Thursday, 6 July 2017

এইটাকে বলে মাইন্ড চেঞ্জিং কনসেপ্ট

ব্যাংক ডাকাতির সময় এক ডাকাত সবাইকে বলল, 'কেউ নড়াচড়া করবেন না, মাটিতে শুয়ে পড়ুন। ব্যাঙ্কের টাকা আপনার নয়, কিন্তু আপনার জীবন আপনার, যা বলছি তাই চুপচাপ মেনে নিন'। এইটাকে বলে 'মাইন্ড চেঞ্জিং কনসেপ্ট'। সাধারণ চিন্তাকে বিপরীত দিকে ঠেলে দেয়া। হঠাত এক মহিলা টেবিলের উপর শুয়ে পড়ল। ডাকাত সর্দার বলল, 'এই যে মেডাম এখানে শুটিং হচ্ছে না, ডাকাতি হচ্ছে। আমার কথামতো মাটিতে শুয়ে পড়ুন, নইলে গুলি করে দিব'। এটাকে বলে 'প্রফেশনালিজম'। যে জন্য ট্রেইন করা হয়েছে সেটাতে মনোযোগ দেয়া।
ডাকাতির পর বাসায় ফিরে শিক্ষানবিশ ডাকাত বলল, বস চলেন টাকাটা গুনে ফেলি। সর্দার বলল, 'আরে গাধা এখানে অনেক টাকা গুনতে সময় লাগবে। রাতের খবর দেখ তাহলেই বুঝতে পারবি কয় টাকা চুরি হয়েছে'। এইটাকে বলে 'অভিজ্ঞতা'। বর্তমানে তাই শিক্ষাগত যোগ্যতার চেয়ে অভিজ্ঞতার মূল্য অনেক বেশি।
ডাকাতরা চলে যাওয়ার পর ব্যাংক অফিসার ম্যানেজারকে বলল, পুলিশকে খবর দেই। ম্যানেজার বলল, ওকে। যা টাকা আছে সেখান থেকে আমরা আগে পঞ্চাশ লক্ষ টাকা সরিয়ে নেই। তারপর যে টাকা চুরি হয়েছে সেটার সাথে এই টাকা যোগ করে পুলিশ রিপোর্ট করব। তারা দুজনে পঞ্চাশ লক্ষ টাকা সরিয়ে রাখল। একে বলে 'স্রোতের সাথে তাল মেলানো'। প্রতিকূল অবস্থা নিজেদের অনুকূলে আনা। ম্যানেজার আফসোস করলো ইশ প্রতি মাসেই যদি ডাকাতি হত! এই অবস্থাকে বলে 'হতাশাকে আশায় রূপ দেয়া'। বাধ্যগত চাকুরীটাকে ব্যক্তিগত সুবিধাতে পরিণত করা।
রাতে নিউজ হলো ব্যাংক থেকে এক কোটি টাকার ডাকাতি হয়েছে। দুই ডাকাত বারবার গুনেও দেখে মাত্র পঞ্চাশ লক্ষ টাকা তারা আনতে পেরেছে। একজন আরেকজনকে বলল, আমরা নিজেদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পঞ্চাশ লক্ষ টাকা ইনকাম করলাম অথচ ম্যানেজার কোনো কিছু না করেই পঞ্চাশ লক্ষ টাকা রোজগার করে ফেলল। তাইলেতো ডাকাতি করার চেয়ে পড়াশোনা করাই ভালো। এজন্যই বলে 'শিক্ষা/জ্ঞান স্বর্ণের চয়েও দামী'।
ম্যানেজার মুচকি হেসে মাথা নাড়ল। ডাকাতির কারণে তাদের যে লস ছিল সেটা রিকভার হয়ে গেসে। একেই বলে 'ঝোপ বুঝে কোপ মারা'।
এখন প্রশ্ন হইল বড় চোর কে বা কারা? শিক্ষিত লোকেরা নাকি অশিক্ষিত লোকেরা? যারা এক দেড় হাজার টাকা ছিনতাই করে তারা নাকি যারা কলমের খোঁচায় কিংবা আইনের মারপ্যাঁচে এক দেড় হাজার কোটি টাকা মেরে দেয়?
(বিদেশি গল্প অবলম্বনে)

Saturday, 17 June 2017

হারামজাদা >> what is হারামজাদা ??

হারামজাদা >> what is হারামজাদা ??
হারাম আরবি শব্দ বাংলা অর্থঃ অবৈধ
জাদা ফার্সি শব্দ অর্থঃ সন্তান
হারামজাদা = অবৈধ সন্তান। 
মজা করে আনন্দ করে বন্ধুকে হারামজাদা বলেন। মজা করে ডাক দেন। বাহ কি সুন্দর কথা।
আসলে কি বলতেছেন আপনি?? যাকে এতো মধুর শুরে ডাকছেন ব্যাকইন্ডে তার মা কে বেশ্যা অথবা পরকিয়া করা মেয়ে বানাচ্ছেন। আপনার বন্ধুকে বানাচ্ছেন হারাম ভাবে জন্ম নেওয়া একটা ছেলে হিসাবে।
মজা করেন দোষ নাই। এমন কিছু বইলেন না যা বাবা মায়ের সম্পর্কে আঘাত হানে।
আশা করি সবাই সচেতন হবেন।

