Tuesday, 18 April 2017

ছোটবেলার সেরা ১১ টি ধারনা

১) পৃথিবীতে দুইটা দেশ আছে
বাংলাদেশ আর বিদেশ।

২) বিয়ে করলে বাচ্চা হয় নাইলে হয় না।

৩) "আই লাভ ইউ" খুবখারাপ একটাশব্দ,
একেবারে অশ্লীল।

৪) কারো মাথার সাথে যদি নিজের মাথা একটা গুঁতা খায় তাইলে শিং
ওঠে,
দুইটা খাইলে আর ওঠে না।

৫) কোন ফলের বিচি খাইয়া ফেললে
পেটের মধ্যে সেই ফলের গাছ হয়। ↓
৬) সিনেমার মধ্যে নায়ক নায়িকারা
নিজের গলায় গান গায়।

৭) সাড়ে বারোটার পর বাজে সাড়ে
একটা, সাড়ে একটার পর সাড়ে দুইটা। ↓
৮) টিভির পেছনে উকি দিলে ভেতরে
মানুষ দেখা যাবে ।

৯) যে যত ভালো ছাত্র তার রোল তত কম
আর যত খারাপ তত বেশি.... এইটা কেমন সিস্টেম?

১০) সিনেমার গানের মধ্যে নায়ক
নায়িকা এততাড়াতাড়ি ড্রেস চেঞ্জ
করে কেমনে? নিশ্চয়ই একটার উপর
আরেকটা পরে থাকে, হুট করে উপরেরটা খুলে ফেলে দেয় কোনো
সময়...

১১) এক গালে থাপ্পর দিলে অন্য
গালেও দিতে হবে নাইলে বিয়ে হবেনা

Sunday, 16 April 2017

এক কৃষকের একটি ঘোড়া ও একটি ছাগল ছিলো

এক কৃষকের একটি ঘোড়া ও একটি ছাগল ছিলো.... একদিন ঘোড়াটি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তিনি একজন পশুচিকিৎসককে ডেকে আনলেন। পরীক্ষা করে চিকিৎসক বললেন "ঘোড়াটি ভাইরাস আক্রান্ত, আমি তিনদিনের ঔষধ দিচ্ছি। তিনদিন পর যদি দেখি অবস্থার উন্নতি হচ্ছে না তবে ঘোড়াটিকে তখন মেরে ফেলতে হবে। আর তা না হলে চারদিক ভাইরাস ছড়িয়ে পড়বে !"
কাছে থাকা ছাগলটি তাদের এই কথাবার্তা সব শুনলো। পরদিন ঘোড়াটিকে ঔষধ দেয়ার পর ছাগলটি তার কাছে এসে বললো "শক্তি অর্জন করো বন্ধু, উঠে দাঁড়াও.. তা না হলে কিন্তু ওরা তোমাকে মেরে ফেলবে!"
দ্বিতীয় দিনেও যখন ওরা ঔষধ দিয়ে চলে গেল তখন ছাগলটি ঘোড়ার কাছে এসে বললো "আরে দোস্ত উঠে দাঁড়াও, তা না হলে তো তুমি মারা পড়বে! দেখি, আমি তোমাকে সাহায্য করছি। ওঠো ওঠো... এক, দুই, তিন...."
তৃতীয় দিনে ঘোড়াটিকে ঔষধ দেয়ার পর ডাক্তার কৃষককে বললেন "ভাগ্য খারাপই মনে হচ্ছে। কালকে বোধ হয় এটাকে মেরেই ফেলতে হবে। তা না হলে ভাইরাস চারদিকে ছড়িয়ে পড়বে, অন্য ঘোড়াগুলোও তাতে আক্রান্ত হবে।" এ কথা বলে তারা চলে যাবার পর ছাগলটি ঘোড়ার কাছে এসে বললো "শোনো দোস্ত, এখনই শেষ সময়, আর সুযোগ পাবে না। উঠে দাঁড়াও, সাহস অর্জন করো, মনে শক্তি আনো, ওঠো, উঠে দাঁড়াও! এই তো..গুড... ধীরে ধীরে...দারুন... এবার হাঁটো দেখি... ওয়ান, টু, থ্রি... ওয়াও! বেশ পারছো, এবার দৌড়াও, হ্যাঁ জোরে, আরো জোরে! ইয়েস, তুমি পেরেছো, তুমিই চ্যাম্পিয়ন!!!"
হঠাৎ কৃষকটি ঘোড়ার কাছে এলো আর দেখলো ঘোড়াটি দৌড়ে মাঠের দিকে চলে যাচ্ছে। তিনি আনন্দে চিৎকার করে উঠলেন "আরে, এটা একটা অলৌকিক ব্যাপার! আমার ঘোড়াটি শুস্থ হয়ে গেছে। আমি একটা বিরাট পার্টি দেবো। কাল আমরা এই ছাগলটিকে জবাই করবো, এটা দিয়ে মজা করে ভুরিভোজ করবো।"
শিক্ষা : এ ধরণের ঘটনা আমাদের জীবনে ও কর্মক্ষেত্রে প্রায়শই ঘটে থাকে। সত্যিকার অর্থে অনেক সময় কেউই জানতে পারে না আসলে কোন্ কর্মচারী বা ব্যক্তি সাফল্যের মুল নায়ক, কে পুরষ্কার পাওয়ার যোগ্য অথবা এই সফলতার পেছনে কে অবদান রেখেছে বা দরকারী সাপোর্ট দিয়েছে। যদি কেউ কখনও আপনাকে বলে আপনার কাজটি খুব একটা প্রফেশনাল নয়, মনে রাখুন : অপেশাদাররাই কিন্তু নূহ নবীর নৌকা তৈরী করেছিল (যেটা সকল প্রজাতীর জীবন রক্ষা করেছিল) এবং দক্ষ পেশাদাররাই নির্মাণ করেছিল টাইটানিক (যেখানে সবার করুণ মৃত্যু হয়েছিল)।
(সংগৃহীত)

