, সেটার ব্যাখ্যাই ভুলে গেছি।
আমি চ্যালেঞ্জ করতে পারি, দুই এ্কটা কম বেশি ছাড়া 80% প্রফেশনাল ফ্রিলান্সারদের অবস্থা সেইম। সেখানে কেউ যদি প্রশ্ন করে - “ভাই, আমার একটা ল্যাপটপ আছে। আমি কি ফ্রিলান্সিং করতে পারব?” আমি তার কি জবাব দেব?
কপি পোস্ট - প্রকৃত লেখকের কোন ইনফরমেশন না জানায় ক্রেডিট দিতে পারলাম না। দুঃখিত :(