Collected from Md. Muzahidul Islam

Wednesday, 14 June 2017

হযরত সালমান ফার্সীর মালিক ছিল একজন ইহুদী

হযরত সালমান ফার্সী যখন মুক্তি চাইলেন তখন ইহুদী শর্ত দিল,যদি তিনি কয়েক দিনের মধ্যে নগদ ৬০০ দিনার এবং ৩০০খেজুর গাছ রোপন করে আর খেজুর গাছে খেজুর ধরলে তবেই সে মুক্ত।
আসলে ইহুদির মুক্তি দেবার ইচ্ছা ছিল না। কেননা সালমান ফার্সীর পক্ষে ৬০০ দিনার যোগাড় করা কঠিন ছিল।আর খেজুর গাছ রোপন করে তাতে ফল ধরে ফল পাকানো অনেক সময়ের ব্যাপার।
হযরত সালমান ফার্সী রাসুল (সঃ) এর দরবারে এসে ঘটনা বর্ণনা করলেন।রাসুল (সঃ) ৬০০ দিনারের ব্যবস্থা করলেন।তারপর হযরত আলী (রাঃ) কে সাথে নিয়ে গেলেন ইহুদীর কাছে।
ইহুদী এক কাঁদি খেজুর দিয়ে বলল এই খেজুর থেকে চারা উৎপন্ন করে তবে ফল ফলাতে হবে। রাসুল (সঃ) দেখলেন যে, ইহুদীর দেয়া খেজুরগুলো আগুনে পোড়ানো।
রাসুল (সঃ) খেজুরের কাঁদি হাতে নিয়ে আলী (রাঃ) কে গর্ত করতে বললেন আর সালমান ফার্সীকে বললেন পানি আনতে।আলী (রাঃ) গর্ত করলে রাসুল (সঃ) নিজ হাতে প্রতিটি গর্তে সেই পোড়া খেজুর রোপন করলেন। আল্লাহর অশেষ মহিমায় সেই পোড়া খেজুর থেকে চারা গজালো।
রাসুল (সঃ) সালমান ফার্সীকে এ নির্দেশ দিলেন যে, বাগানের শেষ প্রান্তে না যাওয়া পর্যন্ত পেছন ফিরে তাকাবে না।তিনি পেছনে না তাকিয়ে পানি দিতে লাগলেন।বাগানের শেষ প্রান্তে যাওয়ার পর তাকিয়ে দেখলেন যে প্রতিটি গাছ খেজুরে পরিপূর্ণ।আর খেজুরগুলো পেকে কালো বর্ণ হয়ে গেছে।
এই খেজুর পৃথিবীর সবচেয়ে দামি খেজুর আর সবচেয়ে বেশি সুস্বাদু।আর কেনইবা দামী হবে না?যে খেজুর রাসুলের নিজ হাতে রোপন করা....
আর এ খেজুরের নামই-- “আজওয়া”
Collected from 
Shah Amanullah

Monday, 12 June 2017

এক মার্কিন ধনকুবেরের একমাত্র সুন্দরী কন্যার যখন বিয়ের বয়স হলো


এক মার্কিন ধনকুবেরের একমাত্র সুন্দরী কন্যার যখন বিয়ের বয়স হলো বাবা তাকে বললেন যাকে পছন্দ তার সাথেই বিয়ের ব্যবস্থা করবো। মেয়ে বলল আমি কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারছি না। কারণ সবাই বলে তারা আমাকে ভালবাসে। মেয়ের সাথে আলাপ করে বাবা সিদ্ধান্ত ঘোষণা করলেন- প্রতিযোগিতা হবে। যে প্রথম হবে তাকেই মেয়ে বিয়ে করবে।
প্রতিযোগিতার দিন দেখা গেল শতাধিক যুবক সুন্দর পোশাকে পরিপাটি অবস্থায় ধনকুবেরের বাড়িতে এসে উপস্থিত। ধনকুবের সবাইকে বাড়ির সুইমিং পুলে নিয়ে দাঁড় করিয়ে বললেন, সাঁতার প্রতিযোগিতা হবে। সাঁতারে যে প্রথম হবে তার সাথেই আমার মেয়ের বিয়ে দেব। তবে পানির নিচে বহু কুমির আর এই কুমিরগুলোকে এক মাস ধরে কোনো খাবার দেয়া হয় নি। ধনকুবেরের কথা শেষ হতে না হতেই দেখা গেল যে, এক যুবক পানিতে পড়ে চোখ বন্ধ করে দুই হাত পা নাড়ছে। কুমিররা কিছু বুঝে ওঠার আগেই সেই যুবক ভাগ্যক্রমে কিছুক্ষণের মধ্যেই সুইমিংপুলের ওপারে গিয়ে উঠেছে। বিস্ময়ের ঘোর কাটতেই ধনকুবেরের মেয়ে দৌড়ে গিয়ে জড়িয়ে ধরলো যুবককে। বিস্ময়াবিষ্ট কষ্ঠে বলল, তোমার মত বীরকেই আমি চাচ্ছিলাম। তুমিই আমার স্বামী হওয়ার একমাত্র উপযুক্ত। এদিকে যুবকের রাগ তখনও থামে নি। উত্তেজনায় হাত-পা কাঁপছে। এক ঝটকায় মেয়েটিকে দূরে ঠেলে দিয়ে যুবক চিৎকার করে উঠল, ‘কোন ... হারামজাদা আমাকে ধাক্কা দিয়ে পানিতে ফেলে দিয়েছিলো, তাকে আগে দেখে নেই।
সুন্দরী স্ত্রী ও ধনকুবেরের সম্পদ ঐ যুবকের হাতের মুঠোর চলে এসেছিলো কিন্তু রাগ, ক্ষোভ ও অভিমান তাকে সবকিছু বঞ্চিত করল।