রিয়েল ফ্রিল্যান্সিং লাইফ কি?

> সপ্তাহে ৫ দিন কাজ করার ভয়ে সপ্তাহে ৭ দিন কাজ করার নামই ফ্রিল্যান্সিং।
> সরকারি ছুটি ছাড়াও অতিরিক্ত ছুটি কাটানোর আশায় সকল ছুটিতে কাজ করার নামই ফ্রিল্যান্সিং।
> বড় বড় ভ্যাকেশন পাওয়ার আশায় সকল অকেশনে কাজ করার নামই ফ্রিল্যান্সিং।
> এক বসের প্যারা সহ্য করার ভয়ে একাধিক বসের প্যারা সহ্য করার নামই ফ্রিল্যাান্সিং।
> প্রতিদিন ৮ ঘন্টার ডিউটি করার ভয়ে প্রতিদিন আনলিমিটেড কাজ করার নামই ফ্রিল্যান্সিং।
> অতিরি্ক্ত বিশ্রামের আশায় এক চেয়ারে ঘন্টার পর ঘন্টা বসে বিশ্রামের (কাজ) নামই ফ্রিল্যান্সিং।
> ফ্যামিলি অথবা বন্ধুবান্ধবদের অনেক টাইম দেয়ার আশায় একটু সামান্য টাইম দিতে না পারার নামই ফ্রিল্যান্সিং।
> দাওয়াত গ্রহণ করে সেই দাওয়াতে উপস্থিত হতে না পারার নামই ফ্রিল্যান্সিং।
**ইহাই ফ্রিল্যান্সিং লাইফ। 
Collected

Tuesday, 11 April 2017

Monetization ON থাকা সত্ত্বেও ভিডিওতে এড শো করছে না?

Monetization ON থাকা সত্ত্বেও ভিডিওতে যদি এড শো না করে, তাহলে নিচের স্ক্রিনশট অনুযায়ী কাজ করে দেখতে পারেন। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এড প্রদর্শিত হয়।

১। 

২। 
৩। 

Monday, 10 April 2017

স্লাইড ভিডিও কি চ্যানেল ব্যান হবার অন্যতম কারন?

অনেকের মতে ইউটিউব চ্যানেল ব্যান হবার অন্যতম কারন স্লাইড ভিডিও । আসলেই কি তাই? বিভিন্ন গ্রুপ বা কমিউনিটিতে প্রায়ই বলতে শোনা যায়, স্লাইড ভিডিও দেয়ার কারনে আমার চ্যানেল ব্যান হয়ে গিয়েছে। আসলে বাস্তবিকভাবে চ্যানেল ব্যান হওয়ার অন্যতম কারন লো-কোয়ালিটি ভিডিও এবং ইউটিউবের নিয়ম-নীতি না মানা।

এখন Exactly কি কারনে আপনারচ্যানেল ব্যান হয়ে গিয়েছে, সেটা বলা মুশকিল। তবে, Rules and Regulation মেনে স্লাইড ভিডিও বানালে চ্যানেল ব্যান কখনোই হবে না। আমি হাজার হাজার চ্যানেল দেখাতে পারি যেগুলি স্লাইড ভিডিও বানিয়ে লাখ লাখ সাবস্ক্রাইবার পাচ্ছে এবং বেশ ভাল ডলার কামাচ্ছে।

এখন মূল কথাতে যাওয়া যাক।স্লাইড ভিডিও বানানো যদি YouTube এর Terms and Conditions এর পরিপন্থী হত, তাহলে YouTube তার Editor Option এ স্লাইড ভিডিও বানাবার অপশন টা রাখতো না। 



তাহলে, বেশির ভাগ স্লাইড ভিডিও দিয়ে বানানো চ্যানেল ব্যান হয় কি কারনে? এর প্রধান কারন হচ্ছে, Video Quality. বেশির ভাগ মানুষই স্লাইড ভিডিও বলতে ইমেজ লেফট থেকে রাইট, রাইট থেকে লেফট অথবা উপরে নীচে স্লাইড এবং ন্যূনতম কিছু Text Animation যোগ করাকেই  বুঝেন। 

বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ভিডিওগুলি সব সময় Low-Quality হয় এবং অনেকেএমন সব টপিক নিয়ে কাজ করে, যেই টপিকগুলি YouTube এ লাখের উপরে বিদ্যমান। যেমন: Top 10 Richest People In The World. এটি কোন নতুন টপিক  নয়। এই টপিক নিয়ে আপনি অলরেডি হাজার হাজার ভিডিও পাবেন, যাদের কোয়ালিটি খুবই ভাল। 

এমনকি Adobe After Effect Software ব্যবহার  করে, Original Voice ব্যবহার করে করা হয়েছে। সুতরাং, আপনার বানানো খুবই নিম্নমানের Low Quality ভিডিও YouTube খুব সহজেই সনাক্ত করে চ্যানেল ব্যান করে দেয়।

তাহলে কি স্লাইড দিয়ে বানানো YouTube ভিডিও বানাব না? এর একটাই উত্তর: Video Quality.

আপনি যদি ভিডিও কনটেন্ট কোয়ালিটি নিশ্চিত করতে পারেন, তাহলে slide video নিয়ে অবশ্যই কাজ করা উচিৎ
কারণ ক্যামেরা ব্যবহার করে ভিডিও বানানো অনেকর জন্যই কষ্টসাধ্য।এখন কথা হচ্ছে, কোয়ালিটি কনটেন্ট কি? একটা ভিডিও হচ্ছে টেক্সট, অডিও, ইমেজ এর মিশ্রণ। কোয়ালিটি নিশ্চিত করার জন্য আপনাকে এই জিনিসগুলির উত্তম ব্যাবহার নিশ্চিত করতে হবে।

ভিডিও বানানোর আগে আপনাকে অবশ্যই কপিরাইট ইস্যু সম্পর্কে মাস্ট জেনে নিতে হবে। অনেকে প্রায় সময়ই বলে থাকেন, Google থেকে Image নিয়ে ভিডিও বানালে চ্যানেল ব্যান হয়ে যায়। কিন্তু Google Image Search Option  এ গেলে আপনি একটি অপশন পাবেন। সেটা হল, Re-Usable Image অপশন। যদি Google এর ইমেজ গুলি ইউজ করা নিষেধ হত, তাহলে এই অপশন টি রাখত না।

এখন আপনাকে জানতে হবে, Google থেকে কপিরাইট-ফ্রি ইমেজ আপনি কিভাবে সংগ্রহ করতে পারবেন কিভাবে সেটা আপনার স্লাইড ভিডিও তে ইউজ করবেন এবং CC Music এর ব্যবহার সম্পর্কেও জানতে হবে।

কোয়ালিটি ভিডিও কিভাবে নিশ্চিত করবেন??