Sunday, 4 June 2017

৫০ জন লোকের একটি গ্রুপ একটি সেমিনারে অংশগ্রহন করল

৫০ জন লোকের একটি গ্রুপ একটি সেমিনারে অংশগ্রহন করল। হঠাৎ স্পীকার বক্তব্য দেয়া বন্ধ করে বললেন, চলুন সবাই একটা গ্রুপ একটিভিটি করি। তিনি সবাইকে একটি করে বেলুন দিলেন। তারপর সবাইকে মার্কার পেন দিয়ে বেলুনের উপর নিজের নাম লিখতে বললেন। সবার লেখা শেষ হয়ে গেলে সব বেলুন সংগ্রহ করে পাশের রুমে রেখে আসলেন। এরপর সবাইকে বললেন ৫ মিনিটের মধ্যে নিজের নাম লেখা বেলুনটি খুজে আনতে। সবাই পাগলের মতো তার নাম খুজতে লাগল এবং সেখানে বিশৃঙ্খলা লেগে গেল। ৫ মিনিট শেষ হবার পর কেউ তার নাম লেখা বেলুন খুজে পেল না। এরপর সবাইকে বললেন আপনাদের যার হাতে যে বেলুনটি আছে তাতে যার নাম লেখা তাকে দিয়ে দিন। মাত্র এক মিনিটের মধ্যে সবাই তার নাম লেখা বেলুনটি হাতে পেয়ে গেল।
তখন স্পীকার বলল আমাদের জীবনে আসলে এটাই ঘটে, আমরা পাগলের মত আনন্দ খুজি কিন্তু সেটা কোথায় আছে তা আমরা কেউ জানিনা।

Collected 
Shah Amanullah

Friday, 2 June 2017

জান্নাত একটি সাম্প্রদায়িক জায়গা

জান্নাত একটি সাম্প্রদায়িক জায়গা, সেখানে কেবল খাঁটি মুসলিমগণ থাকবেন।
জাহান্নাম একটা অসাম্প্রদায়িক বা ধর্মনিরেপেক্ষ জায়গা সেখানে মুনাফিক, সেক্যুলার ও অন্যান্য ধর্মের লোকজন মিলেমিশে থাকবে।
যারা বলে, "ধর্ম যার যার, উৎসব সবার।"
ওদের বলুন, "ধর্ম যার যার, জাহান্নাম তোমাদের সবার।" 😂😂😂
Collected

একলোক খুব দক্ষ ছিলেন

একলোক খুব দক্ষ ছিলেন, তিনি একটি সুচকে তার থেকে ১০০ ফিট দূরে অবস্থিত আরেকটি সুচের ভিতর দিয়ে পার করে দিতে পারতেন।
সারা রাজ্যে তার এই কর্ম নৈপুণ্যের খবর ছড়িয়ে পড়লো। রাজা নিজে এই দক্ষতা দেখতে চাইলেন। রাজার সামনে ছেলেটি সফলভাবে হাতে সুচ নিয়ে ছুড়ে মারলেন ও সেটি ১০০ ফিট দূরে অবস্থিত আরেকটি সুচের মধ্যে দিয়ে ঠিকই পার হয়ে গেল।
রাজা খুব খুশি হয়ে প্রথমে তাকে পুরস্কার দিলেন।
এরপর রাজা তাকে ৫০টি বেতের বাড়ি মারার নির্দেশ দিলেন।
লোকটি রাজার কাছে তার এই শাস্তির কারন জানতে চাইলেন।
রাজা জানালেন, "১০০ ফিট দূরে সুচের ভিতর দিয়ে সুচ নিক্ষেপন কারো কোন কাজে আসেনি, তুমি আমার রাজ্যের একজন নাগরিক হয়ে পুরা জীবন নস্ট করেছ এরকম একটি অপ্রয়োজনীয় কাজে। এজন্যই তোমাকে শাস্তি দেবার হুকুম দিয়েছি।"
মোরালঃ মিনিংলেস কাজে আসুন আমরা সময় না দেই। আপনার কাজটি কি আদৌ অপরের কোন কাজে আসছে? নিজের জীবনকে মিনিংফুল করে গড়ে তুলুন।
Collected