ভিডিও কোয়ালিটি ২ ভাবে আপনি নিশ্চিত করতে পারবেন। প্রথমটি হল, Visual Quality. আর দ্বিতীয়টি হল Content Strength।

Visual Quality মানে বাহ্যিক সৌন্দর্য।আমরা প্রায়ই কিছু Animated Video পাই, যেগুলি বার বার দেখতে ইচ্ছে করে। , আপনি যদি Left-Right, Slide Effect না দিয়ে PowerPoint Presentation কিংবা Adobe After Effect অথবা Camtasia  দিয়ে দৃষ্টিনন্দন Animated Video বানাতে পারেন, যেটা মানুষকে বিনোদন দেয় অথবা উপকারি কোন তথ্য দিয়ে সাহায্য করে, তাহলে খুব সাধারন Topic  নিয়ে ভিডিও করলেও আপনার চ্যানেল ব্যান হবে না।

এই ভিডিওটি কেমটাশিয়া দিয়ে করা একটি ভিডিও। যে কোন প্রডাক্ট নিয়ে রিভিও ভিডিও বানিয়ে এফিলিয়েট ইনকাম করাও সম্ভব। 

অন্যদিকে Content Strength খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। খুবই কঠিন একটি বিষয় আপনি সহজে step by step Image এর মাধ্যমে বুঝিয়ে দিতে পারলে ভিউয়াররা আপনার ভিডিওটি খুব সহজেই পছন্দ করবে। Content Quality নিশ্চিত করার জন্য আপনাকে  একটা বিষয়ে ঘণ্টার পরে ঘণ্টা সময় দিতে হবে শুধুমাত্র জিনিসটি জানা এবং বুঝার জন্য যাতে করে আপনি ব্যাপারটি খুব সহজভাবে আপনার Video তে সহজভাবে ফুটিয়ে তুলতে পারেন। এতে করে আপনার Viewer রা উপকৃত হবে।

কিভাবে আইডিয়া জেনারেট করবেন???

অনেকেই ভেবে পান না যে, কোন বিষয় নিয়ে ভিডিও বানাবেন। Internet এ প্রতিটা টপিক এর উপর কিছু জায়ান্ট  বা অথোরিটি ওয়েবসাইট পাবেন, যাদের সাইটে হাজারো কনটেন্ট আছে। যে কোন একটি ওয়েবসাইট ফলো করে এর উপর প্রচুর পড়তে থাকুন। এতে করে বিষয়টির উপর আপনার অনেক বেশি দক্ষতা চলে আসবে। আপনি যদি Body Fitness নিয়ে কাজ করতে চান, তাহলে WikiHow এর মতো কোন একটি অথোরিটি সাইট বেছে নিন এবং Body Fitness Section এ প্রতিদিন ৫ থেকে ১০ ঘণ্টা সময় দিন পড়বার জন্য। সময়ের সাথে সাথে আপনার দক্ষতা বাড়বে এবং কিছু সহজ বিষয় পেয়ে যাবেন, যেগুলি নিয়ে অনায়াসেই ভিডিও বানানো যায়।

সবশেষে, Video Quality নিশ্চিত করতে পারলে, স্লাইড ভিডিও ব্যান হবার কোন কারন নেই। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই চ্যানেল ব্যান হবার অন্যতম কারন হচ্ছে নিম্নমানের ভিডিও। আপনার হাই কোয়ালিটি ভিডিও চ্যানেল ব্যান হলেও Appeal এর মাধ্যমে ফেরত পাবার সম্ভাবনা শতকরা ৯০ ভাগ। এমন কোন টপিকে কাজ করার চেষ্টা করুন, যে টপিকে ভিডিও সংখ্যা কম বা ভাল ভিডিও নেই। 

Sunday, 9 April 2017

পানি! আজব এক যৌগ!

পানিকে আমার কাছে পৃথিবীর উপাদানগুলোর মধ্যে সবচে আশ্চর্য লাগে!
:o
আজব ব্যপার, মাটির তলায় থাকা বর্ণহীন একটা 'কিছুমিছু' এটা। আবার পরিষ্কার হয়ে উঠে আসে কূপের মাধ্যমে।
:o
রঙ নাই, আবার দেখাও যায়। ছুঁইতে গেলে ভিজে যায়, অথচ হাতে রাখা যায়না! 
নড়ে চড়ে একা একাই, অথচ জীবন নাই।
:(
স্থানে স্থানে পুকুর, নদী বিলে পানি জমে থাকে। অথচ মাটি সেটা শুষে নেয়না ক্যান?
আশেপাশের মাটিতো শুষে নিতে পারে!
না, একে আবার সূর্য শুষে নিয়ে বাতাসে ঝুলিয়ে রাখে।
:/
আবার বৃষ্টি হয়ে ঠান্ডা পানি ফিরিয়ে দেয় ভূমিতেই।
:o
এই পানি আবার দুইটা গ্যাস দিয়ে হয়, অক্সেজেন-হাইড্রোজেন।
চাইলে গবেষণাগারে পানি বানাতেও পারেন। তবে সেটাতে জীবনরক্ষা হবেনা।
ঐ পানি খেলে মরতেই হবে, কারণ সে পানিতেতো খনিজ উপাদান থাকেনা!
:(
এই "ভিজা ভিজা" পানিকে নিয়ে আমি ভেবে কিছু কুল পাইনা!

Writing Credit: Taisiya Mostafa

Sunday, 2 April 2017

Honesty Is The Best Policy

ষাটোর্ধ একজন CEO অবসর নেয়ার আগে তার স্বনামধন্য কোম্পানীর উত্তোরাধিকার হিসেবে একজন সৎ ও যোগ্য CEO নির্বাচন করতে চাইলেন। তবে চিরায়ত নিয়মে তিনি তার পরিচালক পর্ষদ বা ছেলেমেয়েদের মধ্য থেকে কাউকে উত্তরাধিকার না করে ভিন্নধর্মী কিছু করার চিন্তা করলেন। তাই একদিন সকল এক্সিকিউটিভদের বললেন “আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি আপনাদের মধ্য থেকে একজন পরবর্তী CEO নিয়োগ করবো।” শুনে তো সবাই হতবাক! তবে আবার খুশীও হল। CEO হওয়ার স্বপ্নে তাদের মন উৎফল্লিত হলো। তিনি বলে চললেন “আমি আপনাদের প্রত্যেককে একটি করে ‘বীজ’ দেব। এই বীজ আপনারা টবে রোপণ করবেন, পানি দিবেন, যত্ন করবেন আর ঠিক এক বছর পর তা আমার নিকট নিয়ে আসবেন। আমি তখন সেই বীজ থেকে বেড়ে ওঠা চারাগাছ দেখে বিচার করবো কে হবে পরবর্তী CEO ।”

সেইখানে অলিভার নামে একজন ছিল যে আর সবার মতই বীজ নিয়ে বাসায় ফিরলো। তার স্ত্রী একটি টব, মাটি ও সার জোগাড় করলো এবং সেই টবে অলিভার বীজটি রোপণ করলো। প্রতিদিন সে বীজটির খুব যত্ন করতে লাগল। নিয়মিত পানি দিল। সপ্তাহ তিনেক পর তার সহকর্মীরা এক অন্যের সাথে তাদের বীজ থেকে বেড়ে ওঠা চারাগাছ সম্পর্কে বলাবলি করতে লাগল।


কিন্তু হায় অলিভারের বীজ থেকে তো কিছুই জন্মাচ্ছে না। এভাবে তিন সপ্তাহ, চার সপ্তাহ করে পাঁচ সপ্তাহ পার হয়ে গেল। সে নিজেকে ব্যর্থ ভাবতে শুরু করলো। নিজের মনেই বলল “আমি বোধ হয় রোপণের সময় বীজটি নষ্টই করে ফেলেছি।” সে তার সহকর্মীদের সাথে লজ্জায় এ বিষয়ে কোন কথাও বললো না।


অবশেষে একটি বছর পার হলো। কোম্পানীর সব এক্সিকিউটিগণ তাদের বড় হয়ে যাওয়া চারা গাছটি তাদের CEO এর নিকট নিয়ে এলো।
এই খালি টব নিয়ে অলিভারের পক্ষে অফিস যাওয়া সম্ভব নয়। কিন্তু স্ত্রী তাকে যা ঘটেছে সে বিষয়ে সৎ থাকার পরামর্শ দিল এবং বললো যা সত্য তাই তোমার CEO কে বলবে। সে আজ খুবই বিব্রত হবে – এই দুশ্চিন্তায় অলিভার অসুস্থ বোধ করতে থাকলো। কিন্তু সে এও জানে তার স্ত্রী ঠিক কথাই বলেছে।
সে তার খালি টব নিয়ে বোর্ডরুমে ঢুকে দেখলো সকলের টবে কী সুন্দর সুন্দর গাছ! অলিভার তার টবটি রুমের মেঝেতে রাখল। অনেকেই হাসাহাসি করল, কেউ কেউ আবার দুঃখ প্রকাশও করলো।


CEO রুমে এসে সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়ে পুরো রুম পরিদর্শন করলেন। “ও মাই গড, আপনারা কী সুন্দর চারাগাছ ও ফুল জন্মিয়েছেন!” হঠাৎ তার চোখ গিয়ে পড়লো অলিভারের দিকে। অলিভার লজ্জায় পেছনে কোথাও লুকানোর চেষ্টা করলো। CEO তাকে সামনে আসতে বললেন।
অলিভার খুব ভীত হয়ে পড়লো। নির্ঘাৎ সে আজ তার চাকুরী হারাবে। CEO জিজ্ঞেস করলেন “কি ব্যাপার অলিভার, আপনার বীজের কী হয়েছে?” অলিভার তাকে সব খুলে বললেন। CEO সবাইকে বসতে বললেন, শুধু অলিভারকে বললেন দাড়িয়ে থাকতে। তিনি অলিভারের দিকে তাকিয়ে বললেন সবাই আমাদের নতুন CEO কে ভালো করে দেখুন, তার নাম অলিভার!


অলিভার নিজের কানকে বিশ্বাস করতে পারলো না! সে তো কোন চারাগাছের জন্মই দিতে পারে নি!
সবাই বলাবলি করলো “সে কিভাবে CEO হলো?”
CEO বললেন “এক বছর আগে আমি প্রত্যেককে যে বীজ দিয়েছিলাম তা সবই ছিল মৃত। কারণ সেগুলো ছিল সিদ্ধ করা। তাই কোন চারা অঙ্কুরিত না হতে দেখে হতাশ হয়ে আপনারা আমার দেয়া বীজটি ফেলে দিয়ে নতুন বীজ লাগিয়েছেন, শুধুমাত্র অলিভার সাহস ও সততার সাথে খালি টব নিয়ে এসেছে যে টবে আমার দেয়া বীজটিই রয়েছে। সবাই করতালি দিয়ে তাকে অভিনন্দিত করুন।”


“যদি সততা রোপণ করেন, তবে বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জন করবেন”
“যদি সৎগুণ রোপণ করেন, তবে ভালো বন্ধুত্ব অর্জন করবেন”
“যদি কঠোর শ্রম রোপণ করেন, তবে সাফল্য অর্জন করবেন”
“যদি সুবিবেচনা রোপণ করেন, তবে আপনি যৌক্তিক দৃষ্টিভঙ্গি অর্জন করবেন”
তাই কী রোপণ করছেন সে বিষয়ে সতর্ক থাকুন, তা নির্ধারণ করে দিবে ভবিষ্যতে আপনি কী অর্জন করবেন।
জীবনকে আপনি যা দিবেন, জীবন আপনাকে তাই ফেরত দিবে।
(সংগৃহিত)